খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর‌ছি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর‌ছি

বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানানোর জন্য ভারতের অধীর আগ্রহে অপেক্ষার কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতীয় হাইক‌মিশনার।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমি মনে ক‌রি, এটা প্রধানমন্ত্রীর অগ্রা‌ধিকার। তবে আমাদের পক্ষ থেকে বলতে পারি, আমরা বাংলাদেশ সরকারপ্রধানকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আশা করছি খুব শিগ‌গিরই এই সফরটি বাস্তবায়িত হবে।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ন‌রেন্দ্র মো‌দি।

হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলা‌মের স‌ঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ‌টি পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের প্রথম সাক্ষাৎ।

সাক্ষাৎ শে‌ষে ভারতীয় হাইকমিশনার ব‌লেন, আজকের মিটিংটা অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। ​আমি মনে করি, এই বৈঠকটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। খুব আন্তরিক পরিবেশে আলোচনাটি সম্পন্ন হয়েছে, কারণ আমাদের মূল লক্ষ্য ও বিষয়গুলো একেবারেই অভিন্ন। ঐতিহাসিকভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে, এমনকি খেলাধুলার দিক থেকেও যেমন ক্রিকেট-আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক গভীর। আমরা এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছি।

দীনেশ ত্রিবেদী ব‌লেন, আমি এখান থেকে অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ মনে ফিরে যাচ্ছি। আপনারা জানেন যে, আমরা ভিসা খু‌লে দিয়েছি; যাতে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের মানুষই এর সুফল পেতে পারে।

ভার‌তের স‌ঙ্গে বাংলা‌দে‌শের সম্পর্ক ঐতিহাসিক উ‌ল্লেখ ক‌রে হাইক‌মিশনার ব‌লেন, আমাদের এই সম্পর্ক ঐতিহাসিক। আমরা শুধু সীমান্তই ভাগাভাগি করি না, আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্নও এক।

তি‌নি ব‌লেন, আজকের বৈঠকটি খুব ভালো হয়েছে। আমি এমন একটি সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে আছি, যার মূল ভিত্তিই হলো উভয় দেশের মানুষের পারস্পরিক কল্যাণ। এটি কেবল শুরু, আমরা ভবিষ্যতে একে অপরের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবো।

​তিস্তা-গঙ্গা পা‌নিবন্টন চু‌ক্তি নি‌য়ে করা প্রশ্নের জবা‌বে দীনেশ ত্রিবেদী ব‌লেন, আজকের সাক্ষাৎটি মূলত সৌজন্যমূলক ছিল। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা সমাধান করা সম্ভব নয়। দিনশেষে মূল বিষয়টি হলো সাধারণ মানুষের কল্যাণ। দুই দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের জন্য যা ভালো, সেটাই করা হবে।

হাইক‌মিশনার ব‌লেন, পানি চুক্তির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় পক্ষ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। তারা নিজেদের মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করবে। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপগুলো সক্রিয়ভাবে তাদের কাজ করছে এবং ভারতের সফরে সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আমরা আশাবাদী।

কালের আলো/এসএকে

শ্রীমঙ্গলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ

হবিগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
শ্রীমঙ্গলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে জেলার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা। ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই হবিগঞ্জে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যাখ্যাত এলাকায় তাদের গাড়িবহর ট্রাক দিয়ে আটকে দিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে এনসিপি নেতাদের বহনকারী গাড়িবহর হবিগঞ্জের পথে রওনা হয়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চা-কন্যা এলাকায় একটি ট্রাক সড়কের ওপর আড়াআড়ি করে দিয়ে তাদের গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ।

সেখানে এনসিপি আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য মাহমুদা মিতু রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, এনসিপি নেতাদের বহরে প্রায় ১০টি মাইক্রোবাস রয়েছে। অপরদিকে চা-কন্যা এলাকায় শতাধিক পুলিশ মূল সড়কে অবস্থান নিয়ে আটকে রেখেছেন। এরপর গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এনসিপি নেতারা। তবে ১৪৪ ধারার মধ্যে পুলিশ এনসিপি নেতাদের হবিগঞ্জে যেতে নিষেধ করেছেন। অপরদিকে এনসিপি নেতারা পুলিশের বাধা তুলে নেওয়ার কথা বলছেন।

এনসিপির মিডিয়া উপকমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে এনসিপি নেতৃবৃন্দের গাড়িবহর একটি ব্রিজের ওপর ট্রাক দিয়ে আটকে দিয়েছে পুলিশ। সেখানে অবস্থান করছেন দলের নেতাকর্মীরা।’

এর আগে মঙ্গলবার কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ শহরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপি নেতারা। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনা নিয়ে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে টান টান উত্তেজনার মধ্যে বুধবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

হবিগঞ্জের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় পুলিশ রয়েছেন। তারা সতর্ক রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে এনসিপির নেতাদের বহনকারী গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় আহত হন দলটির কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হামলা থেকে বাঁচতে সোনালী ব্যাংকে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়। রাতে তারা মৌলভীবাজারে অবস্থান করেন। এর মধ্যে বুধবার এনসিপি তাদের পূর্বঘোষিত মৌলভীবাজার জেলায় দুটি ‘জুলাই পদযাত্রা’ সাময়িক স্থগিত করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেয়। অন্যদিকে জেলা ছাত্রদল ও বিএনপির পৃথক কর্মসূচির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শহরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শ্রীমঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের ধাক্কাধাক্কি

মৌলভীবাজার প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
শ্রীমঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের ধাক্কাধাক্কি

১৪৪ ধারা জারির মধ্যে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় সড়ক বন্ধ করে তাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়।

এ সময় গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সাথে কথা বলতে দেখা যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুকে।

একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করতে দেখা যায়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেল ৩টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু প্রমুখ। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে চা কন্যা ভাস্কর্য এলকায় শ্রীমঙ্গল – শায়েস্তাগঞ্জ সড়কে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। এ সময় সড়কের দুপাশে শতশত গাড়ি আটকা পড়ে।

মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার শ্রীমঙ্গল সার্কেল মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান রাজু বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে সাবেক ডিআইজি ফারুক আহমদের বরখাস্তাদেশ বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে সাবেক ডিআইজি ফারুক আহমদের বরখাস্তাদেশ বাতিল

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের সাবেক ডিআইজি ফারুক আহমদের চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে তার বরখাস্তকালকে চাকরিকাল হিসেবে গণ্য করা এবং বিধি অনুযায়ী পেনশনসহ সব ধরনের আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ফারুক আহমদ, সাবেক ডিআইজি (এনডিসি), পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা সংযুক্ত (বর্তমানে চাকরি থেকে বরখাস্তকৃত) কর্তৃক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-২, ঢাকায় দায়ের করা এটিএ-৪৯/২০১৩ (পুরাতন), ২০/২০১৮ (নতুন) মামলায় গত ৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দেওয়া রায় ও আদেশের আলোকে তার বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ২ আগস্ট জারি করা ‘চাকরি হতে বরখাস্ত (Dismissal from Service)’ দণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ফারুক আহমদের বরখাস্তকালকে কর্তব্যকাল হিসেবে গণ্য করা হবে।

ফলে তিনি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী পেনশনসহ সব ধরনের আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ