খুঁজুন
                               
, ,
           

মুখস্থ নয়, সমস্যা সমাধানের শিক্ষা দরকার : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
মুখস্থ নয়, সমস্যা সমাধানের শিক্ষা দরকার : ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার লক্ষ্য শুধু তথ্য মুখস্থ করানো নয় বরং শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করতে শেখানো, সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা করার সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান উদ্ভাবনে দক্ষ করে তোলা। প্রাথমিক স্তর থেকেই স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা ও গণিত) শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করতে পারলে বাংলাদেশ প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গঠনের পাশাপাশি প্রকৃত অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জনের পথে আরও এগিয়ে যাবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত আরটেক জেনারেল এক্সিবিশন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শুধু প্রযুক্তি কিনে ব্যবহার করলে একটি দেশ সব সময় অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকে। কিন্তু স্টেম শিক্ষার মাধ্যমে প্রযুক্তি বোঝা, তা নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজিত করা এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তুলতে পারলে একটি দেশ প্রকৃত অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন করতে পারে। জাপান সেই উদাহরণ তৈরি করেছে, বাংলাদেশও প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই স্টেমভিত্তিক দক্ষতা গড়ে তুলে একই পথে এগোতে চায়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি শেখানোর পাশাপাশি শিশুদের প্রশ্ন করা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সমস্যা বিশ্লেষণ এবং বাস্তবভিত্তিক সমাধান তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি ৭ কোটির বেশি। কিন্তু দেশের অর্থনীতি এখনও তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। বহুমুখী, জ্ঞানভিত্তিক ও উচ্চ মূল্য সংযোজনকারী অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে প্রাথমিক স্তর থেকেই স্টেম শিক্ষার শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে হবে।

জাপানের উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে ববি হাজ্জাজ বলেন, মেইজি পুনর্গঠন থেকে শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের প্রতিটি ধাপে জাপান শিক্ষা, প্রযুক্তি, শৃঙ্খলা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ করে এগিয়েছে। বাংলাদেশও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়।

তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষায় শিখন সংকট মোকাবিলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শিশুদের সাক্ষরতা, সংখ্যা জ্ঞান ও মৌলিক দক্ষতা নিশ্চিত করে তাদের জন্য একটি শক্ত শিক্ষা ভিত্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্টেম শিক্ষা বাস্তবায়নে সব সময় ব্যয়বহুল প্রযুক্তির প্রয়োজন হয় না। একটি গাছ লাগানো, স্থানীয় পানির মান পরীক্ষা, বৃষ্টিপাত পরিমাপ, কাগজ দিয়ে সেতু নির্মাণ কিংবা নিজ এলাকার রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যার প্রকৌশলভিত্তিক সমাধান খোঁজার মতো কার্যক্রমও কার্যকর স্টেম শিক্ষার অংশ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশে গণিত ল্যাব, বিজ্ঞান ক্লাব ও মৌলিক রোবোটিক্স শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্টেম শিক্ষা পরিচালনার সক্ষমতাও বাড়ানো হবে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরটেক, অক্টোব্রেইন, আয়োজক, অংশগ্রহণকারী ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে ওসাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিনিধি, শিক্ষা-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক অতিথি এবং আরটেক ও অক্টোব্রেইনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘আলমগীর’ নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বসির বলেন, ‘ঘটনা সঠিক। গুলিতে আলমগীর নামে একজন আহত হয়েছেন। তবে আমরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে পাইনি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।’

তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তিনি জানাতে পারেনি। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলেও জানান ওসি।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন মিলে মিল্লাত ক্যাম্পে এসে আলমগীরকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় মোটরসাইকেলটি আটকও করা হয়। কিন্তু পরে এলাকাবাসী ভয় পেয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এরপর তাদের একজন পুলিশে খবর দিলে সেখানে ‍পুলিশ আসে। কিন্তু কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা গেছে, গুলিতে আহত হওয়া আলমগীর ‍পুরান ঢাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি