খুঁজুন
                               
, ,
           

মহিমা মাকওয়ানার অনুপ্রেরণাদায়ী জীবনগল্প

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
মহিমা মাকওয়ানার অনুপ্রেরণাদায়ী জীবনগল্প

সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘মুসাফির ক্যাফে’ দিয়ে দর্শকদের নজর কেড়েছেন তরুণ অভিনেত্রী মহিমা মাকওয়ানা। আজ ৫ আগস্ট তাঁর জন্মদিন। আজ সফলতার আলোয় থাকলেও তাঁর শৈশব ও উঠে আসার দিনগুলো ছিল চরম সংগ্রামের।

মহিমার জন্মের মাত্র কয়েক মাস পর তাঁর বাবা মারা যান। মা ও ভাইকে নিয়ে মুম্বাইয়ের এক ছোট্ট চাওলে (ঘনবসতিপূর্ণ আবাসন) অভাবের মধ্য দিয়ে তাঁর বেড়ে ওঠা। পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই অভিনয়ের অডিশন দিতে শুরু করেন মহিমা। খেলাধুলার বয়সে নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার সুযোগও ছিল না তাঁর; পরীক্ষা ছাড়া বেশিরভাগ সময় কাটত শুটিং ফ্লোরে।

শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করার সময় এক জনপ্রিয় ধারাবাহিকের সেটে সংলাপ বলতে গিয়ে নার্ভাস হয়ে পড়েন মহিমা। পরিচালকের কটু মন্তব্য ও অপমানে ভেঙে না পড়ে তিনি বাড়ি ফিরে কঠোর অনুশীলন শুরু করেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে পরিশ্রমি হওয়ার পাঠ শেখায়।

কিশোরী বয়সে ছোট পর্দায় একটি ধারাবাহিকে বড় সুযোগ পান তিনি। সেই সাফল্যের পর মাত্র ১৪ বছর বয়সে পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করে মুম্বাইয়ের মীরা রোডে নিজের প্রথম বাড়ি ও গাড়ি কেনেন মহিমা।

ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পেলেও ‘টেলিভিশনের অভিনেত্রী’ তকমা ঝেড়ে ফেলা সহজ ছিল না। বহু অডিশনে প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। তবে হার না মেনে লড়াই চালিয়ে অবশেষে সিনেমা ও ওটিটিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আরও একটি বড় বাড়ি কিনেছেন মহিমা, যেখানে মায়ের সঙ্গে বাস করছেন তিনি। তবে এত অর্জনের পরও পিতৃহারা হওয়ার শূন্যতা আজও তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। জীবনে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়ার সেই আফসোস এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ

বাংলাদেশ হারিয়ে যাচ্ছিল, এখন আবার ফিরে আসছে: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ হারিয়ে যাচ্ছিল, এখন আবার ফিরে আসছে: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, বাংলাদেশ একসময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে হারিয়ে যাচ্ছিল। সেই বাংলাদেশ আবার ফিরে আসছে। এতে আমরা খুব আনন্দিত।

বুধবার (৫ আগস্ট) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা তিনি আমাকে বলেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য আমাদের উপলব্ধি করিয়ে দেয় যে, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে আর কখনো পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত হতে না দেওয়া।

প্রধানমন্ত্রীও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একই বার্তা দিয়েছেন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যও সেই অবস্থানেরই প্রতিধ্বনি।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, শুরু থেকেই বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। বাংলাদেশকে আর কখনো পরনির্ভরশীল অবস্থায় ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। জুলাই আন্দোলনের সাফল্য ধরে রাখার দায়িত্বও আমাদেরই।

তিনি আরও বলেন, গত বছরের আগস্টের শুরুতে বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম। সে সময় জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ে কর্মরত আমার সাবেক কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করি। আমি মনে করেছিলাম, বাংলাদেশে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের নীরব থাকা উচিত নয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়টি তাদের কাছে তুলে ধরেছিলাম। পরে অন্তত কিছু ক্ষেত্রে গুলিবর্ষণ বন্ধ হতে দেখা যায়। আমার ধারণা, দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতেও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের একটি ভূমিকা ছিল।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম এবং ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।

কালের আলো/এসএকে

‘ভুল’ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন,পদে বহাল থাকছেন ইনফান্তিনো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
‘ভুল’ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন,পদে বহাল থাকছেন ইনফান্তিনো

বিশ্বকাপসহ ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়ার বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে ‘ভুল’ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকের পর ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। ফলে আপাতত ফিফা সভাপতির পদে বহাল থাকছেন ইনফান্তিনো।

বিতর্কিত পরিকল্পনা বাতিলের পরও সমালোচনার মুখে পড়েন ফিফা সভাপতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি ফিফার পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন। মরক্কোর রাবাতে ফিফার আফ্রিকান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠক শেষে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ফিফার মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা বিবৃতিতে বলেন, ২১১টি সদস্যদেশের ভোটে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি তাঁদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

তবে বিতর্কিত প্রস্তাবটি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তা নিয়ে ফিফার ভেতর থেকেই চাপ বাড়ছিল ইনফান্তিনোর ওপর। গত শনিবার পরিকল্পনাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করার পর তাঁর পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনফান্তিনো ও গ্রাফস্ট্রোম যৌথভাবে ফিফার সহসভাপতি, কাউন্সিল সদস্য এবং ২১১টি সদস্য দেশের ফুটবল সংস্থার কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। এতে তাঁরা নিজেদের ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নামে নতুন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা করেছিলেন ইনফান্তিনো। প্রস্তাবে প্রতিটি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনকে ৪ কোটি ডলার দেওয়ার বিষয়টিও ছিল।

তবে পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাসহ বিভিন্ন মহল তীব্র আপত্তি জানায়। উয়েফা, কনক্যাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

ফিফা পরে জানায়, পরিকল্পনাটি তৈরির প্রক্রিয়ায় কাউন্সিল ও সদস্যদেশগুলোকে যথাযথভাবে যুক্ত করা হয়নি। সংস্থার ভাষ্য, বিষয়টি আরও ভিন্নভাবে পরিচালনা করা উচিত ছিল।

ক্ষমা চাইলেও ইনফান্তিনোর সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তাঁর প্রতি আস্থাহীনতার কথা জানিয়েছেন। এ ছাড়া পর্তুগালের সাবেক তারকা লুইস ফিগো ফিফা সভাপতির পদ থেকে ইনফান্তিনোর সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

ফিগোর ভাষ্য, ইনফান্তিনো যে পদটির মর্যাদা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটিই এখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে ফিফার পরিচালনা পর্ষদের সমর্থন পাওয়ার পরও ইউরোপীয় ফুটবলের সঙ্গে সংস্থাটির টানাপোড়েন রয়ে গেছে। উয়েফা এর আগে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে।

৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো আগামী মেয়াদেও ফিফা সভাপতি পদে নির্বাচন করতে চান বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মার্চে মরক্কোয় ফিফা কংগ্রেসে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হতে ২১১ সদস্য দেশের মধ্যে অন্তত ১০৬টি ভোট প্রয়োজন হবে।

ফিফা দাবি করছে, সাম্প্রতিক ঘটনার পর নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো সংস্থার সুশাসন আরও শক্তিশালী করবে এবং ফুটবল বিশ্বের আস্থা ফিরিয়ে আনবে। তবে বিতর্কের রেশ কতটা কাটবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

কালের আলো/এসএ

প্রতারণার মামলায় সালমান খান ও তাঁর বোন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
প্রতারণার মামলায় সালমান খান ও তাঁর বোন

বলিউড অভিনেতা সালমান খান ও তাঁর বোন আলভিরা খান অগ্নিহোত্রীকে একটি প্রতারণার মামলায় সমন জারি করেছেন চণ্ডীগড়ের একটি জেলা আদালত। একই মামলায় ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ অক্টোবর সালমান, আলভিরা ও মামলার অন্যান্য অভিযুক্তদের স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে হবে।

মামলাটি করেছেন চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্ত। তাঁর অভিযোগ, ‘বিয়িং হিউম্যান’ ব্র্যান্ডের গয়নার শোরুম খোলার জন্য তাঁকে লাভজনক ব্যবসার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। সালমান খানের জনপ্রিয়তা ও ‘বিয়িং হিউম্যান’ ব্র্যান্ডের গ্রহণযোগ্যতার ওপর আস্থা রেখে তিনি এই ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন।

অরুণ গুপ্তের দাবি, শোরুম প্রতিষ্ঠা ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য তিনি প্রায় ৩ কোটি রুপি বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে শোরুম তৈরিতেই খরচ হয় প্রায় ১ কোটি রুপি।

তাঁর অভিযোগ, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালন করলেও শোরুম চালুর পর প্রতিশ্রুত ব্যবসায়িক সহায়তা পাননি। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ‘বিয়িং হিউম্যান’ গয়না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন পণ্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

অরুণ গুপ্ত আরও অভিযোগ করেন, ব্যবসার সম্ভাবনা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তাঁকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়েছিল। তিনি জানান, ২০২১ সালে প্রথম পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও দীর্ঘ সময় কোনো সমাধান না পাওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে ‘বিয়িং হিউম্যান জুয়েলারি’র সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান। তাদের দাবি, ২০১৮ সালের ওই ব্যবসায়িক চুক্তির সঙ্গে সালমান খান বা আলভিরা খান অগ্নিহোত্রীর সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে সালমান খান ফাউন্ডেশন শুধু ‘বিয়িং হিউম্যান’ নাম ব্যবহারের লাইসেন্স দিয়েছিল। গয়না তৈরি, বিপণন, সরবরাহ ও বিক্রির সম্পূর্ণ দায়িত্ব ছিল লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর।

এদিকে আদালতের সমন জারির পর এখনো সালমান খান বা আলভিরার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আগামী ৫ অক্টোবর শুনানিতে মামলার পরবর্তী অগ্রগতি স্পষ্ট হবে।

অন্যদিকে, সালমান খান বর্তমানে তাঁর নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। পরিচালক ভামশি পেড্ডিপল্লির ‘এসভিসি ৬৩’ ছবিতে তাঁকে দেখা যাবে দক্ষিণী অভিনেত্রী নয়নতারার বিপরীতে। পাশাপাশি অপূর্ব লাখিয়া পরিচালিত ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’ ছবিতেও অভিনয় করছেন তিনি।

কালের আলো/এসএ