খুঁজুন
                               
, ,
           

বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সাফল্যের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সাফল্যের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন, পেশাগত উৎকর্ষ সাধন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং একটি দক্ষ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে নৌবাহিনীকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে নৌবাহিনী প্রধানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও উল্লেখ করেন।

বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়স্থ নিজ কার্যালয়ে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে এডমিরাল এম নাজমুল হাসান শেষ বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে যান।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সাক্ষাৎকালে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সংকটকালে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে এডমিরাল নাজমুল হাসান দেশ ও জাতির কল্যাণে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা ছিল সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কল্যাণকর। অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে নৌবাহিনীর অনবদ্য ভূমিকার জন্য প্রধানমন্ত্রী তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান ও তাঁর পরিবারের সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও সর্বাঙ্গীন কল্যাণ কামনা করেন।

বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান তাঁর দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই সহযোগিতার ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

১৫ আগস্ট ঘিরে দেশব্যাপী র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
১৫ আগস্ট ঘিরে দেশব্যাপী র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

Oplus_131072

আগামী ১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এর অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সদস্যদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে ইতোমধ্যে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র‍্যাব।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঘিরে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ সংগঠন বা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কুচক্রী মহল যেন নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য দেশব্যাপী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর অপতৎপরতা ও গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সন্দেহভাজন ও নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আগাম তথ্য সংগ্রহ ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করতে বিভিন্ন এলাকায় কন্টাক্ট বা ইনফর্মার বা সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের রুটগুলোতেও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যদের মোতায়েন করে নজরদারি করা হচ্ছে।

যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারসহ র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মী, দুষ্কৃতকারী বা কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ যাতে না থাকে, সে বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মাধ্যমে নাশকতা ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতেও সাইবার পেট্রলিং জোরদার করেছে র‍্যাব। বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোডের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

র‍্যাব আরও জানিয়েছে, কোথাও বিস্ফোরক বা বিস্ফোরক সদৃশ কোনো বস্তু পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে র‍্যাব নিজস্ব নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব বদ্ধপরিকর।

কালের আলো/এসএকে

দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি

দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। এ সময় তিনি দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে সাহসিকতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

‎বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টায় রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

‎আইজিপি বলেন, রাজধানীতে দেশি-বিদেশি কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষ বসবাস করেন; তাই রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুরো দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থেই অপরিহার্য। মাঠপর্যায়ের কাজ গতিশীল করতে সিনিয়র অফিসারদের সরাসরি মনিটরিং বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক তদারকি থাকলে নিচের স্তরের পুলিশ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে উৎসাহিত হয়।

‎তিনি আরও বলেন, আপনারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে দেশের স্বার্থে ও জনগণের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন। তবে ইচ্ছাকৃত ভুল বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করলে তার দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না এবং সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে আইজিপি বলেন, দল-মত নির্বিশেষে পুলিশের পরিচয় একটাই আমরা আইন ও জনগণের সেবক। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। বর্তমানে ঐতিহ্যগত অপরাধের চেয়ে সাইবার ক্রাইম, গুজব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও ‘মিস ইনফরমেশন’ মোকাবিলা করা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পুলিশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

‎আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, অতিরিক্তি আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলামসহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভারতকে এবার যে বার্তা দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
ভারতকে এবার যে বার্তা দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Oplus_131072

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুসংহত করার সুযোগ ভারতের এখনও রয়ে গেছে এবং ভারত সরকারের সেই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারতের উদ্দেশে এ বার্তা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত ও জাপান সফর প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং আসন্ন সংসদ অধিবেশনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ ও সাংবিধানিক কার্যক্রম চলছে। সব মিলিয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ এসব ব্যস্ততা কমলে ও সূচিতে সামঞ্জস্য এলে অবশ্যই ভারতের পাশাপাশি জাপান সফর অনুষ্ঠিত হবে। সব দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে এবং এটি মূলত প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচির ওপর নির্ভর করছে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার যেকোনো দ্বিপক্ষীয় সমস্যা দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীদের বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের বড় সুযোগ থাকে।

প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কেমন রূপ পাবে— এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, যেকোনো সময়ে যখন দুদেশের প্রধান কথা বলেন, দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যা সমাধানের সুযোগ থাকে। সেই সুযোগটা তো আছেই, রয়ে গেছে। ভারতের দিক থেকেও উচিত হবে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে ইতিবাচক কোনও সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সবসময় ইতিবাচক। সম্ভাবনা তো সবসময়ই আছে। কিন্তু এখন বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবেও অনেক কর্মসূচি রয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং সামনে আবার পার্লামেন্ট অধিবেশন বসবে। সাংবিধানিক অনেক কাজও সামনে রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ব্যস্ত আছে, প্রধানমন্ত্রীও ব্যস্ত আছেন। এর মধ্যেই যদি সবকিছু মেলে, অবশ্যই ভারত সফর হবে, জাপান সফর হবে; সব সফরই হবে। দেখা যাক।

প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন, নাকি দ্বিপাক্ষিক সফরে— এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ব্রিকস তো অনেক দেরি। এক মাসে বহুত কিছু হয়ে যেতে পারে।

এ সময় ভারতের মাটিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। শামা ওবায়েদ বলেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি যখন ভারতের মাটিতে বসে নানা কথাবার্তা বলে, তা বাংলাদেশের জনগণ কোনোভাবেই ভালোভাবে নেয় না। বাংলাদেশ আশা করে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখবে।

কালের আলো/এসএকে