খুঁজুন
                               
, ,
           

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩ হাজার, বাড়ছে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩ হাজার, বাড়ছে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সংকট

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ হাজার জনে দাঁড়িয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগের এক সপ্তাহ পর গতকাল বুধবার দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৫ জনে। রদ্রিগেজ বলেন, এ পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন এবং প্রায় ১৩ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পর দেশজুড়ে শোক ও অনিশ্চয়তার আবহ তৈরি হয়েছে। এখনও হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, নতুন করে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা দ্রুত কমে আসছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে দেশের ‘আত্মা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।’

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাসের উত্তরে অবস্থিত শহর লা গুয়ারিয়া। সেখানে ধসে পড়া অধিকাংশ ভবনের গায়ে ‘D’ চিহ্ন দেওয়া হয়েছে, যার অর্থ ‘ডিসিসড’ বা মৃত। অর্থাৎ ভবনগুলোতে অনুসন্ধান চালিয়ে জীবিত কারও অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। স্পেনের একটি উদ্ধারকারী দলের সমন্বয়কারী হাভিয়ের রোডস বলেন, যেখানে জীবিত কাউকে উদ্ধারের কোনো সম্ভাবনা নেই, সেখানে সময় ব্যয় করা হয় না।

তবে হতাশার মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রম ঘটেছে। মঙ্গলবার তিন বছর বয়সী এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় এক শতাব্দীর বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের ছয় দিন পরও শিশুটির বেঁচে থাকা উদ্ধারকর্মীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষের ৭২ ঘণ্টার বেশি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

লা গুয়ারিয়া অঙ্গরাজ্যের কারাবালেদা শহরে নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দা হোসে রাফায়েল বলেন, এখান থেকে আর কেউ বের হয়ে আসবে না, জীবিতও না, মৃতও না।

অন্যদিকে আরেকটি ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান চালিয়ে এক মার্কিন উদ্ধারকর্মী স্থানীয়দের জানান, সেখানে ‘জীবনের কোনো চিহ্ন নেই।’ এতে ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। কারণ অনেকেই ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে শব্দ শুনে স্বজনদের জীবিত পাওয়ার আশা করেছিলেন।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এখনও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এই দুটি ভূমিকম্প তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলায় বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। কয়েক দশকের অর্থনৈতিক সংকটে দেশটির অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা আগেই দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

এদিকে, জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে খাবারের অপেক্ষায় থাকা লা গুয়ারিয়ার ১৮ বছর বয়সী বিক্রেতা দানিয়েল আরমাস বলেন, এখানে খাবার দেওয়া হয়, কিন্তু কখনও কখনও মানুষ খাবারের জন্য প্রায় একে অপরকে মেরে ফেলার অবস্থায় চলে যায়। যেন মোরগের লড়াই।

চুরি ও লুটপাটও বেড়েছে। বুধবার ধ্বংসস্তূপ থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে স্থানীয়দের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মিশন প্রধান লিয়া পোগগিও বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

ত্রাণের লাইনে প্রতিদিন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অনেকেই স্বেচ্ছাসেবক ও সাধারণ মানুষের সহায়তায় টিকে আছেন। লা গুয়ারিয়ায় বহুতল ভবন ধসে পড়ার পর পরিবার নিয়ে একটি পার্কিং এলাকায় আশ্রয় নেওয়া ৫৬ বছর বয়সী ফাতিমা বেরেতোরান বলেন, গত রাত পর্যন্ত আমরা কিছুই পাইনি। এরপর তারা পানি আনা শুরু করে।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ঘরে তৈরি খাবার পৌঁছে দেওয়া তরুণী আইসমার লোপেজ বলেন, আমি যখন খাই, তখন মনে হয় কোথাও কেউ না খেয়ে আছে। তখন অপরাধবোধ হয়।

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ভেনেজুয়েলায় তিন মাস ধরে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে ৫ কোটি ডলার তহবিলের আবেদন জানিয়েছে।

এদিকে নতুন উদ্বেগ হয়ে উঠেছে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ক্রিস্টিনা লিন্ডমেয়ার বলেন, ভেনেজুয়েলায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে ‘চরম চাপের’ মধ্যে রয়েছে। ভূমিকম্পের আগেই টিকাদানের হার কম ছিল। ফলে হাম ও ডিপথেরিয়ার মতো টিকায় প্রতিরোধযোগ্য রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এখন বেড়ে গেছে। অন্যদিকে উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে নাসার প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাতের নগর ব্যবস্থাপনা যাচাই করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাতের নগর ব্যবস্থাপনা যাচাই করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর নাগরিক সেবার বাস্তব চিত্র সরেজমিনে দেখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গভীর রাতে প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন।

জানা গেছে, রাজধানীর সড়ক, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফুটপাত, সড়কবাতি, যান চলাচল এবং নগরসেবার সামগ্রিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন স্থানে থেমে তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। রাতের নগর ব্যবস্থাপনা বাস্তবে কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা দেখতেই এ আকস্মিক পরিদর্শন বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নগরবাসীর দৈনন্দিন ভোগান্তি কমাতে সেবার মান বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিচ্ছেন। সে কারণেই তিনি রাতে মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, তা সরাসরি দেখছেন।

এর আগে পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ও একইভাবে রাতে রাজধানী পরিদর্শনে বের হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়। দায়িত্ব পালনে গাফিলতির বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের বার্তা হিসেবে সেই সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

 

চীন-ভারত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
চীন-ভারত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে চীন ও ভারতের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। সুতরাং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ নেই বলেই তিনি মনে করেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ আছে কি না, বিশেষ করে চীন ও ভারতের বিষয়ে।

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি।

সুতরাং আমি ধরে নেব, এ বিষয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই।’

বাংলাদেশের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ২১টি বোয়িং বিমান কেনার বিষয়টি আলোচনায় ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটা তো তাদের বলেছিই।

আমরা কেবল বিমানের (বাংলাদেশ বিমান) মাধ্যমেই বোয়িং কিনছি না, আমাদের বেসরকারি সংস্থাও কিনেছে।’

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে আমরা যে সাহায্য পাই, তার অর্ধেকের বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। মিয়ানমারের ওপর চাপ ইত্যাদি বিষয়ে আমরা আলোচনা করিনি। তবে আমরা আশা করব, যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য অব্যাহত থাকবে। এই সমস্যার সমাধানে আমরা যে বহুপাক্ষিক অ্যাপ্রোচ নিয়েছি, তাতে শুধু তারা নয়, অন্যান্য রাষ্ট্রও যুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, ঢাকা সফরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) মার্কিন বিশেষ দূত রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। আগামী শনিবার সফরের শেষ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়া সফরকালে আরও কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

সারা দেশের মতো ময়মনসিংহ বিভাগেও প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নৌযান শুমারি-২০২৬। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ বিষয়ক অংশীজন অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

সেমিনারে বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. ফিরোজ ইবনে ইউসুফ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে শুমারির সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান, নৌযান শুমারি-২০২৬-এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সমুদ্রগামী ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানের সংখ্যা, ধরন এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যভাণ্ডার (ডেটাবেজ) তৈরি করা। এই তথ্যভাণ্ডার নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নৌ-দুর্ঘটনা হ্রাস এবং নৌ-শ্রমিকদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) তাঁর বক্তব্যে বলেন, নৌযান শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এই ডেটাবেজের মাধ্যমে সরকার নৌখাতে আরও কার্যকরভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম হবে। এ কার্যক্রমে পুলিশ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার বলেন, নৌযান শুমারি-২০২৬ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই শুমারি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

নৌযান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দ শুমারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক শুমারির প্রচারণায় সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ