খুঁজুন
                               
, ,
           

দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ

রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে থাকেন, ততদিন তার বিরুদ্ধে কোনো লিগ্যাল প্রসিডিউর শুরু করা যাবে না। তবে দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই আগের ও পরের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন বিষয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। সচিবালয়ের তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দায়মুক্তির বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি আছে। বাংলাদেশের একজন মানুষ তার পদে থাকাকালীন সময়ে কোনো লিগ্যাল ইস্যু ফেস করবেন না, রাষ্ট্রপতি যতদিন পদে আছেন।

কিন্তু যখন তিনি পদে নেই, তখন আগে করা কোনো বিষয়ে বা পরে কোনো কিছু থেকে থাকলে সেগুলোর জন্য নিশ্চয়ই তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এটা আমি বর্তমান কোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে বলছি না, এটি যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই সাধারণ নিয়ম।

যেমন প্রধানমন্ত্রী বা যেকোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মামলা করা যায়। কিন্তু রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে আছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো লিগ্যাল প্রসিডিউর শুরু করা যায় না। তবে রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলে তা করা যাবে।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, কোর্ট সরকার নয়। কোর্ট স্বাধীন এবং আইসিটি বা সব কোর্টই স্বাধীনভাবে কাজ করে। জনগণ বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা আদালতে যেতে পারেন। সরকার কখনো কখনো কোনো মামলায় পক্ষ হয়।

তিনি বলেন, আদালতের সামনে সরকার একটি পক্ষ মাত্র। আদালত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। সরকারের বিরুদ্ধে অনেক রিট হয় এবং অসংখ্য রিটে সরকার উচ্চ আদালতে পরাজিত হয়। সরকার কিছু করছে না-এটুকু আমি নিশ্চিত করতে পারি। আদালত স্বাধীনভাবে তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. আলম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান সানকো বাংলাদেশের মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে একটি সমন্বিত টেক্সটাইল উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে কাপড় উৎপাদন, ফ্যাব্রিক প্রসেসিং এবং উচ্চমূল্যের (ভ্যালু অ্যাডেড) টেক্সটাইল পণ্য তৈরির পরিকল্পনা করছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সানকোর প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এ বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। বৈঠকে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সানকোর প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশে তাদের বিদ্যমান ব্যবসায়িক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে তুরস্ক থেকে টেক্সটাইল পণ্য সরবরাহ করা হলেও বাংলাদেশের দক্ষ শ্রমশক্তি, সম্ভাবনাময় বাজার এবং রপ্তানি সক্ষমতার কারণে এখানে উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তারা বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কাপড় উৎপাদন, ফ্যাব্রিক প্রসেসিং এবং উচ্চমূল্যের টেক্সটাইল পণ্য তৈরি করা হবে। এতে দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা আরও বাড়বে।

সানকোর প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশে তাদের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রেতা রয়েছে। স্থানীয় উৎপাদন শুরু হলে নতুন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদেরও বাংলাদেশে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যমান টেক্সটাইল কারখানাগুলো প্রযুক্তি, দক্ষতা এবং বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে।

তারা আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সম্ভাব্য স্থান নির্বাচন এবং অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হবে। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে প্রকল্পটি উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৈঠকে সানকোর পক্ষ থেকে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জ্বালানি সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন দ্রুত নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী কয়লাবিহীন ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিনিধিরা বলেন, আধুনিক এ টেক্সটাইল উৎপাদন কেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে শুধু বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানই বাড়বে না, বরং বাংলাদেশের বস্ত্র খাত উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনের দিকে আরও এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে এবং নতুন বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তুলে ধরে সানকোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, সরকার শিল্পখাতে বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করছে এবং বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ভারত থেকে পুশইন ঠেকাতে অন্যান্য বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন: বিজিবি

কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে পুশইন ঠেকাতে অন্যান্য বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন: বিজিবি

ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের (পুশইন) চেষ্টা ঠেকাতে সাধারণ মানুষ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের (সরাইল) রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়ন বিজিবির আয়োজনে তিন বছরে কুমিল্লা ১০ ও সুলতানপুর ৬০ ব্যাটালিয়নের জব্দ করা মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, সরাইল রিজিয়নের আওতায় ময়মনসিংহ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি। সর্বশেষ কুমিল্লার সালদা নদী সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা চারজনকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, গত তিন বছরে কুমিল্লা ১০ ও সুলতানপুর ৬০ ব্যাটালিয়ন প্রায় ২০ হাজার ২০০টি অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। এ সময় মাদকসহ ৫২৬ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ ছাড়া আড়াই শতাধিক আসামি পলাতক রয়েছেন।

বিজিবি জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়ন এবং ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সুলতানপুর ৬০ ব্যাটালিয়ন ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য জব্দ করে।

জব্দ করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ৩৪ হাজার ২৩৫ বোতল ফেনসিডিল, ৩৪ হাজার ১৭২ বোতল স্কাফ সিরাপ, ১৮ হাজার ৪৯ বোতল বিয়ার, ৮৪ হাজার ৯৫৮ বোতল হুইস্কি, ২৩ হাজার ৯৮১ কেজি গাঁজা, ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৮টি ইয়াবা, ২৪ দশমিক ৫ লিটার খোলা মদ, ১৩ হাজার ৩৩৮টি আইপি ইনজেকশন, ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭২টি সেনেগরা ট্যাবলেট, ২৮ হাজার ৮২০টি টার্গেট ট্যাবলেট, ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪০টি নিমোসলাইড ট্যাবলেট, ৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৫০টি সিপ্রোহেপটাডিন ট্যাবলেট, ৪ লাখ ৪২ হাজার ২১টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২৩৮ বোতল হারবেচ রেড, ১৯ হাজার ২১০টি ডেক্সোন ট্যাবলেট, ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০টি সিনিক-জেড, ২ হাজার ২৮০টি ল্যাব জিনসেনসহ বিপুল পরিমাণ সিগারেট, জর্দা ও বিড়ি।

মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়নের অধীনে ৯৬ দশমিক ১০ কিলোমিটার এবং সুলতানপুর ৬০ ব্যাটালিয়নের অধীনে ৭৯ দশমিক ১০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা থেকে গত তিন বছরে এসব মাদক জব্দ করা হয়েছে। একক অভিযান ও বিভিন্ন টাস্কফোর্সের অভিযানে জব্দ করা মাদক জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হচ্ছে।

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক উদ্ধারে বিজিবি সফলতা দেখাচ্ছে। সব বাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে মাদকের চোরাচালান পুরোপুরি বন্ধ হবে বলে আশা করছি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, মাদক ধ্বংসের এই অনুষ্ঠান প্রতীকী। পুরো রিজিয়নে উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমাণ আরও বেশি। আমরা সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় মাদকের সরবরাহ চেইন ধ্বংস করতে চাই। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসা মাদকের আগ্রাসনে আমাদের যুবসমাজ ধ্বংস হোক, সেটা আমরা চাই না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রকিবুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, সুলতানপুর ৬০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, কুমিল্লা ১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ, র‍্যাব-১১-এর অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ‘ক’ সার্কেলের পরিদর্শক নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৯ হাজার গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
দেশব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৯ হাজার গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশ চলমান বিশেষ অভিযানে গত ১ মে থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৯ হাজার ২৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া, অন্যান্য মামলা ও অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৭২২ জন। বিশেষ অভিযান ও অন্যান্য মামলায় মোট গ্রেপ্তার হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৯ জন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, পুলিশ এ সময়ে ৩২৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২ হাজার ৮০২ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ১০৩টি ম্যাগাজিন, ৪৬টি ককটেল, সোয়া দুই কেজি গান পাউডার, ৬৩৮টি দেশীয় অস্ত্র, ১৮টি অস্ত্রের যন্ত্রাংশ, ১৭টি অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং ১০ হাজার তিনশটি চকলেট বাজি উদ্ধার করেছে।

উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পিস্তল ১০১টি, শুটারগান ৩৫টি, এলজি ৩৮টি, রিভলবার ১৯টি, বন্দুক ৯২টি, পাইপগান ১৫টি, শটগান ৭টি, রাইফেল ৩টি, এসএমজি ২টি, এয়ারগান ১২টি ও পেনগান ১টি।

এছাড়া, পুলিশ ৯১ লাখ ২২ হাজার ৯৯৬ পিস ইয়াবা, ৯ হাজার ৮০ পুরিয়া হেরোইন, ৪ হাজার ৯৫ বোতল ফেনসিডিল, ৮ হাজার ২১১ বোতল বিদেশি মদ, ৪২৩ বোতল দেশি মদ, ৮ হাজার ৫৫২ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক ও মাদক জাতীয় অন্যান্য দ্রব্য উদ্ধার করেছে। এসব মাদক দ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় ১৭ হাজার ৬৬টি মামলা দায়ের ও ২৪ হাজার ৮২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি