খুঁজুন
                               
, ,
           

৭০ বছরে ‘মুখ ও মুখোশ’: যে চলচ্চিত্রের হাত ধরে শুরু হয়েছিল ঢাকাই সিনেমার যাত্রা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
৭০ বছরে ‘মুখ ও মুখোশ’: যে চলচ্চিত্রের হাত ধরে শুরু হয়েছিল ঢাকাই সিনেমার যাত্রা

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল এক মাইলফলক ‘মুখ ও মুখোশ’। ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি ছিল দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক বাংলা চলচ্চিত্র। ছবিটির মুক্তির মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় ঢাকাই চলচ্চিত্র শিল্পের। সোমবার (৩ আগস্ট) ঐতিহাসিক এই চলচ্চিত্রের মুক্তির ৭০ বছর পূর্ণ হলো।

১৯৫৬ সালের এই দিনে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রূপমহল সিনেমা হলে ‘মুখ ও মুখোশ’-এর প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

‘মুখ ও মুখোশ’ নির্মাণের পেছনে ছিল সাহস, সংকল্প ও আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য গল্প। ১৯৫৩ সালে পূর্ব পাকিস্তানে চলচ্চিত্র নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় দাবি করা হয়েছিল, এ অঞ্চলের আর্দ্র আবহাওয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব নয়। সেই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল জব্বার খান নিজেই একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন। নিজের লেখা ‘ডাকাত’ নাটক অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেন ‘মুখ ও মুখোশ’।

চলচ্চিত্র নির্মাণে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও কলকাতা থেকে একটি পুরোনো ক্যামেরা ও সাধারণ টেপরেকর্ডার সংগ্রহ করে কাজ শুরু করেন আবদুল জব্বার খান। নারী শিল্পীর অভাব মেটাতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে অভিনেত্রী খুঁজে নেওয়া হয়। চলচ্চিত্রটিতে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন পূর্ণিমা সেনগুপ্ত এবং নায়ক আফজলের ভূমিকায় অভিনয় করেন পরিচালক নিজেই।

বুড়িগঙ্গার কালীগঞ্জ, লালমাটিয়া, তেজগাঁও এবং টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে সম্পন্ন হয় ছবিটির শুটিং। সংগীত পরিচালনা করেন সমর দাস। ছবির গানগুলোতে কণ্ঠ দেন মাহবুবা হাসনাত ও কিংবদন্তি শিল্পী আবদুল আলীম।

শুরুর দিকে ঢাকার পরিবেশকদের অনীহার মুখে পড়লেও পরে রূপমহলসহ চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও খুলনার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পায় ‘মুখ ও মুখোশ’। মুক্তির পর দর্শকদের ব্যাপক সাড়া প্রমাণ করে দেয়, সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাংলার মাটিতেও মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব।

সাত দশক পেরিয়েও ‘মুখ ও মুখোশ’ শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্মলগ্নের প্রতীক এবং জাতীয় সংস্কৃতির এক অমূল্য ঐতিহ্য হিসেবে আজও সমানভাবে স্মরণীয়।

কালের আলো/এসএ

সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশে কোনো গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬’-এর খসড়াও মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন লাভ করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ (Stephen Rodriques) সৌজন্য সাক্ষাতের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় ইউএনডিপি বাংলাদেশের আইনি ও বিচারিক সংস্কার, সংবিধান সংশোধনসহ সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করতে চায় বলে জানানো হয়।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সাংবিধানিক সংস্কার, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা, পুলিশের সামর্থ্য বৃদ্ধি, গুজব ও অপতথ্য রোধে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রস্তাবিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, আমরা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে চাই।

তিনি মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আপনি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন জেনে আমরা আনন্দিত। আপনি চাইলে আমরা এ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আগ্রহী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউএনডিপির ধারাবাহিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য ইউএনডিপির সহায়তার কথা উল্লেখ করে আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ক্যাম্প এলাকায় পরিবেশ সুরক্ষা (যেমন- পাহাড় ধস প্রতিরোধ) এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইউএনডিপি কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্তমান অবকাঠামোর যথোপযুক্ত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন চাই, তবে বৃহত্তর স্বার্থে সেখানে নতুন করে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করতে চাই না।

আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ইউএনডিপি বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ, সংঘাত ও বিরোধ নিষ্পত্তি-সহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।

মন্ত্রীও এ সময় পুলিশের দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি’র সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ প্রসঙ্গে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন গুজব, অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এগুলো কার্যকরভাবে রোধে আমরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিতে চাই, যাতে কোনো লঙ্ঘন ঘটলে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা যায়।

মন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন ইতোমধ্যে পাস হয়েছে। আপনারা এ আইনের সফল বাস্তবায়নে লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করতে পারেন।

প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে এবং জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাস হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আইনটি প্রণয়নে ইউএনডিপি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশি মিশন, উন্নয়ন অংশীদার, পত্রিকার সম্পাদক ও আইনজীবী-সহ বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সামাজিক মনস্তত্ব ও ধর্মীয় অনুভূতিকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। আশা করা যায়, এটি একটি যুগোপযোগী ও গ্রহণযোগ্য আইন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সঠিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সবসময় বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি উদার ও ধর্মীয় সহনশীল দেশ এবং ইউএনডিপি এ ইতিবাচক ভাবমূর্তি বাস্তবায়নেও কাজ করতে আগ্রহী।

সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড পার্টনারশিপ সাপোর্ট স্পেশালিস্ট সাইফ ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেছে এ নিয়ে কাজ করা কমিটি। একই সঙ্গে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে সরকার ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতার বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া গেছে। ওই সংঘাতে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে জে-১০ ব্যবহারের তথ্য এখন প্রতিষ্ঠিত বলেও দাবি করেন তিনি।

তথ্য উপদেষ্টার ভাষ্য, জে-১০ একটি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান। অন্যদিকে রাফালকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাফালের বিরুদ্ধে জে-১০ ভালো পারফর্ম করায় বাংলাদেশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ বিষয়ে সরকার ভালোভাবেই এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনের তৈরি যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম। প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তথ্য উপদেষ্টা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ২০২৪ সালের ঘটনাকে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে দেখার বিষয়ে সরকারের অবস্থানও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সরকার ২০২৪ সালের ঘটনাকে ১৯৭১ সালের সঙ্গে তুলনা করে না। তবে ৫ আগস্টের পর দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে নিজস্ব স্বার্থে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করে সরকার।

তাঁর ভাষ্য, ৫ আগস্টের আগে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো আলোচনা করা সম্ভব হতো না। এই অর্থে ২০২৪ সালের ঘটনাকে সরকার স্বাধীনভাবে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধানরা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান তিন বাহিনীর প্রধানরা। তাঁরা স্ব স্ব বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। একইসঙ্গে দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতির দিক-নির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক ও চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।’

এসময় রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনকালে বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

এরআগে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছিলেন।

পরে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ