খুঁজুন
                               
, ,
           

তিন উপজেলার বন্যাদুর্গতদের খোঁজ নিতে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
তিন উপজেলার বন্যাদুর্গতদের খোঁজ নিতে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত তিন উপজেলা হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী রোববার (৯ আগস্ট) তার এই সফর চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে যাচ্ছেন, সফরটি এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর। এই সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দল ও এর সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাকে স্বাগত জানাতে নানা প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন এবং সাম্প্রতিক বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো গৃহহারা পরিবারগুলোর জন্য সরকারি উদ্যোগে নির্মিত নতুন বাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে হস্তান্তর করবেন।

প্রশাসনের সূত্র জানিয়েছে, পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে নির্মিত এসব নতুন বাড়ির কাজ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত দিনে প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর হাতে এসব ঘরের চাবি তুলে দেবেন। এ ছাড়া, তার এই সফরে দুর্গত এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলা এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করে হেলিপ্যাড প্রস্তুতের কাজ চলছে। সফরের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে তিনি পশ্চিম বাঁশখালী এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং সেখানে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিয়ে ত্রাণ বিতরণ করবেন। একই এলাকায় সরকারি সহায়তায় পুনর্নির্মাণ করা ১০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে দলীয় প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা নিতে তাকে ও কমিটির সদস্য সচিবকে প্রধানমন্ত্রীর গুলশান কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল। দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানাতে এবং ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক প্রস্তুতিগুলো গুছিয়ে রাখা হচ্ছে। তবে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে চূড়ান্ত ও বিস্তারিত সরকারি কর্মসূচি হাতে পাওয়ার পর সেই অনুযায়ী সার্বিক প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি দেশবাসী ও বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে তিনি বলেন, মানবজাতির হেদায়েত, কল্যাণ ও মুক্তির জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসুল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন মানবজাতির ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ও যুগান্তকারী ঘটনা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ ও মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হন। মহানবী (সা.)-এর ওপর মানবজাতির পথপ্রদর্শক ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। তাঁর মাধ্যমে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আদর্শে শান্তির ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.) তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানুষের মর্যাদার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন তিনি। নারী, শিশু, প্রতিবেশী ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়েও দিয়ে গেছেন সুস্পষ্ট নির্দেশনা। বিদায় হজের ভাষণে মানবিক মর্যাদা, অধিকার, সাম্য, ন্যায় ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার যে শিক্ষা তিনি দিয়েছেন, তা সর্বজনীন ও অনুসরণীয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় বিপর্যস্ত বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। ঈদে মিলাদুন্নবীর এই পবিত্র সময়ে তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যেন সবাইকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের তাওফিক দেন। বাংলাদেশ ও বিশ্বের সব মানুষের ওপর আল্লাহর রহমত, বরকত, শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক—এই দোয়া করেন রাষ্ট্রপতি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স) জাওয়াদ আজাউই এবং সিনিয়র পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার লুবাইন চৌধুরী মাসুম।

বৈঠকটি আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ুজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতায় নেদারল্যান্ডস সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত সংসদে বিরোধী দলের গঠনমূলক ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতকে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন গ্রাফিতি ঘুরে দেখান।

এ সময় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: রাষ্ট্রপতি

সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনকালে বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিন বাহিনীর প্রধানকে আশ্বস্ত করেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান। এসময় রাষ্ট্রপতি এই মন্তব্য করেন বলে সন্ধ্যায় বঙ্গভবন প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সাক্ষাৎকালে বাহিনী প্রধানগণ রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

তারা স্ব স্ব বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতির দিক-নির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ