খুঁজুন
                               
, ,
           

‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের

সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোকে ‘বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা নাকচ করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত প্রাপ্ত সব অভিযোগ এরই মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে যথাযথ প্রমাণ ছাড়াই ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানোর বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং দেশের বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো যৌথভাবে সেগুলো সমাধান করেছে।

তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বিষয়ক অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে সে বিষয়ে অবশ্যই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

একই সাথে বিভাগটি সতর্ক করে বলেছে, বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি প্রমাণ ছাড়াই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং বিচ্ছিন্নভাবে কিছু গ্রাহকের পক্ষ থেকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে এই স্পষ্টীকরণ দিল বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কেন এমন জটিলতা তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তারা ইতিপূর্বে বেশ কিছু কারণ জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে: মিটারে না দেখে আনুমানিক রিডিং দেওয়া, মিটারের তথ্য সিস্টেমে আপডেট করতে বিলম্ব, বিলিং চক্রের সমন্বয় অথবা গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে বিল বেশি আসা।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছে, যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে কোনো দাবি না তুলে প্রকৃত অভিযোগ থাকলে গ্রাহকদের উচিত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।

কালের আলো/এম/এএইচ

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন, জেন্ডার সমতা ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে জাতিসংঘের সংস্থা ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ইসলাম।

সোমবার (৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিংয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে গীতাঞ্জলি সিং বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সমতা এগিয়ে নিতে ইউএন উইমেনের চলমান বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি ইউএন উইমেনের কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে শামা ওবায়েদ ইসলাম নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণসহ জনগণকেন্দ্রিক বিভিন্ন উদ্যোগ, যেমন ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড চালু করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

প্রতিমন্ত্রী নারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল হয়রানি মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ‘গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম টু অ্যাড্রেস ডিজিটাল হ্যারাসমেন্ট অ্যাগেইনস্ট উইমেন’ উদ্যোগে ইউএন উইমেনের সমর্থন ও অংশীদারত্ব কামনা করেন।

পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের অসম প্রভাব থেকে নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘ সংস্থাটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। শামা ওবায়েদ বলেন, রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর আরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সহায়তার অর্থায়নের ঘাটতি পূরণ এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের ওপর সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, বৈঠকে জাতিসংঘের নারীর মর্যাদাবিষয়ক কমিশনের (সিএসডাব্লিউ) ৭১তম অধিবেশন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রস্তুতি, নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও) বাস্তবায়নে জাতীয় প্রতিবেদন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক পরবর্তী জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।

কালের আলো/এসএকে

হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পারস্পরিক আগ্রহ ও অভিন্ন কল্যাণের ভিত্তিতে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

বৈঠকে হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের উন্নয়নমূলক আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করার বিষয়ে ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

দুই পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা চলছে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে ইরান। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরুর দাবিকে সম্পূর্ণ নাকচ করে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করল তেহরান।

সোমবার (৩ আগস্ট) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমরা এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না। এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও বিদেশি আলোচক প্রতিনিধি দলকে আতিথেয়তা প্রদান কিংবা কোনো ইরানি প্রতিনিধি দলকে বিদেশি পাঠানোর পরিকল্পনাও তেহরানের নেই।

এদিকে ইরানের আলোচক দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বর্তমানে ধর্মীয় তীর্থযাত্রায় ইরাকে রয়েছেন জানিয়ে এক ইরানি কমকর্তা বলেছেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে যুক্তরাষ্টের সঙ্গে কোনো বৈঠক হওয়া সম্ভব নয়, চলতি সপ্তাহে তার ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

এর আগে রোববার এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের অনুরোধে তিনি হামলা বন্ধ করে আলোচনার পথ বেছে নিয়েছেন। আজ সোমবার থেকেই হরমুজ প্রণালি চালু ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচির অবসান ঘটানোর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলেও তিনি দাবি করেন।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, তা আমরা দেখব। আমরা প্রস্তুত আছি। তবে আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না’।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলেও, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান বাঘাই।

গত আট দিন ধরে এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে উল্লেখ করে বাঘাই বলেন, ‘হরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ওমানের সঙ্গে চলমান আলোচনাতেই মনোযোগ দিচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ওমানের পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে অস্থায়ীভাবে হলেও যত দ্রুত সম্ভব একটি পথ নির্ধারণ করা, যা দিয়ে আমরা হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে পারবো।’

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা। ওমানের সাথে কোনো বিরোধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়নি। আবার ওমানের সঙ্গে সমঝোতা মানেই এটা নয় যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ মাস ধরে চলমান এই সংঘাতের মধ্যে ট্রাম্পের আলোচনার বার্তা এবং ইরানের তা প্রত্যাখ্যান করার ঘটনাটি একটি নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, যতদিন পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ও আগ্রাসন বজায় থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে না।

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ