খুঁজুন
                               
, ,
           

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

বাংলা একাডেমির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

আবুল কাসেম দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ছাত্র মোহাম্মদ আজম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে মিরপুর-১ নম্বরের একটি রেস্তোরাঁয় স্যার খেতে গিয়েছিলেন। সেখানে অসুস্থ বোধ করলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যতদূর শুনেছি, হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের পুত্রবধূ রাজিয়া রহমানও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৬৬ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। পরবর্তীতে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ নামে দু’টি সাময়িকপত্রের সম্পাদনা ছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই রয়েছে তার। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’র মতো তার লেখা অন্তত ২০টির বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়াও তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’, ‘স্বদেশচিন্তা’র মতো একাধিক গ্রন্থও। অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

তালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

সাতক্ষীরার (তালা) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
তালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনকালে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত মেডিকেল অফিসার ডা. শাওলী নানজিবা তন্নির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (২৬ জুলাই) তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন, রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছে মন্ত্রী প্রথমে রান্নাঘর পরিদর্শন করেন।

সেখানে রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের মান যাচাই করতে তিনি খাবার চেখে দেখেন। এরপর মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ড, ওয়াশরুম, ওষুধ স্টোর, অপারেশন থিয়েটার (ওটি), অফিস কক্ষ এবং চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাজিরা খাতা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ সরবরাহ এবং সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার মান সম্পর্কে তাদের মতামত নেন। এছাড়া হাসপাতালের পুকুর ও চত্বরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে হাসপাতালের সমস্যা, সেবার মান এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

এসময় তিনি হাসপাতালের এসি চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ওয়াশরুমসহ চলমান সংস্কার ও উন্নয়নকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের তদারকির নির্দেশ দেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। এ লক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যেই মাটি পরীক্ষার (সয়েল টেস্ট) কাজ শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটিতে ৭ থেকে ৮ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে। নতুন ভবনে পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক প্যারালাইসিস সেন্টার, ফিজিওথেরাপি সেন্টার, মাতৃদুগ্ধ কর্নার (ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার) এবং ট্রমা সেন্টার স্থাপন করা হবে।

পরিদর্শনকালে তার সাথে ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিজুল হক (লিটু) প্রমুখ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ
শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নগরের সদরঘাট থানায় দশ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলায় মো.আকতার সর্দার (২৪) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।

মো.আকতার সর্দার সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার কুকড়াপর্শি এলাকার কাদের সর্দার বাড়ির মো.সাত্তার সর্দারের ছেলে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী নগরের সদরঘাট থানাধীন পূর্ব মাদারবাড়ী সাহেবপাড়া এলাকার ইউনুছ মিয়া সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

শিশুর পিতা একটি জুতার কারখানায় এবং মা একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সঙ্গে শিশুটি নগরের পূর্ব মাদারবাড়ীর সাহেবপাড়ার নার্গিস কলোনির একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতো।

অভিযুক্ত মো.আকতার সর্দার প্রতিবেশী হওয়ায় প্রায়ই বাসায় যাতায়াত করতো এবং শিশুটিকে বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখাতো। ২০২২ সালের ২ জুলাই সকালে শিশুটির বাবা-মা কর্মস্থলে গেলে বিকেল দিকে বাসায় একা থাকা শিশুটির কাছে যায় অভিযুক্ত।

এ সময় সে শিশুটিকে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। ঘটনার পর ভয়ভীতির কারণে শিশুটি কাউকে কিছু জানায়নি। পরে ৬ জুলাই বিকেলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা বিষয়টি জানতে পারেন। শিশুটি তখন মাকে জানায়, কয়েকদিন আগে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাসায় ঢুকে তাকে মারধর করে এবং কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে পরীক্ষা করে শারীরিক আঘাতের আলামত দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানিয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুর বাবা মনির হোসেন সদরঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বাংলানিউজকে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো.আকতার সর্দারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। সাজা পরোয়ানা মূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আন্দোলন ও বিক্ষোভের বিষয়ে সরকার আমলে নেওয়ার মতো কোনো বিষয় দেখেনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিকভাবে সবার কথা বলার ও প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা রয়েছে।

তবে সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে সরকারের আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য নেই।

রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শারীরিক কারণ দেখিয়ে সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্রে বিষয়টি বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে এবং সাংবিধানিক বিধান অনুসারে তা জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়।

স্পিকার তা গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে তিনি অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালে সংবিধান অনুযায়ী বিশেষ সুবিধা (প্রিভিলেজ) ও দায়মুক্তি (ইমিউনিটি) ভোগ করেন।

দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায় না। তবে দায়িত্বের বাইরের কোনো বিষয়ে কেউ অভিযোগ বা বক্তব্য দিলে তা আইন অনুযায়ী বিবেচিত হবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতির একটি কথিত অডিও রেকর্ড প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তারা শুধু পত্রিকায় দেখেছেন। এ বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই। তিনি বলেন, কোনো পত্রিকা যদি এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করে, তাহলে তাদের কাছে কী তথ্যপ্রমাণ আছে, সেটি তাদেরই জিজ্ঞেস করতে হবে। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই।

সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে যদি কোনো বিষয় থেকে থাকে, তা সে সময়কার আইন ও বিধি অনুযায়ী বিবেচিত হবে। এছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আইন অনুযায়ী যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, সেগুলো তিনি পাবেন।

তিনি জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য আইন অনুযায়ী ছয় মাস পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা রয়েছে। এ সময় তিনি এসএসএফ, পিজিআরসহ নির্ধারিত নিরাপত্তা পাবেন। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সরকার এক সপ্তাহের বেশি টিকবে না, এক বিরোধী নেতার এমন বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক সপ্তাহ পরে কী হয়, সেটার জন্য অপেক্ষা করি। সব বিষয়ে মন্তব্য করার মতো যোগ্য আমি নই।

রাজধানীর মতিঝিলে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট বিদেশি কর্তৃপক্ষের চাওয়া তথ্য সরকার দ্রুত পাঠাচ্ছে। প্রথম দফায় ৩০ দিনের মধ্যে যেসব নথি চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো তিন দিনের মধ্যেই পাঠানো হয়। পরে সংশ্লিষ্ট আদালত আরও কিছু তথ্য চেয়েছে। সেগুলোর জবাবও এক-দুদিনের মধ্যে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

জুলাই-আগস্টের ঘটনায় স্নাইপার রাইফেল ও ৭ দশমিক ৬২ ক্যালিবারের গুলি ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি