খুঁজুন
                               
, ,
           

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ ও আ.লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ ও আ.লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত থেকে দেশে ফিরে আত্মসমর্পন ও আইনি লড়াই চালানোর বার্তা দিয়েছেন জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া তার এই বার্তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে দেশজুড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি নিয়ে এবার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন বার্তা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত ‘গণ-অভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনও সুযোগ নেই। তিনি বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।

তবে, তার আপিল করার কোনো অধিকার থাকলে, সেটি আইন ও আদালত দেখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে।

তবে, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা সঠিক হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মাফিয়া সংগঠন হিসেবেই তাদের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হোক। আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করাকে নিষিদ্ধ করা সঠিক মনে করি না।’

বক্তব্যে বিগত ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের কথা স্মরণ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাইয়ের কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তির নয়; এ দেশের সর্বস্তরের জনগণ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, তাই এই অর্জন সবার। কেউ যাতে জুলাইয়ের শক্তিকে ব্যবহার করে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পারে। এই শক্তিকে আরও শক্তিশালী করে ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ১৫ জুলাই এই টিএসসিতে দাঁড়িয়ে সবাইকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, বাংলাদেশে আর কখনও কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে দেয়া যাবে না। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুসারে সংবিধানসহ অন্যান্য আইনকানুন সংস্কার করা হবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আগে থেকেই সংস্কার ও সংশোধন চেয়েছিলাম, এ জন্যই ৩১ দফা প্রণয়ন করা হয়েছিল।

কালের আলো/এসএকে

মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে এই সামানজার সাঈদ?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে এই সামানজার সাঈদ?

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬’ বিজয়ী সামানজার সাঈদ এবার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রস্তুত। আগামী রোববার ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে শুরু হতে যাওয়া মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে শনিবার দেশ ছাড়বেন তিনি।

যাত্রার আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা জানান সামানজার। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই সুন্দরী প্রতিযোগিতা দেখতে ভালো লাগলেও কখনো ভাবেননি নিজেই এমন একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন। তাঁর লক্ষ্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের সামর্থ্য তুলে ধরা এবং গর্বের সঙ্গে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করা।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর কৌতূহল থেকেই ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন সামানজার। প্রথমবার অংশ নিয়েই বিজয়ীর মুকুট জিতে নেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, প্রতিযোগিতাটি কেবল সৌন্দর্যের নয়; ব্যক্তিত্ব, চিন্তাভাবনা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকাশেরও একটি বড় মঞ্চ।

বিজয়ী হওয়ার পর আন্তর্জাতিক উপস্থাপনা, ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন ও বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ গ্রুমিং নিয়েছেন সামানজার। তাঁর বিশ্বাস, এই অভিজ্ঞতা তাঁকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি চার বছর কথক ও ভরতনাট্যম নৃত্য শিখেছেন সামানজার। গান, নাচ ও খেলাধুলার প্রতিও রয়েছে তাঁর আগ্রহ। ভবিষ্যতে ভালো গল্প ও শক্তিশালী চরিত্রের প্রস্তাব পেলে অভিনয়েও কাজ করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।

গত ১১ জুলাই ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬’ হিসেবে সামানজার সাঈদের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বিদায়ী বিজয়ী আকলিমা আতিকা কনিকার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্বাগতা সাহা এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন লাবিবা মনজুর।

ভিয়েতনামের হ্যানয়ে শুরু হওয়া মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ প্রতিযোগিতার সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর হো চি মিন সিটিতে।

কালের আলো/এসএ

বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু

ভালোবাসা দিবস, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় তারকা জুটি রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। তবে বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই তাঁদের দাম্পত্যে ভাঙনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, এই দম্পতি নাকি আলাদা থাকছেন। যদিও এ বিষয়ে এতদিন প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি দুজনের কেউই।

অবশেষে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে নীরবতা ভাঙেন রণজয় বিষ্ণু। শুটিং সেট থেকে শেয়ার করা ওই ভিডিওতে তিনি বলেন, “ভাবিনি কখনো এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে হবে। যে কাদা–ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, তা কাম্য নয়। আমরা একে অন্যকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত কথা বলতে আমি আগ্রহী নই। এই মুহূর্তে মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত।”

তিনি আরও বলেন, একজন নারীকে নিয়ে মন্তব্য করার আগে সবার আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। শ্যামৌপ্তিকে নিয়ে যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো তাঁর প্রাপ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন অভিনেতা।

বিচ্ছেদের গুঞ্জন প্রসঙ্গে রণজয়ের বক্তব্য, “আমরা বিয়ে করেছি। আমাদের মধ্যে যা-ই হোক, আমরা নিজেরাই বুঝে নেব। কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার দায় নেই। করজোড়ে অনুরোধ করছি, আমাদের বাঁচতে দিন। আমাদের মতো থাকতে দিন। এত মিথ্যা রটনা আর নিতে পারছি না।”

এদিকে, শ্যামৌপ্তির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি রণজয়ের সহ-অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে এসব দাবি নাকচ করে রণজয় বলেন, “এই রটনার কোনো প্রমাণ কী আছে? আমাদের ব্যক্তিগত জীবন আমরা নিজেরাই সামলে নেব। যা হচ্ছে, সেটা আমরা ডিজার্ভ করি না।”

যদিও নানা জল্পনা-কল্পনা চললেও, রণজয় বা শ্যামৌপ্তি—কেউই এখন পর্যন্ত তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা বা বিচ্ছেদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।

কালের আলো/এসএ

টেকসই গণমাধ্যম গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
টেকসই গণমাধ্যম গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী

টেকসই, গতিশীল, দায়িত্বশীল ও সর্বোচ্চ স্বাধীনতা উপভোগকারী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে একটি নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে এনে এর সুরক্ষায় সরকার বিজনেসের মতো টেকসই পদক্ষেপ নিতে চায়।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সংবাদপত্র শিল্পে বিনিয়োগ ও মুনাফার প্রশ্ন অবধারিতভাবেই জড়িয়ে আছে।

কারণ উদ্যোক্তা মুনাফা নিশ্চিত করতে না পারলে শিল্প টিকবে না এবং সংবাদকর্মীদের অধিকারও সুরক্ষিত হবে না। তবে মুনাফার পাশাপাশি জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতাও থাকতে হবে।

গণমাধ্যম ব্যবস্থার সাম্প্রতিক পরিবর্তন তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের মিডিয়া ইকোসিস্টেমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, টেক জায়ান্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যুক্ত হয়ে পরিবেশকে জটিল করেছে। এখন মূল লড়াইটা সরকার বনাম সাংবাদিকের নয়; বরং লড়াইটি অপতথ্য বনাম সঠিক তথ্য এবং অসৎ সাংবাদিকতা বনাম বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকতার নিরাপত্তা ও সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল বলেন, গণতন্ত্র কেবল ভোটাধিকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; ক্ষমতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকের নির্ভয়ে সত্য জানার অধিকার রক্ষার ওপরই এর স্থায়িত্ব নির্ভর করে। গত দেড় দশকে রাজনৈতিক চাপ, ডিজিটাল আইনের প্রয়োগ ও নজরদারির কারণে দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের শত্রু বা সরকারের মুখপত্র না ভেবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগঠনের গঠনমূলক অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এজন্য নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে সম্পাদকীয় পূর্ণ স্বাধীনতা, অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার পাশাপাশি ভুয়া তথ্য ও অপতথ্য রোধে জাতীয় পর্যায়ে সুসংহত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সেমিনারে অনেকের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন যমুনা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ তৌহিদুল ইসলাম, এনটিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক ফকরুল আলম কাঞ্চল, মোহনা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক রাশেদুল হক, স্টার টেলিভিশনের সিইও মোকসেদুল করিম বাবু, সাংবাদিক মারুফ কামাল খান সোহেল এবং ডেইলি ওয়াদার সম্পাদক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি