খুঁজুন
                               
, ,
           

মনে হচ্ছে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব আসন্ন: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
মনে হচ্ছে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব আসন্ন: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মনে হচ্ছে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব আসন্ন। এই বিপ্লবের জন্য আমি আপনাদের সবাইকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

জামায়াত আমির বলেন, বিপ্লব কোনো বয়স মানে না। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই রাজপথে ছিল। আগামীতেও সবাই তরুণ হয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং বিজয় ছিনিয়ে আনবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন কোনো প্রথাগত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে গড়ে ওঠেনি; এটি ছাত্র ও তরুণ সমাজের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি গণআন্দোলন।

তিনি আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী তরুণদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আন্দোলন করেও ফ্যাসিবাদকে বিদায় করতে পারেনি। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের সময় সারা দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় ক্ষমতাসীন সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তাই এই আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের এবং নেতৃত্বের কৃতিত্ব তরুণ সমাজের।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে টানাটানি কিংবা একজনকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তার ভাষায়, ‘এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড ১৮ কোটি নির্যাতিত মানুষ।’

জামায়াত আমির বলেন, শহীদদের নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা উচিত নয়। তারা কোনো দলের সম্পদ নন, তারা জাতির সম্পদ। আহত ও পঙ্গু হয়ে যাওয়া জুলাইযোদ্ধাদের যথাযথ চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং শহীদ পরিবারগুলোর সম্মানজনক পুনর্বাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পর তার অনেকগুলোই বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে তা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করলে তার রাজনৈতিক পরিণতি ভালো হয় না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণরায়ের প্রশ্নে তাদের ওপর নানা ধরনের চাপ ও প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে। তবে কোনো কিছুর বিনিময়ে তারা জনগণের রায় থেকে সরে আসবেন না। জনগণের গণরায়ের পাহারাদার হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে আবারও গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি ও ফ্যাসিবাদী আচরণের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেখানেই ফ্যাসিবাদী প্রবণতা দেখা দেবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, মাত্র কয়েক মাসেই জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না করে ফ্যাসিবাদী আচরণের পুনরাবৃত্তি হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।

ডা. শফিকুর বলেন, গ্যাস সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানো এবং জনগণের দুর্ভোগ বাড়ানো একটি ভুল নীতি। অতীতের লুটপাটের ধারাবাহিকতা এখনো চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের লক্ষ্য একটি কলঙ্কমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত, মানবিক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। বক্তব্যের শেষদিকে তিনি পরদিন জনদুর্ভোগ ইস্যুর কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান। সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি দেশবাসী ও বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে তিনি বলেন, মানবজাতির হেদায়েত, কল্যাণ ও মুক্তির জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসুল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন মানবজাতির ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ও যুগান্তকারী ঘটনা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ ও মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হন। মহানবী (সা.)-এর ওপর মানবজাতির পথপ্রদর্শক ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। তাঁর মাধ্যমে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আদর্শে শান্তির ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.) তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানুষের মর্যাদার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন তিনি। নারী, শিশু, প্রতিবেশী ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়েও দিয়ে গেছেন সুস্পষ্ট নির্দেশনা। বিদায় হজের ভাষণে মানবিক মর্যাদা, অধিকার, সাম্য, ন্যায় ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার যে শিক্ষা তিনি দিয়েছেন, তা সর্বজনীন ও অনুসরণীয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় বিপর্যস্ত বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। ঈদে মিলাদুন্নবীর এই পবিত্র সময়ে তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যেন সবাইকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের তাওফিক দেন। বাংলাদেশ ও বিশ্বের সব মানুষের ওপর আল্লাহর রহমত, বরকত, শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক—এই দোয়া করেন রাষ্ট্রপতি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স) জাওয়াদ আজাউই এবং সিনিয়র পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার লুবাইন চৌধুরী মাসুম।

বৈঠকটি আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ুজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতায় নেদারল্যান্ডস সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত সংসদে বিরোধী দলের গঠনমূলক ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতকে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন গ্রাফিতি ঘুরে দেখান।

এ সময় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: রাষ্ট্রপতি

সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনকালে বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিন বাহিনীর প্রধানকে আশ্বস্ত করেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান। এসময় রাষ্ট্রপতি এই মন্তব্য করেন বলে সন্ধ্যায় বঙ্গভবন প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সাক্ষাৎকালে বাহিনী প্রধানগণ রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

তারা স্ব স্ব বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতির দিক-নির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ