খুঁজুন
                               
, ,
           

‘রামলীলা’র আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল দিয়েছিলেন দীপিকা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
‘রামলীলা’র আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল দিয়েছিলেন দীপিকা

বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন মানেই মার্জিত ব্যক্তিত্ব ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি। তবে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘গোলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’ ছবির শুটিং শুরুর আগে চরিত্রের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিজের স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অনুশীলন করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী ও অভিনয় প্রশিক্ষক জয়তী ভাটিয়া।

জয়তী ভাটিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাম-লীলা’ ছবিতে অভিনয়ের আগে দীপিকাকে চরিত্রের জন্য প্রস্তুত করার দায়িত্ব ছিল তার ওপর। উদ্দেশ্য ছিল অভিনেত্রীর স্বাভাবিক লাজুক ও সংযত ব্যক্তিত্বের গণ্ডি ভেঙে তাকে আরও সাহসী ও স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলা। এ জন্য পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির নির্দেশনায় সাত দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।

ওয়ার্কশপের একটি অনুশীলনে দীপিকাকে বানসালির অফিসের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কোনো ধরনের সংকোচ না রেখে জোরে জোরে গালাগাল দিতে বলা হয়। জয়তী জানান, শুরুতে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও পরে দীপিকা নিজেকে পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেন।

জয়তী ভাটিয়া বলেন, “আমি যেখানে থামতে বলেছিলাম, দীপিকা সেখানে থামেনি। এমন সব গালাগাল দিতে শুরু করেছিল, যা আমি জীবনে কখনো শুনিনি। মনে হয়েছিল, দীর্ঘদিনের জমে থাকা সব ক্ষোভ এক মুহূর্তে বেরিয়ে এসেছে। আমি শুধু মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম।”

তিনি আরও জানান, ওয়ার্কশপ চলাকালেই তার মনে হয়েছিল ‘ককটেল’ ছবির সাফল্যের পর দীপিকা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও নির্ভীক হয়ে উঠেছেন। তাই নির্ধারিত সাত দিনের পরিবর্তে চার দিনেই প্রশিক্ষণ শেষ করে শুটিং শুরু করার পরামর্শ দেন তিনি।

জয়তী ভাটিয়া আরও দাবি করেন, ওই সময় দীপিকা ব্যক্তিগত জীবনে তীব্র মানসিক অবসাদ (ডিপ্রেশন)-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সেই কঠিন সময়ের কোনো প্রভাব তিনি কাজের জায়গায় পড়তে দেননি। বরং পুরো শুটিংজুড়েই পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এই বলিউড তারকা।

কালের আলো/এসএ

মধ্যরাতের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
মধ্যরাতের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ১০ অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত ১ টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, ‘পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে দক্ষিন/দক্ষিন-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।’

এসময় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

ফলে সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুর ট্রাক রাখার মামলায় জগলুল পাশা ৭ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুর ট্রাক রাখার মামলায় জগলুল পাশা ৭ দিনের রিমান্ডে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে তাঁর চলাচলে বাধা সৃষ্টি ও পেপার স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরার একটি বাসা থেকে সৈয়দ জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে আজ রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ এজাহারভুক্ত ১১১ জন আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জন গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসার সামনে অবস্থান নেন। তাদের বিরুদ্ধে মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মারধর, সড়কে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে রাস্তা অবরোধ এবং খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, কর্মসূচি অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকালে খালেদা জিয়া সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে অভিযুক্তরা বালুভর্তি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কে রেখে ব্যারিকেড দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, বারবার চেষ্টা করেও তিনি বাসা থেকে বের হতে পারেননি এবং এ সময় পেপার স্প্রে ব্যবহার করা হয়, যাতে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা আহত হন।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর গুলশান থানায় মামলাটি করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির একাধিক ধারাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বিমানবন্দরে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
বিমানবন্দরে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভিআইপি, সিআইপিসহ সবার জন্য সমান নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়ন ঠেকাতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) প্রথম সভায় এসব নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

সভায় কমিটির সভাপতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং সহসভাপতি প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কমিটির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট অনুষ্ঠিত হবে।

এ অডিটের ফলাফলের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই আইকাওর সম্ভাব্য পর্যবেক্ষণগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ভিআইপি ও সিআইপিসহ সবার জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল সমান। বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে একই নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য উন্নত ও নির্বিঘ্ন যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়ন রোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রায় তিন বছর পর জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও স্ক্যানার পর্যাপ্ত সংখ্যায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও স্ক্যানারের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকাই উত্তম।

সভায় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আইনের ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর, সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় জোরদার, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং আইকাওর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিমানবন্দরে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সংযোজন, বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিরাপত্তা জোরদার এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে স্থাপিত আন্ডার ভেহিকেল স্ক্যানিং সিস্টেমের (ইউভিএসএস) কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

সভায় দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কনটিনজেন্সি ও ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অনিয়ন্ত্রিত লোকসমাগম, ভিক্ষুকের উপদ্রব এবং অবৈধ লাগেজ র‌্যাপিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এসব সমস্যা সমাধানে বেবিচক, এপিবিএন, পুলিশ, আনসার ও বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুপারিশ করা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি