খুঁজুন
                               
, ,
           

‘নগদ’ বিক্রির বিষয়ে যা জানালেন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
‘নগদ’ বিক্রির বিষয়ে যা জানালেন মন্ত্রী

‘নগদ’ বিক্রি নিয়ে যেসব খবর ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেছেন, ডাক বিভাগকে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ‘নগদ’ বিক্রি নিয়ে যেসব গুজব বা রিউমার ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। বাজার প্রতিযোগিতার জন্য এই ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানটির সরকারি ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের উদ্বোধন এবং নগদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংগৃহীত রাজস্ব হতে মুনাফার অংশ হিসেবে ১৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ডাক অধিদপ্তরের কাছে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, পোস্ট অফিস ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থা নতুন কোনো ধারণা নয়। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বহু বছর ধরে এটি সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও এ উদ্যোগের মাধ্যমে ডাকসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। জনগণ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের সুবিধা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে, যাতে আরও উদ্যোক্তা এ কার্যক্রমে যুক্ত হন।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব পোস্ট অফিসকে ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে একদিকে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়বে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে। তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি উদ্যোক্তাদের শুভকামনা জানিয়ে আশ্বস্ত করেন, কার্যক্রম চালাতে কোনো সমস্যা হলে ডাক বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

নগদের রাজস্বের চেক গ্রহণ শেষে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। নগদের মুনাফা অর্জন সেই সফলতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, উন্নত নাগরিকসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি অপরিহার্য। ডাক বিভাগের সঙ্গে নগদের অংশীদারিত্বের ফলে জনগণের আস্থা, সরকারের রাজস্ব এবং ডাক বিভাগের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে ঢাকার অভ্যন্তরে ৪টি এবং ঢাকার বাইরে ৪টি ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস চালু করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে দেশের সব অঞ্চলে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামী লীগ বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কোনো আলোচনা হয়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বা অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও কোনো আলোচনা হয়নি।

এরপর সাংবাদিকরা জানতে চান, আগের সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে।

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার বলতে যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বোঝান, তাহলে সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রয়েছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে তার এবং প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বৈঠক হয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অত্যন্ত চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। সেই সম্পর্ককে আরও কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। গত সপ্তাহে ম্যানিলায় মিস্টার গরের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছিল।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গেও আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। আমাদের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত ইতিবাচক অভিমুখে রয়েছে এবং এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আগামী দিনে আমরা সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চাই।

তিনি জানান, বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অভিবাসনসহ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঢাকা সফরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর। আগামী শুক্রবার তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ দিন শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

এছাড়া সফরকালে তিনি সরকারের আরও কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জনসেবার রেকর্ড থাকলেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
জনসেবার রেকর্ড থাকলেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

আগামী নির্বাচনে যিনি নিজ এলাকায় জনসেবামূলক কাজ করবেন এবং সেই কাজের প্রমাণ দেখাতে পারবেন, তাকেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডিএনসিসির অঞ্চল-১ এর আওতাধীন উত্তরা এলাকায় স্থানীয় সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘শুধু পদ-পদবি থাকলেই কাউন্সিলর হওয়া যায় না। জনগণের কাছে যেতে হবে, তাদের জন্য কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে যিনি এলাকায় জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন এবং তার প্রমাণ দেখাতে পারবেন, তাকেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু পদ-পদবির ভিত্তিতে কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন না। জনগণের আস্থা অর্জন করে তাদের পাশে থেকে কাজ করাই হবে মনোনয়নের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।’

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘জনগণের সরকার হিসেবে বর্তমান সরকার মানুষের সেবায় কাজ করছে। তাই জনগণের সেবা করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। বিভিন্ন এলাকায় এখনও নানা সমস্যা রয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেসব সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। ঢাকার কিছু এলাকায় পানির সংকট তীব্র ছিল। ওয়াসার সহযোগিতায় কয়েকটি স্থানে পানির পাম্প স্থাপন করে এ সংকট অনেকটাই দূর করা সম্ভব হয়েছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘বর্তমানে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে। খাল পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ফলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে। জনগণের সহযোগিতায় খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে ডেঙ্গুমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।’

হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত স্থানে না গিয়ে অনেক হকার আবার ফুটপাতে বসছেন। এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। হকার ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।’

এ সময় তিনি এলাকার রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ, সড়কবাতির উন্নয়ন এবং অন্যান্য নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স কমানোর দাবির বিষয়ে প্রশাসক বলেন, কর নির্ধারণ যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বাসিন্দাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দীর্ঘ ৩২ বছর আগে ক্রয়কৃত সাড়ে ৬ শতক জমি আদালতের মাধ্যমে ফিরে পেলেন প্রকৃত মালিক

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ ৩২ বছর আগে ক্রয়কৃত সাড়ে ৬ শতক জমি আদালতের মাধ্যমে ফিরে পেলেন প্রকৃত মালিক

দীর্ঘ ৩২ বছর আগে ক্রয়কৃত জমি ৭ বছরের আইনি লড়াই ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিজেদের সাড়ে ৬ শতক ক্রয়কৃত জমি ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক আবু বক্কর সিদ্দিক।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ঢাকঢোল পিটিয়ে ও লাল নিশানা গেড়ে আদালতের প্রতিনিধিদল আবু বক্কর সিদ্দিকের হাতে জমির দখল বুঝিয়ে দেন।

স্থানীয় সূত্র ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানাধীন সানকিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল জলিল ফকিরের ছেলে বাদী আবু বক্কর সিদ্দিকের সাথে সানকিপাড়া ক্যান্টনমেন্ট বাইলেন (এমপি চেকপোস্টের পিছনে) এলাকার বিবাদী আব্দুল হালিম, শফিকুল ইসলাম, সেলিম, শাহীনসহ অন্য বিবাদীদের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল।এই বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ মুক্তাগাছা সিভিল জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হলে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আবু বক্কর সিদ্দিককে উক্ত জমির বৈধ ও প্রকৃত মালিক হিসেবে ঘোষণা করেন। আদালতের উচ্ছেদ ও দখল হস্তান্তরের নির্দেশ অনুযায়ী বিকেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জমি মেপে লাল নিশানা টাঙিয়ে দেওয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এস.এ খতিয়ান ৩৪১, বি.আর.এস খতিয়ান ৪১৩, এস.এ দাগ নং ২১৬৪, ২১৬৫ এবং বি.আর.এস দাগ ৪১৯-এর অন্তর্ভুক্ত ‘পুকুর’ শ্রেণির সাড়ে ৬ শতাংশ জমি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

জমি হস্তান্তরের সময় ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্টের নাজির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, জজ কোর্টের সার্ভেয়ার ওয়াসিম এবং ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।

জমির দখল ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, “দীর্ঘ ৩২ বছর পর আদালতের নির্দেশে, প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহায়তায় আমি আমার জমি ফিরে পেয়েছি। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্টের নাজির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশে আমরা ঘটনাস্থলে এসে জমির পরিমাপ শেষে ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রকৃত মালিককে জমি বুঝিয়ে দিয়েছি। দেশে যে আইনের শাসন আছে এবং সঠিক বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়, এ রায় তার একটি বড় প্রমাণ।

কালের আলো/এম/এএইচ