খুঁজুন
                               
, ,
           

১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রফতানি আয় জুলাইয়ে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রফতানি আয় জুলাইয়ে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৪৭৩ কোটি মার্কিন ডলার। গত এক বছরের মধ্যে কোনো একক মাসে এটিই সর্বোচ্চ রফতানি আয়। তবে গত অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় রফতানি আয় সামান্য কমেছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে মোট রফতানি হয়েছে ৪৭২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই মাসে রফতানি হয়েছিল প্রায় ৪৭৭ কোটি ডলার। সে হিসাবে এবার রফতানি আয় কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১২ মাসে জুলাইয়ের চেয়ে বেশি রফতানি আয় আর কোনো মাসে হয়নি। গত আগস্টে রফতানি ছিল ৩৯২ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় ৩৬৩ কোটি ডলারে। অক্টোবরে বেড়ে ৪১৩ কোটি ডলার হলেও নভেম্বরে আবার নেমে আসে ৩৮৯ কোটি ডলারে। ডিসেম্বরে রফতানি হয় ৩৯৭ কোটি ডলার।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে রফতানি বেড়ে ৪৪১ কোটি ডলারে পৌঁছালেও ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ৩৫০ কোটি এবং মার্চে ৩৪৮ কোটি ডলারে নেমে আসে। এপ্রিলে ৪০০ কোটি, মে মাসে ৪৪০ কোটি এবং জুনে ৪২০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়। ফলে জুলাইয়ের ৪৭২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের আয় গত এক বছরের সর্বোচ্চ মাসিক রফতানি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক থেকেই জুলাই মাসে এসেছে ৩৮৯ কোটি ডলার। জুন মাসে এ খাতের রফতানি ছিল ৩৩৯ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে পোশাক রফতানি বেড়েছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার। তবে গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় এ খাতের রফতানি ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে। তখন পোশাক রফতানি হয়েছিল ৩৯৬ কোটি ডলার।

ইভিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রফতানিতে নেতিবাচক প্রবণতার মধ্যে জুলাই মাসে এত বড় রফতানি আয় ইতিবাচক খবর। তবে রফতানি আদেশ কম থাকায় এ পরিসংখ্যান নিয়ে কিছুটা প্রশ্নের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইপিবির তথ্য যদি একই চিত্র দেখায়, তাহলে এটি অবশ্যই স্বস্তিদায়ক।

তার মতে, মৌসুমি কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কিংবা পরিবহন-সংক্রান্ত জটিলতায় জুনের কিছু চালান জুলাইয়ে রফতানি হওয়ায় এ প্রবৃদ্ধি দেখা যেতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ওষুধ রফতানি বেড়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি বেড়েছে ৫৪ শতাংশ, যার পরিমাণ প্রায় ৯ কোটি ডলার।

এ ছাড়া হোম টেক্সটাইল খাতের রফতানি প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়ে ৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে। কৃষিপণ্য রফতানি হয়েছে ৮ কোটি ২৩ লাখ ডলার। যদিও এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম, তবে গত ১২ মাসের অধিকাংশ মাসের তুলনায় রফতানি বেশি হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘আলমগীর’ নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বসির বলেন, ‘ঘটনা সঠিক। গুলিতে আলমগীর নামে একজন আহত হয়েছেন। তবে আমরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে পাইনি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।’

তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তিনি জানাতে পারেনি। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলেও জানান ওসি।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন মিলে মিল্লাত ক্যাম্পে এসে আলমগীরকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় মোটরসাইকেলটি আটকও করা হয়। কিন্তু পরে এলাকাবাসী ভয় পেয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এরপর তাদের একজন পুলিশে খবর দিলে সেখানে ‍পুলিশ আসে। কিন্তু কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা গেছে, গুলিতে আহত হওয়া আলমগীর ‍পুরান ঢাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি