খুঁজুন
                               
, ,
           

এআই বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে: ইসমাইল জবিউল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
এআই বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে: ইসমাইল জবিউল্লাহ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও দ্রুত হবে এবং নাগরিক সেবা সহজ ও উন্নত করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ডিজিটাল সরকার ও অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ (ইডিজিই) প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রযুক্তি। এর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং নাগরিক সেবার মান আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার দেখানো নয়, প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনকে আরও সহজ করাই সরকারের লক্ষ্য। এমন একটি স্মার্ট সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে নাগরিকরা দ্রুত ও সহজে সেবা পাবেন, সিদ্ধান্ত হবে তথ্যভিত্তিক এবং প্রশাসন হবে আরও কার্যকর, দক্ষ ও জনবান্ধব।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আরও বলেন, কৃষি, শিল্প ও ডিজিটাল বিপ্লবের পর বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন প্রযুক্তিকে গ্রহণ করতে হবে। এআই মানুষের বিকল্প নয়; বরং মানুষের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ানোর একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

তিনি জানান, এআইয়ের ব্যবহারে নিয়মিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের চাপ কমবে। ফলে কর্মকর্তারা আরও গুরুত্বপূর্ণ ও সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি নাগরিকরা দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পাবেন।

তবে প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ কারণে কর্মকর্তাদের এআই, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও তথ্য বিশ্লেষণে দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। মানুষের দক্ষতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতাকে সমন্বয় করে ‘হিউম্যান-এআই’ সহযোগিতা বাড়ানো ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও কাজ করছে। খুব শিগগিরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং ন্যায়সংগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে কার্যকর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এনসিপির অভিযোগ, ২০ আগস্ট গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদে বিএনপি ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক মত, সামাজিক শক্তি এবং দলীয় পরিচয়ের বাইরে থাকা মানুষের প্রতিনিধিত্ব কার্যত অনুপস্থিত।

দলটির মতে, এ ধরনের একতরফা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জেলা পরিষদগুলোর নিরপেক্ষতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ও জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এসব পরিষদ পরিচালনা করা উচিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও বলেছে, পার্বত্য জেলা পরিষদ কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান। তাই দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে স্থানীয় বাস্তবতা ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বিবৃতিতে পার্বত্য জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত নির্বাচন না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। দলটি বলছে, ১৯৮৯ সালে পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন প্রণয়নের পর ওই বছর একবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে সরকার মনোনীত বা অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে।

‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান’-পরবর্তী বাংলাদেশে অনির্বাচিত ও দলীয়ভাবে প্রভাবিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান আর দেখতে চায় না এনসিপি। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ সাময়িক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হতে পারে, তবে এটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বের বিকল্প নয়।

এনসিপি খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সরাসরি, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

একই সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আগামী অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার এই সিরিজ।

সিরিজে দুই দল খেলবে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে এখনো ওয়ানডে সিরিজের নির্দিষ্ট সূচি চূড়ান্ত হয়নি। আফগানিস্তান এই সিরিজের আয়োজক হওয়ায় সীমিত ওভারের ম্যাচগুলোর তারিখ ও ভেন্যু তারাই চূড়ান্ত করবে বলে জানিয়েছেন শাহরিয়ার নাফীস।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের জন্য অপরিচিত কোনো ভেন্যু নয়। গত বছরও দেশটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ।

সেবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা। তবে ওয়ানডে সিরিজে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে আফগানিস্তান।

এবার অবশ্য দুই দলের লড়াই হবে আরও বিস্তৃত পরিসরে। ওয়ানডের পাশাপাশি টেস্টেও মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনে দুই দলের জন্যই সিরিজটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতে চাইবে বাংলাদেশ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হওয়ার পরই ব্যস্ত সূচিতে ঢুকে পড়বে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের সামনে থাকবে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির পূর্ণাঙ্গ সিরিজ।

ফলে পরপর গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সিরিজ সামনে থাকায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ভালো পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ও ভারতের সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও সময়সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সময়ে ভারতের আফগানিস্তান সফরের সূচি থাকায় বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের সময় নিয়েও নতুন করে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। ফলে ভারত সিরিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চললেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের অক্টোবরের সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় টাইগারদের আন্তর্জাতিক সূচি অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে।

আফগানিস্তান সিরিজ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের ব্যস্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মৌসুম। একের পর এক টেস্ট ও সীমিত ওভারের সিরিজ থাকায় খেলোয়াড়দের ফিটনেস, স্কোয়াড ব্যবস্থাপনা এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হবে দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বিশেষ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে জয় দিয়ে সেই পথ আরও শক্ত করতে চাইবে টাইগাররা।

গতবার ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও পাবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি টেস্টে প্রথমবারের মতো দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে আসছে।

সব মিলিয়ে ভারত সিরিজের অনিশ্চয়তার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় বাংলাদেশের সামনে এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সময়। অক্টোবরের এই সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটেই ভালো ফল করে পরবর্তী কঠিন সিরিজগুলোর আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাইবে বাংলাদেশ।

সূত্র: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

কালের আলো/এসএ

বিদিশা সিদ্দিককে আদালতে পাঠানো হয়েছে

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
বিদিশা সিদ্দিককে আদালতে পাঠানো হয়েছে

প্রতারণা মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিদিশা সিদ্দিককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর গুলশান থানা থেকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশানের এরাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ২০০৮ সালের একটি প্রতারণা মামলায় আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালে গুলশান থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি বছরের ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে বুধবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি