খুঁজুন
                               
, ,
           

বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু

ভালোবাসা দিবস, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় তারকা জুটি রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। তবে বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই তাঁদের দাম্পত্যে ভাঙনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, এই দম্পতি নাকি আলাদা থাকছেন। যদিও এ বিষয়ে এতদিন প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি দুজনের কেউই।

অবশেষে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে নীরবতা ভাঙেন রণজয় বিষ্ণু। শুটিং সেট থেকে শেয়ার করা ওই ভিডিওতে তিনি বলেন, “ভাবিনি কখনো এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে হবে। যে কাদা–ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, তা কাম্য নয়। আমরা একে অন্যকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত কথা বলতে আমি আগ্রহী নই। এই মুহূর্তে মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত।”

তিনি আরও বলেন, একজন নারীকে নিয়ে মন্তব্য করার আগে সবার আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। শ্যামৌপ্তিকে নিয়ে যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো তাঁর প্রাপ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন অভিনেতা।

বিচ্ছেদের গুঞ্জন প্রসঙ্গে রণজয়ের বক্তব্য, “আমরা বিয়ে করেছি। আমাদের মধ্যে যা-ই হোক, আমরা নিজেরাই বুঝে নেব। কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার দায় নেই। করজোড়ে অনুরোধ করছি, আমাদের বাঁচতে দিন। আমাদের মতো থাকতে দিন। এত মিথ্যা রটনা আর নিতে পারছি না।”

এদিকে, শ্যামৌপ্তির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি রণজয়ের সহ-অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে এসব দাবি নাকচ করে রণজয় বলেন, “এই রটনার কোনো প্রমাণ কী আছে? আমাদের ব্যক্তিগত জীবন আমরা নিজেরাই সামলে নেব। যা হচ্ছে, সেটা আমরা ডিজার্ভ করি না।”

যদিও নানা জল্পনা-কল্পনা চললেও, রণজয় বা শ্যামৌপ্তি—কেউই এখন পর্যন্ত তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা বা বিচ্ছেদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।

কালের আলো/এসএ

১৩ বছর বয়সে যিনি গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন, তিনিই এখন এমবাপ্পের কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
১৩ বছর বয়সে যিনি গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন, তিনিই এখন এমবাপ্পের কোচ

ফ্রান্স জাতীয় দলের নতুন কোচ হিসেবে জিনেদিন জিদানকে পাওয়ার বিষয়টিকে ‘সিনেমার গল্পের মতো’ মনে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে।

প্রায় ১৫ বছর আগে রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলে ট্রায়াল দিতে গিয়ে প্রথমবার জিদানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল এমবাপ্পের। সেই সময়ের পরিচিত জিদানই এখন ফ্রান্স জাতীয় দলের প্রধান কোচ। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় এমন পরিবর্তনকে বিশেষ মুহূর্ত হিসেবেই দেখছেন এমবাপ্পে।

গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন জিদান

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুরোনো স্মৃতি মনে করেন এমবাপ্পে। তিনি জানান, রিয়াল মাদ্রিদের অনুশীলন কেন্দ্রে যাওয়ার সময় জিদানই প্রথম তাকে গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন।

তখন এমবাপ্পের বয়স ছিল মাত্র ১৩ বা ১৪ বছর। সেই সময়ের স্মৃতি এখনো তার মনে গেঁথে আছে। এত বছর পর সেই জিদানই জাতীয় দলের কোচ হওয়ায় বিষয়টিকে অবিশ্বাস্য এক যাত্রা হিসেবে দেখছেন তিনি।

এমবাপ্পের ভাষায়, বিষয়টি যেন সিনেমার গল্পের মতো। তবে সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার হলো, সেই গল্প বাস্তবেই ঘটছে।

জিদানের অধীনে নতুন অধ্যায়

তুরস্কের বিপক্ষে শুক্রবার উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচ দিয়ে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে প্রথমবার ডাগআউটে বসবেন জিদান। তার অধীনে নতুন একটি অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে ফ্রান্স।

নতুন কোচের অধীনে দলের লক্ষ্যও পরিষ্কার বলে জানিয়েছেন এমবাপ্পে। সামনে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য দুই বছর সময় রয়েছে তাদের।

‘নতুন প্রক্রিয়া শুরু করছি’

এমবাপ্পে বলেন, ফ্রান্স নতুন একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নেশনস লিগের চারটি ম্যাচকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুত করার পাশাপাশি নতুন কোচের সঙ্গে কাজের ধরনও বুঝে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা।

২০২৮ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে এখন থেকেই দলকে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন এমবাপ্পে।

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন শুরু

গত জুলাইয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় ফ্রান্স। সেই হতাশা পেছনে ফেলে এবার নতুনভাবে পথচলা শুরু করতে চাইছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

জিদানের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারের অধীনে ফ্রান্সের নতুন অধ্যায় কেমন হয়, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা। আর সেই অধ্যায়ের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র এমবাপ্পে—যিনি কৈশোরে পাওয়া জিদানকে এবার জাতীয় দলের কোচ হিসেবেই পাশে পাচ্ছেন।

কালের আলো/এসএ

রাজনীতির পিচে নামছেন মোহাম্মদ শামি?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
রাজনীতির পিচে নামছেন মোহাম্মদ শামি?

ক্রিকেটের মাঠে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ মোহাম্মদ শামি। এবার তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনীতিতে পা রাখার জল্পনা। ভারতের জাতীয় লোক দল (আরএলডি) সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে শামির সাক্ষাতের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই নতুন করে এই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে শামি বা আরএলডির পক্ষ থেকে এখনো রাজনীতিতে যোগ দেওয়া কিংবা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

জয়ন্তের সঙ্গে বৈঠক ঘিরেই যত আলোচনা

সম্প্রতি দিল্লিতে জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেন মোহাম্মদ শামি। পরে জয়ন্ত চৌধুরী নিজেই সামাজিক মাধ্যমে তাদের সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শামির সম্ভাব্য রাজনৈতিক অভিষেক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে আমরোহা সদর আসন থেকে শামিকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বিষয়টি এখনো জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।

শামি নাকি ভাই হসিব?

শুধু মোহাম্মদ শামি নন, তার ভাই মোহাম্মদ হসিবের নামও আলোচনায় এসেছে। এর আগে হসিবের আমরোহা আসন থেকে আরএলডির সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। ফলে শামি নিজে নির্বাচনে না দাঁড়িয়ে ভাইকে রাজনীতির মাঠে নামাতে পারেন—এমন আলোচনাও চলছে।

তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে শামি ও তার ভাই—দুজনের পক্ষ থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো স্পষ্ট ঘোষণা না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আমরোহার সঙ্গে শামির পুরোনো সম্পর্ক

মোহাম্মদ শামির শিকড় উত্তরপ্রদেশের আমরোহায়। আমরোহা সদর তহসিলের সাহসপুর আলিনগর তার পারিবারিক এলাকা। ফলে স্থানীয় রাজনীতিতে তাকে ঘিরে ‘নিজের এলাকার মানুষ’ হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার আলোচনা তৈরি হয়েছে।

শামির পরিবারেও স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার ইতিহাস রয়েছে। তার ভাই হসিব এর আগে জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন বলেও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ক্রিকেট থেকে রাজনীতিতে—নতুন অধ্যায়?

মোহাম্মদ শামি সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০২৫ সালের ৯ মার্চ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন তিনি।

এর মধ্যেই জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে শামির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্যের চেয়ে জল্পনাই বেশি।

অতএব, ক্রিকেটের মাঠে পরিচিত এই পেসার সত্যিই রাজনীতির মাঠে নামবেন কি না, নাকি জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎটি ছিল নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ—সেটির উত্তর মিলবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই।

কালের আলো/এসএ

মেসি গোল করেই চলেছেন, ইন্টার মিয়ামি ড্রয়ের বৃত্তেই

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
মেসি গোল করেই চলেছেন, ইন্টার মিয়ামি ড্রয়ের বৃত্তেই

লিওনেল মেসি গোল করেই চলেছেন, কিন্তু জয় যেন ধরা দিচ্ছে না ইন্টার মিয়ামির। সান দিয়েগো এফসির বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ২-২ গোলে ড্র করেছে মেসির দল। এর ফলে মেজর লিগ সকারে টানা চতুর্থ ম্যাচে ড্র করল ইন্টার মিয়ামি।

তবে ব্যক্তিগতভাবে মেসির জন্য ম্যাচটি ছিল আরেকটি মাইলফলকের। ইন্টার মিয়ামির জার্সিতে নিজের ১০১তম গোল করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। চলতি মৌসুমে লিগে এটি তার ২০তম গোল।

শুরুতেই এগিয়ে সান দিয়েগো

ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় সান দিয়েগো। জেপ্পে টভের্সকভের বাড়ানো বল কাজে লাগিয়ে গোল করেন আন্দ্রেস দ্রেয়ার। ইন্টার মিয়ামির গোলরক্ষক দেইন সেন্ট ক্লেয়ারকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

তবে পিছিয়ে পড়ার পর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি মেসিদের। ২৪ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান মেসি। ডান দিক থেকে নেওয়া তার ফ্রি-কিক কোনো খেলোয়াড়ের স্পর্শ ছাড়াই দূরের পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়ায়।

সুয়ারেজের গোলে এগিয়েও জয় পেল না মিয়ামি

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ইন্টার মিয়ামি।

অবশেষে ৭৪ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। রদ্রিগো ডি পলের বাড়ানো বল থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন উরুগুইয়ান তারকা।

তবে সেই লিডও ধরে রাখতে পারেনি মিয়ামি। মাত্র আট মিনিট পর আবারও গোল করেন দ্রেয়ার। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান সান দিয়েগোর এই ডেনিশ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।

মেসির গোল, তবু জয়ের দেখা নেই

এই ড্রয়ের ফলে ইন্টার মিয়ামির পয়েন্ট এখন ৪৬। চলতি এমএলএসে ১২টি জয়, ১০টি ড্র ও ৪টি হারে এই পয়েন্ট পেয়েছে তারা। একই সঙ্গে টানা চার ম্যাচ ড্র করার হতাশাও সঙ্গী হলো মেসিদের।

ম্যাচের শেষ দিকেও জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিল ইন্টার মিয়ামি। তবে সান দিয়েগোর গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত আর গোল পায়নি মেসির দল।

সামনে কলম্বাস ক্রু

এমএলএসে ইন্টার মিয়ামির পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে। অন্যদিকে সান দিয়েগো এফসি আগামী শনিবার অস্টিন এফসির মুখোমুখি হবে।

মেসি ব্যক্তিগতভাবে গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন, কিন্তু দলকে টানা ড্রয়ের বৃত্ত থেকে বের করতে পারছেন কি না—সেটিই এখন ইন্টার মিয়ামিকে ঘিরে বড় প্রশ্ন।

কালের আলো/এসএ