খুঁজুন
                               
, ,
           

‘জুলাই জাদুঘর গড়ে তোলা ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধ’—ফারুকী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
‘জুলাই জাদুঘর গড়ে তোলা ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধ’—ফারুকী

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর নির্মাণের কাজ ছিল ‘আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধের মতো’। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফারুকী লেখেন, “মন্ত্রণালয়ের শত শত কাজের মধ্যে জুলাই জাদুঘরের কাজ এক বছরের মধ্যে একটি কাঠামোতে নিয়ে আসা ছিল আক্ষরিক অর্থেই যুদ্ধ। এই যুদ্ধ আমার আয়ু কেড়েছে, কেড়েছে আরও অনেক কিছু। কিন্তু শত শত শহীদ যেখানে জীবন দিয়েছেন, সেখানে এসব যুদ্ধ আর এমন কী?”

তিনি জানান, বুধবার (৫ আগস্ট) জাদুঘরটির উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। শূন্য থেকে জাদুঘরটি গড়ে তোলার পেছনে যাদের নিরলস শ্রম রয়েছে, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষভাবে স্থপতি তানজিম ওয়াহাব, স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম, সংশ্লিষ্ট টিম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

ফারুকী আরও জানান, শুরুতে আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হলেও এতে তিন বছরের বেশি সময় লাগতে পারে এবং ব্যয়ও অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হয়। পরে দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভর করেই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়।

নিজের পোস্টে তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত যারা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছেন, তাদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন। পাশাপাশি ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টাইমস, ফরাসি দৈনিক লা মোঁদ এবং জার্মান দৈনিক টাজ জাদুঘরটি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ফারুকী বলেন, টিম লিডার ও আর্টিস্টিক ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় কঠোর হতে হয়েছে। এ কারণে কাজের সময় কাউকে বকাঝকা বা উচ্চস্বরে কথা বলে থাকলে তিনি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাদুঘর সব সময়ই ‘ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস’ হিসেবে থাকবে। তার ভাষায়, জুলাই আন্দোলন এবং গত ১৬ বছরের ঘটনাপ্রবাহ এতটাই বিস্তৃত যে, একবারে সবকিছু তুলে ধরা সম্ভব নয়।

ফারুকী জানান, এখন পর্যন্ত গেজেটভুক্ত ৮৩৫ জন শহীদের প্রত্যেককে নিয়ে পৃথক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করতেই কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। ভবিষ্যতে আরও তথ্য, দলিল ও উপাদান জাদুঘরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সবশেষে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জুলাই আন্দোলন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের গণ্ডি পেরিয়ে এই জাদুঘরকে বাংলাদেশের রাজনীতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পোস্টের শেষাংশে জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান ফারুকী। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘আলমগীর’ নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বসির বলেন, ‘ঘটনা সঠিক। গুলিতে আলমগীর নামে একজন আহত হয়েছেন। তবে আমরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে পাইনি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।’

তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তিনি জানাতে পারেনি। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলেও জানান ওসি।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন মিলে মিল্লাত ক্যাম্পে এসে আলমগীরকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় মোটরসাইকেলটি আটকও করা হয়। কিন্তু পরে এলাকাবাসী ভয় পেয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এরপর তাদের একজন পুলিশে খবর দিলে সেখানে ‍পুলিশ আসে। কিন্তু কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা গেছে, গুলিতে আহত হওয়া আলমগীর ‍পুরান ঢাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি