খুঁজুন
                               
, ,
           

খালেদা জিয়ার সাজে চমক, সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার ঝড়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার সাজে চমক, সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার ঝড়

চোখে সানগ্লাস, হালকা রঙের শাড়ি আর গলায় মুক্তোর মালা—প্রথম দেখায় যে কারও চোখে ধাঁধা লাগতে পারে। পর্দায় যেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। তবে একটু ভালো করে দেখলেই বোঝা যায়, তিনি অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।

খালেদা জিয়ার পরিচিত সাজ ও অবয়ব ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী। নিজের ভ্লগ সিরিজ ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’-এর নতুন পর্বে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে কথা বলার সময় তার পরিচিত লুকেই ক্যামেরার সামনে হাজির হন চমক।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভ্লগ সিরিজটির দ্বিতীয় সিজনের ১৯তম পর্ব প্রকাশ করেন তিনি। ‘বেগম খালেদা জিয়া’ শিরোনামের এই পর্বে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। ঢাকার জিয়া উদ্যানসহ কয়েকটি স্টুডিও লোকেশনে পর্বটির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে।

ভিডিওতে চমকের পরনে ছিল হালকা রঙের প্রিন্টের শাড়ি। গলায় মুক্তোর মালা ও চোখে সানগ্লাস। খালেদা জিয়ার পরিচিত উপস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই সাজানো হয়েছিল তার পুরো লুক।

ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা। চমকের সাজ, অভিব্যক্তি ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন অনেক নেটিজেন। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, তাকে দেখতে অনেকটাই খালেদা জিয়ার মতো লাগছে। আবার অনেকে বলেছেন, এভাবে খালেদা জিয়াকে আগে কখনো উপস্থাপন করা হয়নি।

একজন দর্শক মন্তব্য করেন, ভিডিওটির কিছু মুহূর্তে সত্যিই মনে হয়েছে পর্দায় খালেদা জিয়াই উপস্থিত। আরেকজন লিখেছেন, “হৃদয় ছুঁয়ে গেল ভিডিওটা। অসাধারণ উপস্থাপনা। এক মুহূর্তের জন্য মনোযোগ সরানো যায়নি।”

চমকের এই আয়োজন অবশ্য শুধু অভিনয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। চলতি বছর কুষ্টিয়ার একটি আসন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেও আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। সে সময় আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন রুকাইয়া জাহান চমক। তিন বছরের বিরতির পর ২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয়ে আসেন তিনি। এরপর ‘হায়দার’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ ও ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে ভ্লগিংয়েও সক্রিয় চমক। আর খালেদা জিয়ার সাজে তার সাম্প্রতিক উপস্থিতি ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’ সিরিজে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার লুক ও উপস্থাপনা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের কারণ যুদ্ধ, সরকার দায়ী নয়: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের কারণ যুদ্ধ, সরকার দায়ী নয়: রিজভী

বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের জন্য বর্তমান সরকার দায়ী নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে যে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে, তার জন্য সরকার বা কোনো ব্যক্তি দায়ী নয়; যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে । এ ছাড়াও এক ধরনের প্রাকৃতিক সংকট তৈরি হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এমন কথা বলেন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর নবনিযুক্ত রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে নিয়ে সমাধি প্রাঙ্গণে যান রিজভী।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, মহেশখালীর গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহকারী টার্মিনালে ত্রুটির কারণে বিগত কয়েক দিন গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং বাসা-বাড়িতে রান্নার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

তিনি আরও বলেন, মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালের ত্রুটি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ মেরামত করা হয়েছে। এলএনজির কার্গোও এসে পৌঁছেছে এবং সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ আবার বেড়েছে এবং লোডশেডিংও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, এই সমস্যা দ্রুত নিরসনে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না, দেশবাসী তা দেখেছে। তবে এর মধ্যেও অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। সরকার এসব চক্রান্ত শনাক্ত করে তা প্রতিহত করেছে এবং একই সঙ্গে জনকল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

বর্তমান সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, একটি সরকার তখনই সফল হয়, যখন সে আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে মনোনিবেশ করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

রিজভী বলেন, অনেক সংকটের মধ্য দিয়ে গেলেও সরকার তার কর্মকাণ্ডে সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছে। নির্বাচনের আগে দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার তা বাস্তবায়নে নিরন্তর ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই প্রচেষ্টা এখন দৃশ্যমান।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, সরকারের প্রতিটি কর্মকাণ্ডের জবাবদিহিতা থাকবে। এই জবাবদিহি সংসদে হতে পারে, দলের নেতা-কর্মীদের কাছেও হতে পারে এবং গণমাধ্যমের মাধ্যমেও হতে পারে। সরকার ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

রিজভী বলেন, বর্তমান সরকারকে জনকল্যাণমুখী সরকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করার পাশাপাশি সকল ধরনের দুর্নীতির ঊর্ধ্বে উঠে অবকাঠামো উন্নয়ন করছে। অতীতে, বিশেষ করে ‘ফ্যাসিস্ট আমলে’, মেগা প্রকল্পের নামে ‘মেগা দুর্নীতি’ হয়েছে। সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ করে সরকার এখন প্রকৃত উন্নয়ন করছে।

দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে তার কাছে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে, এ সম্পর্কে জানতে চাইলে রিজভী বলেন, আমার প্রধান দায়িত্ব হলো সংগঠনকে শক্তিশালী করা, নেতা ও কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ ও দৃঢ় করা এবং তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সংগঠনে বিদ্যমান বা ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে এমন ত্রুটি-বিচ্যুতি কীভাবে দূর করা যায়, তা দেখভাল করা।

রিজভী বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা সাংগঠনিকভাবে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এই কাজে দলের সহকর্মীরা সহযোগিতা করবেন আশা করি।

এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কমিটি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, যেসব কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, সেসব কমিটিতে নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা দেওয়া হবে এবং যথাসময়ে কমিটিগুলোর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জানান, কেউ পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও তিনি পুরোপুরি সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন হবেন না। বরং, তার ‘ঊর্ধ্বমুখী অগ্রগতি’ হবে এবং তাকে বিএনপি বা দলের অন্য কোনো সংগঠনে উচ্চতর পদ ও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিবেচনা করে নৌ এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

এই পর্ষদের মাধ্যমে নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিবেচনা করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নৌ ও বিমান বাহিনী সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

তিনি ঢাকা সেনানিবাসের আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনের ফলক উন্মোচন এবং এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টারে ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে যুদ্ধবিমান দিয়ে শত্রুবিমান ইন্টারসেপশন এবং লাইভ ফিডের মাধ্যমে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন ড্রোন (কামিকাজে ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন, ভিটিওএল) ও অন্যান্য গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। নিজস্ব সক্ষমতায় এমন আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনকে তিনি প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা অর্জনের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

নির্বাচনী পর্ষদের অনুষ্ঠান শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ‘অ্যাডমিরাল’ র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং তাকে অভিনন্দন জানান। এসময় নৌবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে দিকনির্দেশনা চান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

দেশে চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২২ দিনে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা।

রোববার (২৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি আগস্টে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

২০২৫ সালের ১ থেকে ২২ আগস্ট দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭১ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর চলতি বছরের একই সময়ে এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

সে হিসাবে, এক বছরের ব্যবধানে ২২ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৪৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

এদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ৫০০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।

গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪১৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, অর্থবছরের প্রথম প্রায় দুই মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

ব্যাংকারদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় দেশে প্রবাসী আয় বাড়ছে।

এ ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের দিনগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ