খুঁজুন
                               
, ,
           

মাদক কারবারিদের তালিকা করছে সরকার

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
মাদক কারবারিদের তালিকা করছে সরকার

মাদক চোরাকারবারি এবং মাদক বিক্রেতাদের তালিকা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই তালিকা নির্মোহভাবে করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহ্সপতিবার (৬ আগস্ট) রাতে রাতে কক্সবাজার হিল ডাউন সার্কিট হাউজে জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদক চোরাচালান, মাদকের প্রসার রোধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  নির্মোহভাবে শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা আমরা প্রস্তুত করব। ট্রাস্কফোর্স কমিটি নির্মোহভাবে মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়িদের তালিকা তৈরি করবে। তার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মাদকপাচারের রুটগুলোতে যৌথ বাহিনী বা স্থানীয় বাহিনীর সমন্বয়ে ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সমতলের পাশাপাশি নদীপথে বা সমুদ্রপথে মাদক চেরা চালান হচ্ছে, সে সমস্ত রুটে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল জোরদারের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া টেকনাফ-উখিয়ার জেলে ও নৌযান নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাতে করে মাদক চোরা চালানকারীদের চিহ্নিত করতে সুবিধা হবে।

টেকনাফে পাহাড় কেন্দ্রিক অপহরণ রোধে দুইটি ক্যাম্প স্থাপনের জন্য সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে এবং আলাপ চলছে বলেও সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ টি এম নুরুল বশীর চৌধুরী, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান, বিজিবির রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক এসএম খায়রুল আলম, কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (এডিআইজি) সিরাজ আমিন, ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (এডিআইজি) রিয়াজ উদ্দিনসহ প্রশাসন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মাংসের বাজারে নেই স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ
মাংসের বাজারে নেই স্বস্তি

মাছ ও মুরগির বাজারে দামের ওঠানামা থাকলেও গরু ও খাসির মাংসের বাজারে নেই কোনো স্বস্তি। গত বছরের শেষ দিকে এক দফা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা দাম বাড়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কমেনি মাংসের দাম। ফলে উচ্চমূল্যেই গরু ও খাসির মাংস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, গরু ও খাসির মাংসের দাম কয়েক মাস ধরেই একই অবস্থানে রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, গবাদিপশু কেনার খরচ, পরিবহন ব্যয় ও অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় আগের দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দাম কমারও সুযোগ নেই।

যাত্রাবাড়ীর মাংস বিক্রেতা আব্দুর রহিম বলেন, ‘সপ্তাহের অন্য দিনের তুলনায় শুক্রবারই মাংসের বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। কর্মব্যস্ত মানুষ এদিন বাজার করেন, আবার অনেক পরিবারে শুক্রবার বিশেষ রান্নার আয়োজন থাকে। তবে দাম বেশি থাকায় অনেকেই আগের মতো পরিমাণে মাংস কিনছেন না।’

শ্যামবাজারে আরেক বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ক্রেতারা দাম নিয়ে অভিযোগ করেন, কিন্তু আমাদেরও বেশি দামে গরু কিনতে হয়। তাই কম দামে বিক্রি করার সুযোগ নেই।’

রাজধানীর নারিন্দার বাসিন্দা রাব্বি মিয়া বলেন, ‘সাত-আট মাস আগে এক লাফে মাংসের দাম অনেক বেড়েছিল। এরপর এতদিনেও কমেনি। শুক্রবার বাসায় অতিথি আসে, বাচ্চারাও মাংস খেতে চায়। তাই ইচ্ছা না থাকলেও কিনতে হয়।’

গৃহিণী রুমা আক্তার বলেন, ‘আগে মাসে কয়েকবার গরুর মাংস রান্না হতো। এখন দাম বেশি হওয়ায় অনেক হিসাব করে কিনতে হয়। খাসির মাংস তো প্রায় কেনাই ছেড়ে দিয়েছি।’

ক্রেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চমূল্যে বিক্রি হলেও বাজারে কার্যকর নজরদারির অভাব রয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, বাজার তদারকি বাড়িয়ে মাংসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার উদ্যোগ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ট্রেনের ৪ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
ট্রেনের ৪ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও রেলস্টেশনে প্রবেশের আগে ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনটির ইঞ্জিনের পেছনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল্লাহ আল হারুন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, গফরগাঁও স্টেশনে প্রবেশের ঠিক আগে হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। এরপর ইঞ্জিনের পেছনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা নওফলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগ

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা নওফলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগ

নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন চশমা হিল এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ৬-৭ জনের একটি দল তার বাসভবন লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু নিক্ষেপ করে। এতে আগুনের সূত্রপাত হলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।

এসময় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

চট্টগ্রাম নগরের সাবেক মেয়র প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী।

গত দুই বছরে চশমা হিলের এই বাসভবনে এবারসহ চার দফায় হামলা হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিল থেকে প্রথম দফায় হামলা চালানো হয়।

ওই বছরের ৫ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তৃতীয় দফায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে বাড়িটি খালি পড়ে আছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল বাসার ভেতরে পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু নিক্ষেপ করে। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে গত বুধবার (৫ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে অডিও বার্তা দেন ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে ভারতে আশ্রয়ে থাকা শেখ হাসিনা। সেই অনুষ্ঠানে নওফেলও অংশ নেন। স্থানীয়দের ধারণা, ওই ঘটনার জেরেই বাড়িটিতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি