খুঁজুন
                               
, ,
           

ঋণ করে হামের চিকিৎসা করেছে ৮৯ ভাগ অতিদরিদ্র পরিবার: জরিপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ঋণ করে হামের চিকিৎসা করেছে ৮৯ ভাগ অতিদরিদ্র পরিবার: জরিপ

বাংলাদেশে হামে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়ছে সাধারণ পরিবারগুলো। সম্প্রতি এক যৌথ জরিপে দেখা গেছে, আক্রান্ত প্রতি ১০টি পরিবারের মধ্যে অন্তত ৯টিই (৮৯ শতাংশ) চিকিৎসার খরচ মেটাতে ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছে। এ ছাড়া ৬১ শতাংশ পরিবার তাদের জীবনের সব সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) ও আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেডারেশন (আইএফআরসি) যৌথভাবে এই জরিপটি পরিচালনা করে। চলতি বছরের মে ও জুন মাসে ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের ওপর চালানো এই মূল্যায়নে দেখা যায়, রোগের ধকল সামলাতে গিয়ে আক্রান্ত পরিবারগুলো চিকিৎসাব্যয়ের পাশাপাশি মারাত্মক সামাজিক ও মানবিক সংকটে পড়ছে।

জরিপ অনুযায়ী, চিকিৎসা ও আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে প্রতিটি পরিবারকে গড়ে প্রায় ১৬ হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৭৮ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবী, যাদের মাসিক আয় ৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। শিশুরা দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকায় অভিভাবকদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে, এমনকি অনেকে চাকরিও হারিয়েছে। চিকিৎসায় সহায়তার জন্য পরিবারগুলোর ৩৫ শতাংশ ওষুধ, ৩৩ শতাংশ পানি ও স্বাস্থ্যবিধি এবং ২২ শতাংশ খাদ্যের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারি জেনারেল ড. কবির এম. আশরাফ আলম জানান, সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ৪০০টি পরিবারকে চিহ্নিত করে ১০ হাজার টাকা করে জরুরি নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আইএফআরসির বাংলাদেশ প্রধান আলবার্তো বোকানেগ্রা বলেন, স্বাস্থ্য সংকটের সময় শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের ২ জন এবং ঢাকার ১ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট ৭৫১ জন এবং ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৬ শিশুর মৃত্যু হলো। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৪৭।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৬৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৮ জন। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০ জনে, যার মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ১৬ হাজার ৪০৮ জন। বর্তমানে ১ হাজারের বেশি রেড ক্রিসেন্ট স্বেচ্ছাসেবক সরকারের টিকাদান কার্যক্রম ও সচেতনতা সৃষ্টিতে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।

কালের আলো/এসএকে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজসহ অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প দ্রুত চালু এবং মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়নসহ বিভিন্ন দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে জবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ইয়াসিন সাইফসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত পূর্বনির্ধারিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরে মিছিল ও স্লোগান দিতে শুরু করেন। এতে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

‘জুলাই সনদ ২০২৫’ ধারণ করেই সংবিধান সংশোধন হবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
‘জুলাই সনদ ২০২৫’ ধারণ করেই সংবিধান সংশোধন হবে: আইনমন্ত্রী

‘জুলাই সনদ ২০২৫’-কে সামনে রেখে ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেই সংবিধান সংশোধনের পথে এগোবে সরকার। আবেগের বশবর্তী হয়ে বা রাজনৈতিক মতাদর্শ চাপিয়ে দিয়ে এই সংশোধন করা হবে না।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন।

এদিন জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘‘আজ ৪ আগস্ট বাংলাদেশ এক নতুন অভিযাত্রা শুরু করল। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ৩৩টি রাজনৈতিক দল ‘জুলাই সনদ ২০২৫’-এ স্বাক্ষর করেছিল।

সেই সনদকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম যাত্রা আজ শুরু হলো।’’

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় এগোব।

শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সংগ্রামীদের সঙ্গে আমরা কথা বলব। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ, সাংবাদিক, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, প্রেসক্লাবসহ সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। যারা দিনরাত পরিশ্রম করে জুলাই সনদ রচনা করেছেন, তাদের যৌক্তিক মতামতও নেওয়া হবে।’

কমিটিতে বিরোধী দলের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা ছিল ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করার। এর মধ্যে ৭ জন বিএনপির, ৫ জন অন্যান্য দলের (যেমন– জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর, আন্দালিব রহমান পার্থ) এবং ৫ জন বিরোধী দলের থাকার কথা ছিল। কিন্তু বিরোধী দল সময় চেয়েছিল এবং পরে জানিয়েছে তারা এই প্রক্রিয়ায় থাকবে না।

তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো– তারা যখনই ৫টি নাম দেবে, তখনই তাদের এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। তাদের জন্য আমাদের দরজা সবসময় খোলা।’

সংবিধানের মৌলিক কাঠামো এবং আইনি ব্যাখ্যার কথা উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘‘আইনের পরিভাষায় যাকে ‘হারমোনিয়াস ইন্টারপ্রিটেশন’ বলা হয়, আমরা সেটি অনুসরণ করব। ভারত ও বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের ‘বেসিক স্ট্রাকচার থিওরি’ আমাদের ধারণায় রাখতে হবে।

শুধু আবেগ দিয়ে জুলাই সনদকে বাইপাস করে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা অন্য কিছু চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। জুলাই সনদের ৬টি ধারা এবং ৮৪টি অনুচ্ছেদের আলোকেই এই সংস্কার হবে।’’

সংবিধান সংশোধন দীর্ঘমেয়াদি একটি কাজ উল্লেখ করে ভারত ও আমেরিকার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা এক বা দুই বছরের জন্য সংবিধান সংশোধন করছি না। আগামী প্রজন্ম যাতে এর সুফল পায়, সময়ের আকাঙ্ক্ষা ও জনচাহিদার ভিত্তিতেই এই কাজ করা হচ্ছে। সংবিধানে একটি কমা বা অক্ষর পরিবর্তন করাও একটি সংস্কার। আমরা সেই সংস্কারেই হাত দিয়েছি।’

উল্লেখ্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন, আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি, ব্যারিস্টার মীর হেলালউদ্দিন, ফারজানা শারমিন পুতুল, ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও অলিউল্লাহ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

দেশের পানি ব্যবস্থাপনার বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে একদল বিশেষজ্ঞের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠন ফুটস্টেপস বাংলাদেশের নেতৃত্বে পরিবেশ, পানি ও প্রকৌশল খাতের বিশেষজ্ঞ এবং এ সংক্রান্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। তারা দেশের পানি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সমস্যা, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এবং সমাধান নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ তুলে ধরেন। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘ ও মধ্য মেয়াদি পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিবেচনায় রেখে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেন।

সভায় দেশের খাল পুনরুদ্ধার, নদী ও বাঁধের স্থিতিশীলতা, নগর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বর্জ্য পানি পরিশোধন এবং বৃষ্টির পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি দ্রুত নগরায়ণের প্রেক্ষাপটে সমন্বিত ও কার্যকর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

‘শেখ হাসিনার পথ ধরেই তারেক রহমান একজন কিশোরের চোখ কেড়ে নিয়েছেন’
ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জনপ্রত্যাশার সংবিধান সংস্কার চান সালাহউদ্দিন আহমদ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য শুনে দেশের টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ফুটস্টেপস বাংলাদেশের ট্রাস্টি ও হেড অব পার্টনারশিপস ফাসবীর এস্কান্দার, সভাপতি শাহ রাফায়াত চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ তাকী ইয়াসির, বিশ্বব্যাংকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী তারিক বিন ইউসুফ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, রেড অরেঞ্জের পরিচালক অলোক কুমার মজুমদার, উপ-পরিচালক সামিউল ইসলাম, ইয়ুথ ফর এনডিসির নির্বাহী পরিচালক আমানুল্লাহ পরাগ, গারবেজম্যানের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিদ উদ্দিন শুভ এবং নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনাবিদ এস এম মেহেদী হাসান উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে