খুঁজুন
                               
, ,
           

বিরোধী দল শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
বিরোধী দল শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

জাতীয় প্রেস ক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ছবি: জিএম মুজিবুর

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান বিরোধী দলের বক্তব্য ও রাজনৈতিক ভাষায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে বিরোধী দলের সমালোচনা সংসদের ভেতরেই হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার সেই পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে এবং সেই প্রক্রিয়ায় জুলাই সনদ প্রণয়ন সম্ভব হয়েছে।

জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির অবস্থান সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কখনোই সংস্কারবিরোধী নয়।

বরং দলটি সবসময় প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি, জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করেনি।

তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অনাগ্রহী– এ ধরনের প্রচারণা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, গণভোটে উত্থাপিত চারটি বিষয়ের মধ্যে তিনটিতে বিএনপির সম্মতি ছিল। তবে সংবিধান সংস্কার কমিশনের কিছু বিষয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সে কারণেই ওই অংশে দলটির আপত্তি রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জুলাই ঘোষণার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে সংস্কার নাকি সংশোধন– এ ধরনের শব্দগত বিতর্ক অপ্রয়োজনীয় বিভাজন তৈরি করছে।

বিরোধী দলের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু সেটি সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। সেখানে আলোচনা শেষে একমত না হলে বিরোধিতা করা যেতে পারে। কিন্তু এখন যেভাবে বিরোধী দলের নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভাষার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব সরকারের সমালোচনা করা এবং ভুল-ত্রুটি তুলে ধরা। তবে সেই সমালোচনা গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। রাস্তায় আন্দোলন গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও সেটি যেন কোনোভাবেই সংঘাতের দিকে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল থাকতে হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়ত জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন। এ অবস্থায় সরকারকে সহযোগিতা করার পরিবর্তে শুধু নেতিবাচক প্রচারণা চালালে দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে। দেশের স্বার্থে সংঘাত নয়, সহনশীলতা ও ঐক্যের সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করছে না। পাশাপাশি বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

সরকারের মেয়াদ মাত্র পাঁচ মাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, এত অল্প সময়ে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় ও সহযোগিতা দিলে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন সহজ হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবার ও সন্তানদের রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখভালের বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দেবে।

আলোচনা সভায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক ও সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেছে এ নিয়ে কাজ করা কমিটি। একই সঙ্গে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে সরকার ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতার বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া গেছে। ওই সংঘাতে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে জে-১০ ব্যবহারের তথ্য এখন প্রতিষ্ঠিত বলেও দাবি করেন তিনি।

তথ্য উপদেষ্টার ভাষ্য, জে-১০ একটি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান। অন্যদিকে রাফালকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাফালের বিরুদ্ধে জে-১০ ভালো পারফর্ম করায় বাংলাদেশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ বিষয়ে সরকার ভালোভাবেই এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনের তৈরি যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম। প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তথ্য উপদেষ্টা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ২০২৪ সালের ঘটনাকে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে দেখার বিষয়ে সরকারের অবস্থানও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সরকার ২০২৪ সালের ঘটনাকে ১৯৭১ সালের সঙ্গে তুলনা করে না। তবে ৫ আগস্টের পর দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে নিজস্ব স্বার্থে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করে সরকার।

তাঁর ভাষ্য, ৫ আগস্টের আগে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো আলোচনা করা সম্ভব হতো না। এই অর্থে ২০২৪ সালের ঘটনাকে সরকার স্বাধীনভাবে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধানরা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান তিন বাহিনীর প্রধানরা। তাঁরা স্ব স্ব বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। একইসঙ্গে দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতির দিক-নির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক ও চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।’

এসময় রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনকালে বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

এরআগে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছিলেন।

পরে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না: আন্দালিভ রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না: আন্দালিভ রহমান

গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র শুধু একটি ব্যবস্থার বিষয় নয়, এটি একটি মানসিকতারও বিষয়। নিজের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ ও সমালোচনা গ্রহণ করার মানসিকতা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সবার থাকা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

আন্দালিভ রহমান বলেন, গত ১৭ বছরে সমালোচনা গ্রহণ করার সেই মানসিকতা দেখা যায়নি। তবে বর্তমান সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। গত ছয় মাসে সরকার বা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে নির্দিষ্ট কোনো ধরনের সংবাদ প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বিষয়টি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কাউকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে না এবং কারও মুখ বন্ধ করে দেওয়া হবে না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। সরকার ও গণমাধ্যম পরস্পরের প্রতিপক্ষ নয়। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের সমালোচনা অবশ্যই করা হবে এবং এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক অংশ। তবে দেশের বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সরকারি টেলিভিশনে বিরোধী দলের খবর প্রচার এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি