খুঁজুন
                               
, ,
           

দীর্ঘমেয়াদি জনকল্যাণ নিশ্চিতে উন্নয়ন প্রকল্প নিতে হবে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
দীর্ঘমেয়াদি জনকল্যাণ নিশ্চিতে উন্নয়ন প্রকল্প নিতে হবে: মির্জা ফখরুল

জনগণের জীবনমানের বাস্তব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জনস্বার্থ, জবাবদিহি, দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দৃশ্যমান অবকাঠামো নির্মাণের চেয়ে মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ নিশ্চিত করে—এমন প্রকল্পই অগ্রাধিকার পাবে।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের চলমান এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা ও প্রয়োজন অনুযায়ী

পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

সভার শুরুতে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন ২০২৫–২৬ ও ২০২৬–২৭ অর্থবছরের এডিপির সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বিন্যাসের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু দৃশ্যমান অবকাঠামো নয়, মানুষের জীবনমানের ওপর প্রকৃত প্রভাবকে বিবেচনায় নিতে হবে। জনপ্রিয়তার জন্য নয়, মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে কার্যকর হবে—এমন প্রকল্পকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। আগামী পাঁচ, ১০ কিংবা ৫০ বছর পর দেশের উন্নয়নের অবস্থান কোথায় দেখতে চাই, সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্প প্রণয়নে আরও সতর্কতা, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি চলমান প্রকল্প সংশোধন, পুনর্বিন্যাস কিংবা সমজাতীয় প্রকল্প একীভূত করে বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় অর্থ জনগণের কষ্টার্জিত সম্পদ। তাই প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ানুবর্তিতা, গুণগত মান, ব্যয়দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও আন্তরিকতা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। এ খাতে টেকসই ও সময়োপযোগী প্রকল্প গ্রহণ এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে।

প্রশিক্ষণ ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিই টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যা আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক হবে। নারী উন্নয়ন ও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি এসব উদ্যোগ আরও ব্যাপকভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী, পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের সদস্য, দুই বিভাগের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিবসহ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং অধীনস্থ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথমবারের মতো হচ্ছে নৌযান শুমারি

সারা দেশের মতো ময়মনসিংহ বিভাগেও প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নৌযান শুমারি-২০২৬। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ বিষয়ক অংশীজন অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

সেমিনারে বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. ফিরোজ ইবনে ইউসুফ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে শুমারির সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান, নৌযান শুমারি-২০২৬-এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সমুদ্রগামী ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানের সংখ্যা, ধরন এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যভাণ্ডার (ডেটাবেজ) তৈরি করা। এই তথ্যভাণ্ডার নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নৌ-দুর্ঘটনা হ্রাস এবং নৌ-শ্রমিকদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) তাঁর বক্তব্যে বলেন, নৌযান শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এই ডেটাবেজের মাধ্যমে সরকার নৌখাতে আরও কার্যকরভাবে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম হবে। এ কার্যক্রমে পুলিশ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার বলেন, নৌযান শুমারি-২০২৬ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই শুমারি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

নৌযান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দ শুমারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক শুমারির প্রচারণায় সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামী লীগ বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কোনো আলোচনা হয়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বা অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও কোনো আলোচনা হয়নি।

এরপর সাংবাদিকরা জানতে চান, আগের সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে।

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার বলতে যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বোঝান, তাহলে সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রয়েছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে তার এবং প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বৈঠক হয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অত্যন্ত চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। সেই সম্পর্ককে আরও কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। গত সপ্তাহে ম্যানিলায় মিস্টার গরের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছিল।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গেও আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। আমাদের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত ইতিবাচক অভিমুখে রয়েছে এবং এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আগামী দিনে আমরা সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চাই।

তিনি জানান, বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অভিবাসনসহ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঢাকা সফরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর। আগামী শুক্রবার তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ দিন শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

এছাড়া সফরকালে তিনি সরকারের আরও কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জনসেবার রেকর্ড থাকলেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
জনসেবার রেকর্ড থাকলেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

আগামী নির্বাচনে যিনি নিজ এলাকায় জনসেবামূলক কাজ করবেন এবং সেই কাজের প্রমাণ দেখাতে পারবেন, তাকেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডিএনসিসির অঞ্চল-১ এর আওতাধীন উত্তরা এলাকায় স্থানীয় সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘শুধু পদ-পদবি থাকলেই কাউন্সিলর হওয়া যায় না। জনগণের কাছে যেতে হবে, তাদের জন্য কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে যিনি এলাকায় জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন এবং তার প্রমাণ দেখাতে পারবেন, তাকেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু পদ-পদবির ভিত্তিতে কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন না। জনগণের আস্থা অর্জন করে তাদের পাশে থেকে কাজ করাই হবে মনোনয়নের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।’

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘জনগণের সরকার হিসেবে বর্তমান সরকার মানুষের সেবায় কাজ করছে। তাই জনগণের সেবা করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। বিভিন্ন এলাকায় এখনও নানা সমস্যা রয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেসব সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। ঢাকার কিছু এলাকায় পানির সংকট তীব্র ছিল। ওয়াসার সহযোগিতায় কয়েকটি স্থানে পানির পাম্প স্থাপন করে এ সংকট অনেকটাই দূর করা সম্ভব হয়েছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘বর্তমানে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে। খাল পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ফলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে। জনগণের সহযোগিতায় খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে ডেঙ্গুমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।’

হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত স্থানে না গিয়ে অনেক হকার আবার ফুটপাতে বসছেন। এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। হকার ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।’

এ সময় তিনি এলাকার রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ, সড়কবাতির উন্নয়ন এবং অন্যান্য নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স কমানোর দাবির বিষয়ে প্রশাসক বলেন, কর নির্ধারণ যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বাসিন্দাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ