খুঁজুন
                               
, ,
           

ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানালেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানালেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা এবং জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তারা বলেছেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। কেননা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো ভ্যাকসিন নেই, সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর ওষুধও নেই। তবে মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশে আছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

দেশব্যাপী ডেঙ্গু ইস্যুতে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ। এর জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি। কারণ এডিস মশার উৎপত্তিস্থল হলো আমাদের বাড়ির ভেতর, বাইর, ছাদ এবং বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা পানি। তাই আমাদের উচিত বাড়ির আঙিনা সব সময় পরিষ্কার রাখা। বাড়ির আনাচে-কানাচে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় পাত্রসমূহ ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া।

তারা বলেন, ব্যবহারযোগ্য পাত্র, যেমন- ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেটরের নিচের পানি ভর্তি পাত্রে যেন কোনোভাবেই একনাগাড়ে পাঁচদিনের বেশি পানি জমে না থাকে। মূলত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য সকল নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্ত জরুরি।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৬ জন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১৭ হাজার ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই কেবল হাসপাতালে নয়, শুরু হতে হবে মানুষের বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মস্থল এবং স্থানীয় জনসমাজ থেকে। রোগীকে দ্রুত শনাক্ত করা, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া, দরিদ্র রোগীদের সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, বৃষ্টিকে যদি আমরা ডেঙ্গুর জন্য শুধু প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখি, তাহলে সংকট আরও গভীর হবে। কিন্তু বৃষ্টির পর যদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা যায়, তাহলে ডেঙ্গুর এই বার্ষিক দুর্ভোগ থেকে দেশকে ধীরে ধীরে মুক্ত করা সম্ভব।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশে আছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সকল মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০২ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। এ সময় মাথায় পানি দেওয়া ও শরীর মুছে দেওয়ার মাধ্যমে জ্বর কমাতে হবে। এছাড়া ছয় থেকে আট ঘণ্টা পরপর জ্বরের তীব্রতা বুঝে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরের মূল চিকিৎসা হলো শরীরে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাপনা। পানির পাশাপাশি ফলের রস, স্যুপ, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি, শরবত প্রভৃতি তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূলমন্ত্রই হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা। এডিস মশা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সেইসঙ্গে বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

মিরপুর ও ফার্মগেটে মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, চরম আতস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
মিরপুর ও ফার্মগেটে মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, চরম আতস্ক

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার খবরকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশেষ অপরাধ দমন বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুল হক বলেন, একসঙ্গে দুটি স্থানে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর একটি মিরপুরে এবং অন্যটি তেজগাঁও এলাকার ফার্মগেটে। ঘটনাস্থলে বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে।

অন্যদিকে, মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে জানান, কিছুক্ষণ আগে তারা বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুগুলো পরীক্ষা করছে।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না, বস্তুটি সত্যিই বিস্ফোরক কি না।

ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

কালের আলো/এসএকে

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৩১, মামলা ২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৩১, মামলা ২৩

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে দায়ের করা হয়েছে ২৩টি মামলা।

শনিবার (১ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৩ জন, লালবাগ বিভাগে ২১ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৮ জন, মতিঝিল বিভাগে ৩৪ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৪৮ জন, মিরপুর বিভাগে ১৩৫ জন, গুলশান বিভাগে ৫১ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৩ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) থেকে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ৮২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ২৫৬ পিস ইয়াবা, ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল, ৪৯৪ দশমিক ১২ গ্রাম স্বর্ণালংকার, একটি মোটরসাইকেল, একটি পিকআপ, একটি বাস ও পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া, একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নিয়াজ মেহেদী জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে এবং দেশটি এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। তিনি বলেন, এ বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য বিদ্যমান ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে, যা মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।

আজ (শনিবার) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয় থেকে জানানো হয়েছে, বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে। এর ইঙ্গিত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য বিদ্যমান ট্রাভেল এডভাইসারীর ইতিবাচক সংশোধন করেছে।

তিনি বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত। এ ছাড়া, আগামী মাসে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসনের (এফডিএ) সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। গোর আশ্বাস দেন যে বাংলাদেশে এফডিএর পরীক্ষাকার্য পুনরায় শুরু করার বিষয়ে তিনি সহায়তা করবেন।

এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশনের (ডিএফসি) মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বিশেষ দূত জানান, বাংলাদেশে ডিএফসির বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচকভাবে কাজ করবে। ঢাকায় মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শিগগিরই একটি ইউএস ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজন করতে আগ্রহী। তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে নিজে কাজ করছেন বলেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গম এবং অন্যান্য কৃষি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশের বিশেষ আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন। বিশেষ দূত বলেন, এ খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এ বিষয়ে তিনি উদ্যোগ নেবেন বলে জানান।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ দূত কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার আগের দিনের সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার অর্ধেকের বেশি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে আসে। এ জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। তিনি এ লক্ষ্যে আসিয়ান ও প্রতিবেশী দেশগুলোসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

কালের আলো/এসএকে