খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ৭৮০ কেজি আনারস পাঠিয়েছেন। বুধবার দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৬২০টি আনারস বাংলাদেশে পৌঁছায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১০০টি বক্সে করে পাঠানো এসব আনারস ত্রিপুরার বিখ্যাত কিউ জাতের। প্রতিটি বক্সে ৫ থেকে ৬টি করে আনারস রয়েছে। প্রতিটি আনারসের গড় ওজন ১ কেজির বেশি।

আনারস গ্রহণের সময় আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কনসুলার কর্মকর্তা পঙ্কজ জ্যোতি দাস, কর্মকর্তা সজীব চক্রবর্তী, আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ মো. আলাউদ্দিন এবং আখাউড়া কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন।

এ সময় ত্রিপুরা সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, পরিচালক ড. ফনি ভূষণ জমাতিয়া, উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপদেষ্টা ড. রাজিব ঘোষ এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর কর্মকর্তারা। পরে উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আনারসের বক্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করেন।

ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায় বলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সেই বন্ধুত্ব ও মৈত্রীর সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা থেকেই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য কিউ জাতের আনারস পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বন্ধ কারখানা নিয়ে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বন্ধ কারখানা নিয়ে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালুর প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব কারখানা চালু করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান তার উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

উপ প্রেস সচিব জানান,  বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে কার্যক্রমে গতি আনা এবং এসব শিল্পকারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়াও বৈঠকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যায় ইরানের তেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যায় ইরানের তেল

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং কঠোর নৌ-অবরোধ উপেক্ষা করেই মালয়েশিয়ার উপকূলীয় জলসীমা ব্যবহার করে চীনের কাছে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বিক্রি অব্যাহত রেখেছে ইরান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার (২৫ জুলাই) ইরানের তেলবাহী জাহাজ ‘হিউম্যানিটি’ মালাক্কা প্রণালি ও সিঙ্গাপুর হয়ে মালয়েশিয়ার উপকূলের দিকে এগোচ্ছিল। হঠাৎ করেই জাহাজটির স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা— এআইএস বন্ধ করে দেওয়া হয়।

স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য বলছে, ৩৩০ মিটার (১,০৮৩ ফুট) লম্বা এই অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজটি এখন মালয়েশিয়ার ‘ইস্টার্ন আউটার পোর্ট লিমিটস’ (ইওপিএল) এলাকায় পৌঁছেছে। প্রায় ১২০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই এলাকা দক্ষিণ চীন সাগরে উপকূল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাহাজটি সম্ভবত অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তরের প্রস্তুতি নিতেই ট্র্যাকিংয়ের বাইরে চলে গেছে। ইউএস-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই তেলের চূড়ান্ত গন্তব্য চীন। ঐতিহাসিকভাবেই ইরানের অপরিশোধিত তেল রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশই চীন কিনে থাকে।

বিশ্লেষকদের মতে, দশকের পর দশক ধরে ইওপিএল এলাকাটি ইরান, রাশিয়া ও ভেনিজুয়েলার নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলের এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক বাজার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের পাঁচ মাসব্যাপী সংঘাত এবং ১৩ এপ্রিল থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত চলা ও ১৪ জুলাই পুনরায় শুরু হওয়া ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধের পরও এই কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মেরিটাইম সিকিউরিটি মনিটরিং প্রজেক্ট সিলাইটের পরিচালক রে পাওয়েল আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, এ বছরের শুরু থেকে তিনি এমন ৬২টি জাহাজ পর্যবেক্ষণ করেছেন, যেগুলো উপসাগরীয় অঞ্চল, ইওপিএল, হংকং ও উত্তর চীনের মধ্যে চলাচলের সময় ভুয়া বা বাতিল পরিচয় ব্যবহার করেছে।

কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসির জ্যেষ্ঠ গবেষক এরিকা ডাউন্সের মতে, এই জাহাজগুলো মূলত মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি নেটওয়ার্কের অংশ। তারা চীনের স্বাধীন ছোট শোধনাগার বা ‘টিপট’গুলোতে ইরানি তেল পৌঁছে দিতে সহায়তা করে।

তিনি জানান, ইরান থেকে চীনে যাওয়া অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক জলসীমায় এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে স্থানান্তর করা হয়। উৎস গোপন রাখতে চীনে পৌঁছানোর আগে এই প্রক্রিয়া একাধিকবার হতে পারে।

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, চীন সাধারণত সিএনপিসি, সিনোপেক এবং সিএনওওসি-এর মতো তাদের বড় রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির বদলে ছোট ও স্বাধীন ‘টিপট’ শোধনাগারগুলোর মাধ্যমে এই তেল কেনে। এই ছোট শোধনাগারগুলো মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার সাথে সরাসরি যুক্ত না থাকায় তারা নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে কম দামে ইরানি তেল সংগ্রহ করে।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং ইয়োকোসুকা কাউন্সিল অন এশিয়া-প্যাসিফিক স্টাডিজের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কর্মসূচির পরিচালক চার্লি ব্রাউন বলেন, মালয়েশিয়ার ইওপিএল সংলগ্ন নোঙর এলাকা আগের মতোই ব্যস্ত। যুদ্ধের আগে এবং সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়েই সেখানে জাহাজ নোঙর করা ও জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মতো কার্যক্রম চলতে দেখা গেছে।

তার মতে, মোটামুটি হংকংয়ের সমান আয়তনের হওয়ায়, ইওপিএল-এর একটি সুবিধা হলো এর শান্ত পরিবেশ, যা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার সরবরাহকারীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট কাছাকাছি এবং ঐতিহাসিকভাবে একটি ধূসর আইনি পরিসরে পরিণত করার জন্য যথেষ্ট দূরে।

এই ইওপিএল মালয়েশিয়ার আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে হলেও এটি তাদের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের আওতাভুক্ত। তবে এখানে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার চেয়ে মাছ ধরা ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের বিষয়গুলোই বেশি প্রাধান্য পায়। মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি আগেই জানিয়েছিল, দুর্গম অবস্থান ও অধিক্ষেত্রগত সীমাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় টহল দেওয়া কঠিন।

কুয়ালালামপুর অবশ্য তাদের আইন শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। অবৈধ নোঙর, বাঙ্কারিং এবং সরকারি অনুমোদন ছাড়া ইইজেডে জাহাজ থেকে জাহাজে পণ্য স্থানান্তর ঠেকাতে গত জুনে মালয়েশিয়া তাদের ইইজেড আইন সংশোধন করেছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

চার্লি ব্রাউনের মতে, যেকোনো সাধারণ দিনেই ওই এলাকায় প্রায় ২০০টি জাহাজ নোঙর করা থাকতে পারে। এর অর্ধেকই সম্ভবত ইরানের সঙ্গে যুক্ত।

আলজাজিরার পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট তথ্যে দেখা গেছে, গত এক মাসে হিউম্যানিটিসহ ইরানের পতাকাবাহী ১৮টি তেলের ট্যাংকার ইওপিএল-এ পৌঁছানোর পর ট্র্যাকিংয়ের বাইরে চলে গেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আরেকটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ডোরকে মালাক্কা প্রণালি দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যেতে দেখা গেছে।

এছাড়াও একইদিন ইওপিএল-এ অন্তত ৫০টি মার্কিন বা ইইউ-নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ তাদের এআইএস সিগন্যাল চালু রেখে অবস্থান করছিল। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, সেখানে আরও অনেক জাহাজ রয়েছে।

ইউরোপভিত্তিক সংস্থা জিওপলিটিক্যাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসেসের মতে, ইওপিএল-এ স্থানান্তরিত ইরানি তেলের কেনাবেচা চীনের ক্রস-বর্ডার ইন্টারব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেম বা সিআইপিএসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এর ফলে মার্কিন নজরদারিতে থাকা সুইফট নেটওয়ার্কের বাইরে গিয়ে চীনা মুদ্রা রেনমিনবিতে অর্থ পরিশোধ করা যায়।

প্রসঙ্গত, চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের তেল কেনার কথা স্বীকার করে না। ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইওপিএল-এর মাধ্যমে চীনে ইরানের তেল পরিবহনের বিষয়টি তাদের অজানা।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অতীতে বারবার বলেছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ‘অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা’ এবং আন্তর্জাতিক আইনে ভিত্তিহীন ‘দূরবর্তী এখতিয়ার’ প্রয়োগের বিরোধিতা করে।

গবেষক এরিকা ডাউন্স বলেন, গত বছর ইরান চীনে প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল তেল রফতানি করলেও চীনের কাস্টমসের তথ্যে এই তেল আমদানির কোনো হিসাব নেই। একই সময়ে মালয়েশিয়া থেকে চীনের আমদানি মাঝেমধ্যেই মালয়েশিয়ার নিজস্ব তেল উৎপাদনের পরিমাণকে ছাড়িয়ে যায়। এ থেকে বোঝা যায়, ওই তেলের একটি অংশ অন্য উৎস থেকে এসেছে।

অন্যদিকে বেইজিং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে নিজস্ব শোধনাগারগুলোকে রক্ষা করতেও পদক্ষেপ নিয়েছে। এপ্রিলের শেষ দিকে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরানি তেল কেনার দায়ে পাঁচটি টিপট শোধনাগারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই নির্দেশ ব্লক করে দেয়। তাদের দাবি, এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

চলতি সপ্তাহেও আরও ছয়টি তেলের ট্যাংকার ও হংকং-চীনভিত্তিক পাঁচটি কোম্পানির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। তাদের দাবি, এগুলো ইরানের শ্যাডো ফ্লিটের সঙ্গে যুক্ত এবং চীনে তেল পরিবহন করেছে। এ বিষয়ে বেইজিং এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের মতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চীনা শোধনাগারগুলোর ইরানি তেল কেনার পরিমাণ প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইওপিএল-এর মতো নেটওয়ার্কগুলো বাকি তেলের বিক্রি সচল রেখেছে।

চার্লি ব্রাউন বলেন, মার্কিন কঠোরতার কারণে সরবরাহ কিছুটা কমলেও এই ছায়া নেটওয়ার্কের কারণে ইরানের তেল বাণিজ্যকে পুরোপুরি স্তব্ধ করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র: আলজাজিরা

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তর পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তর পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার

ময়মনসিংহের নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার গেজেটভুক্ত সদর দপ্তরের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র কান্দিপাড়া সংলগ্ন জে এল-১৪৩ নম্বর নয়াবাড়ি মৌজা পরিদর্শন শেষে তিনি জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত উপজেলা স্থাপনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমির সালমান রনিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ সময় দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ৮টি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পরিদর্শনস্থলে উপস্থিত হয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা গেজেটভুক্ত সদর দপ্তর নয়াবাড়ি মৌজাতেই দ্রুত উপজেলা ভবন নির্মাণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানান।

পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের গেজেট, স্থানীয় বাস্তবতা এবং জনগণের প্রত্যাশার আলোকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে উপস্থিত জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ইসহাক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ. কে. এম. আনছারউদ্দিন, সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিএনপি নেতা আব্দুস ছালাম বেপারীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয়দের মতে, গেজেটভুক্ত সদর দপ্তর হিসেবে নয়াবাড়ি মৌজায় উপজেলা কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের ৮টি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।

কালের আলো/এম/এএইচ