খুঁজুন
                               
, ,
           

ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রীসহ নেতৃবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রীসহ নেতৃবৃন্দ

​চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভা সিটি সেন্টারের সামনে আজ এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠান।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে অতিরিক্ত মানুষের চাপে মঞ্চ ধসে পড়ে। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত অর্থমন্ত্রীসহ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ নিচে পড়ে যান।

​অনুষ্ঠানস্থলে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমদ, পটিয়ার সংসদ সদস্য এনামুল হক, বোয়ালখালীর সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

​প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে মঞ্চে ওঠার পরপরই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষের চাপে মঞ্চটি হঠাৎ ধসে পড়ে। এতে অর্থমন্ত্রীসহ মঞ্চে থাকা নেতৃবৃন্দ নিচে পড়ে যান। সৌভাগ্যবশত কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলেও মন্ত্রী দ্রুত স্থান ত্যাগ করে সাতকানিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন।

​এদিকে, মন্ত্রী চলে যাওয়ার পরপরই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত হাজারো মানুষের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা ও হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ত্রাণ নিতে আসা সাধারণ মানুষের ঠেলাঠেলিতে পাঁচ নারীসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদ আইয়ুব (৬০), খাইরুন্নেসা (৫০), রুবি আক্তার (৩০), আয়েশা আক্তার (৫৮) ও রাশেদা আক্তারসহ (৬০) আরও পাঁচজন।

​ঘটনার বিষয়ে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহমান বলেন, মন্ত্রী উপস্থিত থাকায় জনসমাগম স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। অতিরিক্ত চাপের কারণেই মূলত মঞ্চটি ধসে পড়েছে। তবে এতে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি হয়নি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে ভবন থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নেন অনেকে

মেক্সিকোর দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। কম্পনটি প্রতিবেশী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) স্থানীয় সময় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মেক্সিকোর চিয়াপাস অঙ্গরাজ্যের উপকূলের কাছে।

ভূমিকম্পের পর মেক্সিকো ও গুয়াতেমালার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কিছু এলাকায় সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করে। পরে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জানায়, সমুদ্রের পানির উচ্চতা সীমিত পরিমাণে বাড়তে পারে এবং উপকূলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে বহু মানুষ ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

গুয়াতেমালার কয়েকটি এলাকায় ছোটখাটো ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে এবং কিছু অঞ্চলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে মূল ভূমিকম্পের পর ৫ থেকে ৬ মাত্রার একাধিক আফটারশকও রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ এর মাধ্যমে জাতির সামনে যে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের সাথে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা।

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী।  বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

কালের আলো/এম/এএইচ