খুঁজুন
                               
, ,
           

কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে। এ সিনেমাটি মুক্তির আগেই মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। সিনেমাটির মুক্তি আটকে দিতে এবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’।

ইতোমধ্যে মুম্বাই হাইকোর্টে ‘জিওস্টার’-এর বিরুদ্ধে ২৫০ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ মামলা করেছে তারা। ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, তাদের কোনো রকম অনুমতি না নিয়েই বেআইনিভাবে ‘কুইন’ সিনেমার এ সিক্যুয়েল নির্মাণ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে পরিচালক বিকাশ বহলের হাত ধরে শুরু হয়েছিল ‘কুইন ২’ সিনেমার শুটিং। সম্প্রতি সিনেমাটির ক্যামেরা ক্লোজ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আর শুটিং শেষ হওয়ার এ খবরটি সামনে আসার পরপরই আইনি লড়াইয়ে নামার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ফ্যান্টম স্টুডিওস।

সংস্থার ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে একাধিকবার জিওস্টার ও পরিচালক বিকাশ বহলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। ফ্যান্টম স্টুডিওসের পক্ষ থেকে তাদের আপত্তির কথা জানানো হয়। এমনকি প্রকাশ্যে আইনি নোটিশও জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই মামলর পথ বেছে নিয়েছে ফ্যান্টম স্টুডিওস।

ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, ‘কুইন’ সিনেমার ৫০ শতাংশ মেধাস্বত্বের মালিকানা এখনো তাদের হাতেই রয়েছে। সেই আইনগত অধিকার বলেই এ সিনেমার সিক্যুয়েলসংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্তের অংশীদার তারা। চলতি বছরের এপ্রিলে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল— ‘কুইন’-এর ওপর ভিত্তি করে কোনো সিক্যুয়েল বা নতুন কোনো অভিযোজন নির্মাণের অনুমতি তারা কাউকে দেয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কুইন’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তোলার পাশাপাশি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে তুমুল প্রশংসা পেয়েছিল। সিনেমাটি সে বছর দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লুফে নেয়, যার মধ্যে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান পান কঙ্গনা রানাউত। সেই সময়ে সিনেমাটির যৌথ প্রযোজনায় ছিল ‘ভায়াকম১৮ মোশন পিকচার্স’ ও ‘ফ্যান্টম ফিল্মস’।

অনুরাগ কাশ্যপ, বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে, মধু মন্টেনা ও বিকাশ বহল মিলে গড়ে তুলেছিলেন ফ্যান্টম ফিল্মস। পরে ২০১৮ সালে এ সংস্থাটি বন্ধ হয়ে গেলেও ২০২১ সালে ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’ নামে নতুনভাবে এর পথচলা শুরু হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তারেক রহমানের কাজে ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের সমর্থন 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের কাজে ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের সমর্থন 

দেশের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনের ধরনকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করছেন বলে উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক জরিপে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডেল্টাগ্রাম পরিচালিত এ জরিপে অংশ নেন ৩ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। তাদের মধ্যে ৭৫ দশমিক ৩ শতাংশ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের কাজের ধরন তারা সমর্থন করেন। বিপরীতে মাত্র ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আর ৭ দশমিক ২ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো মত দেননি।

ডেল্টাগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশজুড়ে এ জরিপ পরিচালিত হয়। বিএনপি সরকার গঠনের প্রায় চার মাস পর এই জনমত যাচাই করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, বিভাগভিত্তিক হিসাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে, যেখানে অনুমোদনের হার ৮৩ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম সমর্থন পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে এ হার ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ।

গ্রামাঞ্চলে সরকারের প্রতি সমর্থন শহরের তুলনায় বেশি। জরিপে গ্রামীণ এলাকার ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শহরাঞ্চলে এই হার ৭০ দশমিক ১ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণেও সমর্থনের হার প্রায় একই রকম থাকলেও ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এটি তুলনামূলক কম, ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।

জরিপে উঠে এসেছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকার শুরুর দিকেই উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পেয়েছে।

ডেল্টাগ্রাম জানিয়েছে, জরিপে দুই ধাপের স্তরভিত্তিক সম্ভাব্যতা নমুনা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। দেশের আটটি বিভাগের ১৫০টি প্রাথমিক নমুনা এলাকা থেকে প্রতিটিতে ২০টি করে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। মোট উত্তরদাতার সংখ্যা ছিল ৩ হাজার। জরিপের সাড়া দেওয়ার হার ছিল ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো। সাক্ষাতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয়।

বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও ইতালির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি, সামরিক প্রশিক্ষণের আধুনিকায়ন এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ইতালির সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ইতালির সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দুই দেশের অবদান ও ভবিষ্যতে বিশ্বশান্তি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার বিষয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

সাক্ষাতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে।

জবাবে ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারত্বের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বগুড়ায় সংস্কারকৃত হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় সংস্কারকৃত হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করলেন সেনাপ্রধান

সংস্কারকৃত বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করছেন প্রথমবারের মতো অবতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।

বুধবার (৮ জুলাই ) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে শিবগঞ্জে এসে তিনি এই হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন।

শিবগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি হেলিপ্যাডের স্থান নির্ধারিত থাকলেও বছরের পর বছর তা অযত্নে পড়েছিল। সংস্কারের কোনো উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। অবশেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির উদ্যোগে হেলিপ্যাডটি সংস্কার করা হয়।

সংস্কারকৃত এই হেলিপ্যাডেই প্রথমবারের মতো অবতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অবহেলায় পড়ে থাকা হেলিপ্যাডটি আবারও কার্যকরভাবে ব্যবহারের সূচনা হল।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি