খুঁজুন
                               
, ,
           

ইনক্রিমেন্টের নিয়ম বদলে যাচ্ছে নতুন পে স্কেলে, গ্রেডভেদে বেতন বাড়বে যে হারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
ইনক্রিমেন্টের নিয়ম বদলে যাচ্ছে নতুন পে স্কেলে, গ্রেডভেদে বেতন বাড়বে যে হারে

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত ১ জুলাই থেকে। যদিও এ সংক্রান্ত গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি। এরই মধ্যে নতুন পে স্কেলের প্রাথমিক খসড়ায় বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে।

বর্তমানের মতো সব গ্রেডে সমান হারে ইনক্রিমেন্ট না দিয়ে এবার গ্রেডভেদে ভিন্ন হারে বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে আরও সময় লাগতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, গেজেট জারি হতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।

প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের ৫ শতাংশ রাখা হয়েছে। পঞ্চম গ্রেডে ৪ শতাংশ, তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় গ্রেডে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রথম গ্রেডের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে। বর্তমানে সব গ্রেডেই গড়ে ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট কার্যকর রয়েছে।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নতুন ইনক্রিমেন্ট কাঠামো নির্ধারণের আগে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ সরকারি চাকরিজীবী, ৬১ হাজার ৫০০ সাধারণ নাগরিক এবং ৩ হাজার ৫১৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মতামত নেওয়া হয়। জরিপে মাত্র ৫ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা বিদ্যমান ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতির পক্ষে মত দেন।

অন্যদিকে ৫০ দশমিক ৪৩ শতাংশ উত্তরদাতা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণের পক্ষে মত দেন।

এছাড়া ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশের মতে, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণ করা উচিত। একইসঙ্গে ৭৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশে চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব থাকলেও তা কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সন্তানদের শিক্ষা ভাতাও কমিশনের প্রস্তাবিত ২ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও কমিশনের সুপারিশের তুলনায় কয়েকটি ভাতার হার কিছুটা কমানো হচ্ছে। তবে বর্তমানের তুলনায় সব ভাতাই বাড়বে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে শুধু নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। বিভিন্ন ভাতা ২০২৭-২৮ অর্থবছর থেকে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

সরকারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। বিভিন্ন ভাতাসহ মোট প্রাপ্তি প্রায় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা। নতুন পে স্কেলে ওই গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলে ভাতাসহ মোট প্রাপ্তি বেড়ে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকায় পৌঁছাতে পারে।

একইভাবে ১৯তম থেকে প্রথম গ্রেড পর্যন্ত সব স্তরেই বেতন ও ভাতা বাড়বে।

তবে সমতা বজায় রাখতে উচ্চ গ্রেডের ভাতা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই ও ঝুঁকিভাতাসহ কয়েকটি ভাতা বর্তমানে মূলত ১০ম বা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরাই পান। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নতুন ভাতা কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত প্রধান অববাহিকা ও বাপাউবো জোনভিত্তিক অববাহিকাসমূহের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন-এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আগামী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন নদীর পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি এক দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা ও ঘাঘট নদীগুলো আগামী তিন দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা অঞ্চলের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীতেও পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে এসব নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

মিরপুর-৬ সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারের বেজমেন্টে আগুন নিয়ন্ত্রণে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
মিরপুর-৬ সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারের বেজমেন্টে আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বরে অবস্থিত সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারের বেজমেন্টে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান বলেন, রাত ১০টা ৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এছাড়া কোনো হতাহতের সংবাদও আসেনি।

এর আগে সোমবার রাত ৮টা ২ মিনিটে মিরপুর-৬ নম্বরে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে রাত ৮টা ১৪ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এরপর ঘটনাস্থলে ছয়টি ইউনিট কাজ করে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ডিএমপিতে ৬ ডিসিকে রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
ডিএমপিতে ৬ ডিসিকে রদবদল

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) পদে কর্মরত ছয় পুলিশের কর্মকর্তাকে রদবদল করা হয়েছে।

‎সোমবার (৬ জুলাই) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

‎আদেশ অনুযায়ী, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার দেওয়ান জালাল উদ্দিন চৌধুরীকে ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সদর দফতর ও প্রসাশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আমীর খসরুকে মতিঝিল (ট্রাফিক) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহজাহান হোসেনকে ট্রাফিক-উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎পাশাপাশি, ট্রাফিক-উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার সাঈদকে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার,গুলশান (গোয়েন্দা) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহরিয়ার আলীকে সদর দফতর ও প্রশাসন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রবিউল হাসানকে ডিএমপির লজিস্টিকস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ