খুঁজুন
                               
, ,
           

‘গজনি’খ্যাত অভিনেতা প্রদীপ সিং রাওয়াত আর নেই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ
‘গজনি’খ্যাত অভিনেতা প্রদীপ সিং রাওয়াত আর নেই

আমির খান অভিনীত বিখ্যাত ‘গজনি’ চলচ্চিত্রের খলনায়ক ‘গজনি ধর্মাত্মা’ চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয় হওয়া প্রবীণ অভিনেতা প্রদীপ সিং রাওয়াত মারা গেছেন। রক্তের ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মঙ্গলবার ৭৪ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তাঁর ব্যবস্থাপক সিদ্ধার্থ তিওয়ারি জানান, কিছুদিন আগে তাঁর ক্যানসার আবার ফিরে আসে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অভিনেতা যশপাল শর্মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রদীপ রাওয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

১৯৫২ সালের ২১ জানুয়ারি ভারতের মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে জন্ম নেওয়া প্রদীপ রাওয়াত অভিনয়জীবন শুরু করেন টেলিভিশনের মাধ্যমে। বি আর চোপড়ার কালজয়ী ধারাবাহিক ‘মহাভারত’-এ ‘অশ্বত্থামা’ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিতি পান।

 ১৯৮৫ সালে ‘এতবার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর পা রাখা। নব্বইয়ের দশকে ‘অগ্নিপথ’, ‘কয়লা’, ‘সরফরোশ’ ও ‘মেজর সাব’-এর মতো ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করেন।

 ২০০১ সালে ‘লগান’ ছবিতে ‘দেবা সিং সোধি’ এবং ২০০৮ সালে হিন্দি ‘গজনি’ ও ২০০৫ সালে তামিল ‘গজনি’তে খলনায়ক চরিত্রে তাঁর দুর্দান্ত রূপায়ন ভক্তদের মনে জায়গা করে নেয়।

তেলেগু ছবি ‘সাই’-এর জন্য শ্রেষ্ঠ খলনায়ক হিসেবে ‘ফিল্মফেয়ার’ পুরস্কার পান। এছাড়া ‘রাউড়ি রাঠোর’ ও ‘বাঘি’র মতো অনেক ব্যবসাসফল ছবিতেও কাজ করেছেন।

চার দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও নেপালিসহ বিভিন্ন ভাষার শতাধিক চলচ্চিত্র ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিকি কৌশল অভিনীত ‘ছাবা’, তেলেগু চলচ্চিত্র ‘গায়াপাড্ডা সিমহাম’ এবং নেপালি ছবি ‘আ বাটা আমা’।

ব্যক্তিজীবনে বিনয়ী ও সহকর্মীদের প্রিয় প্রদীপ রাওয়াত মৃত্যুকালে স্ত্রী ও ছেলে বিক্রমাদিত্যকে রেখে গেছেন।

কালের আলো/এসএ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থান নয়, বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। এই জাদুঘর পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আগামী প্রজন্মের সামনে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচ করবে। এই জাদুঘর আমাদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ আর সাহসকে জাতীয় স্মৃতিতে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

তিনি বলেন, আজকের এই দিনটি দেশের জন্য যুগান্তকারী মাইলফলক। সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের আমলে গুম-খুনকে স্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছিল।

তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস স্বাক্ষী, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ চক্র দেশে গণতান্ত্রিক শাসন মেনে নিতে পারেনি।

কালের আলো/এসএকে

মিসরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহ যোগ দিচ্ছেন তুরস্কের ক্লাব ট্রাবজোনস্পোরে

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
মিসরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহ যোগ দিচ্ছেন তুরস্কের ক্লাব ট্রাবজোনস্পোরে

লিভারপুল ছাড়ার পর ফ্রি এজেন্ট হওয়া মিসরীয় তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহকে দলে নেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে তুরস্কের ক্লাব ট্রাবজোনস্পোর। ক্লাবের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে চুক্তিবদ্ধ করার বিষয়ে দুই পক্ষের আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

 বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাবজোনস্পোরের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে সম্মত হয়েছেন সালাহ।

ক্লাব জানিয়েছে, আজ বুধবার তিনি প্রথমে ইস্তাম্বুলে পৌঁছাবেন এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে ট্রাবজোনে যাবেন।

 ট্রাবজোনস্পোর গত মৌসুমে তুর্কি সুপার লিগে তৃতীয় স্থানে থেকে আগামী মৌসুমের ইউরোপা লিগে জায়গা করে নিয়েছে।

অ্যানফিল্ডে ৯ মৌসুমের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৪৪২ ম্যাচে ২৫৭টি গোল করেছেন সালাহ। লিভারপুলের হয়ে তিনি জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নস লিগ, এফএ কাপ, দুটি লিগ কাপ, ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ও উয়েফা সুপার কাপ। গত বছরের মার্চে তাঁর ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা আসে এবং গ্রীষ্মে তিনি ফ্রি এজেন্ট হন।

পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস), সৌদি আরবের ক্লাব এবং তুর্কি প্রতিদ্বন্দ্বী বেসিকতাস তাঁকে দলে নেওয়ার আগ্রহ দেখালেও শেষ পর্যন্ত ট্রাবজোনস্পোরই হতে যাচ্ছে সালাহর পরবর্তী গন্তব্য।

কালের আলো/এসএ

মহিমা মাকওয়ানার অনুপ্রেরণাদায়ী জীবনগল্প

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
মহিমা মাকওয়ানার অনুপ্রেরণাদায়ী জীবনগল্প

সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘মুসাফির ক্যাফে’ দিয়ে দর্শকদের নজর কেড়েছেন তরুণ অভিনেত্রী মহিমা মাকওয়ানা। আজ ৫ আগস্ট তাঁর জন্মদিন। আজ সফলতার আলোয় থাকলেও তাঁর শৈশব ও উঠে আসার দিনগুলো ছিল চরম সংগ্রামের।

মহিমার জন্মের মাত্র কয়েক মাস পর তাঁর বাবা মারা যান। মা ও ভাইকে নিয়ে মুম্বাইয়ের এক ছোট্ট চাওলে (ঘনবসতিপূর্ণ আবাসন) অভাবের মধ্য দিয়ে তাঁর বেড়ে ওঠা। পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই অভিনয়ের অডিশন দিতে শুরু করেন মহিমা। খেলাধুলার বয়সে নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার সুযোগও ছিল না তাঁর; পরীক্ষা ছাড়া বেশিরভাগ সময় কাটত শুটিং ফ্লোরে।

শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করার সময় এক জনপ্রিয় ধারাবাহিকের সেটে সংলাপ বলতে গিয়ে নার্ভাস হয়ে পড়েন মহিমা। পরিচালকের কটু মন্তব্য ও অপমানে ভেঙে না পড়ে তিনি বাড়ি ফিরে কঠোর অনুশীলন শুরু করেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে পরিশ্রমি হওয়ার পাঠ শেখায়।

কিশোরী বয়সে ছোট পর্দায় একটি ধারাবাহিকে বড় সুযোগ পান তিনি। সেই সাফল্যের পর মাত্র ১৪ বছর বয়সে পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করে মুম্বাইয়ের মীরা রোডে নিজের প্রথম বাড়ি ও গাড়ি কেনেন মহিমা।

ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পেলেও ‘টেলিভিশনের অভিনেত্রী’ তকমা ঝেড়ে ফেলা সহজ ছিল না। বহু অডিশনে প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। তবে হার না মেনে লড়াই চালিয়ে অবশেষে সিনেমা ও ওটিটিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আরও একটি বড় বাড়ি কিনেছেন মহিমা, যেখানে মায়ের সঙ্গে বাস করছেন তিনি। তবে এত অর্জনের পরও পিতৃহারা হওয়ার শূন্যতা আজও তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। জীবনে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়ার সেই আফসোস এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ