খুঁজুন
                               
, ,
           

পোর্ট অব স্পেনে বাবর-আব্দুল্লাহর ব্যাটিংয়ে স্বস্তির হাসি পাকিস্তানের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
পোর্ট অব স্পেনে বাবর-আব্দুল্লাহর ব্যাটিংয়ে স্বস্তির হাসি পাকিস্তানের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে পাকিস্তান। পোর্ট অব স্পেনে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২৬৬ রান। স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসের চেয়ে পাকিস্তান পিছিয়ে মাত্র ৭৮ রানে।

দলকে এগিয়ে নেওয়ার পথে তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৬৮ রানের জুটি গড়েছেন বাবর আজম ও আব্দুল্লাহ শফিক। ১০৭ রানে অপরাজিত থাকা আব্দুল্লাহ টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ২০২৪ সালের পর এটি তাঁর প্রথম টেস্ট শতক। অন্যদিকে ৮৬ রানে অপরাজিত বাবর আজম, যা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬১ রানের পর টেস্টে তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৩৪৪ রানে অলআউট হয়। জাস্টিন গ্রিভস ৭৩ ও রোস্টন চেজ ৭০ রান করেন। পাকিস্তানের হয়ে সাজিদ খান নেন ৪ উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর আব্দুল্লাহ শফিক ও আজান আওয়াইস দ্বিতীয় উইকেটে ৬৪ রান যোগ করেন। আওয়াইস ৫৫ রানে ফিরলেও বাবর আজমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস বড় করেন আব্দুল্লাহ। দুজনই সাবলীল ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দিনের বাকি সময় নির্বিঘ্নে পার করেন।

এই জুটির মাধ্যমে ২০০৬ সালে ওভাল টেস্টের পর এশিয়ার বাইরে তৃতীয় উইকেটে পাকিস্তানের প্রথম ১৫০ রানের বেশি জুটি গড়ার কীর্তিও গড়েছেন বাবর ও আব্দুল্লাহ। এখন তৃতীয় দিনের শুরুতে বড় সংগ্রহ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপর চাপ তৈরি করাই হবে পাকিস্তানের লক্ষ্য।

কালের আলো/এসএ

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংসদেই ফিরতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

বরিশাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংসদেই ফিরতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে পার্লামেন্টের বদলে রাজপথে নেওয়ার অপচেষ্টায় যারা লিপ্ত, তারা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে পারছেন না। আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে সংসদকেই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল নগরের আমতলা মোড়ে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের সরকারের পক্ষ থেকে জাতির সামনে আবারও শপথ উচ্চারণ করছি— যে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি, যে শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছি, তাদের রক্তের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং অর্জিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে গোটা দেশ। মহান স্বাধীনতার পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক, মানবাধিকারসম্মত ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে ওঠার। কিন্তু নানা কারণে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ আবারও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের কবলে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ জাতীয় নেতাদের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি হয়। সেই আন্দোলনের আবহে একসময়কার শিশু-কিশোররা সাহসী তরুণ যোদ্ধায় পরিণত হয়। আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে দেশনায়ক তারেক রহমান “ফয়সালা হবে রাজপথে”—এই ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত রাজপথেই ফ্যাসিবাদের পরাজয় হয়েছে। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই সংসদ একটি কার্যকর সংসদে পরিণত হবে। আন্দোলনের সময় যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, সেই ঐক্য ধরে রেখে মতপার্থক্যের বিষয়গুলো সংসদের বিতর্কেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

তিনি বলেন, যারা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে পার্লামেন্টের বদলে রাজপথে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তারা শহীদদের আত্মত্যাগকে বুঝতে পারছেন না। আবার যারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক বিতর্কের পরিবর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন, তারাও ভুল করছেন।

সব গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে ঐক্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা হয়েছে, সেই ঐক্য অটুট রেখে পার্লামেন্টকেই রাজনীতির একমাত্র কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। এর ব্যত্যয় জনগণ মেনে নেবে না। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিকশিত এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত দল এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চাইলেও, জনগণের স্বার্থে যে-কোনো অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ফিওরেন্তিনায় ধারে যাচ্ছেন রিয়ালের তরুণ আর্জেন্টাইন তারকা মাস্তানতুয়োনো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ফিওরেন্তিনায় ধারে যাচ্ছেন রিয়ালের তরুণ আর্জেন্টাইন তারকা মাস্তানতুয়োনো

তরুণ আর্জেন্টাইন প্রতিভা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোকে ধারে ইতালিয়ান ক্লাব ফিওরেন্তিনায় পাঠাতে সম্মত হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দলবদল বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত ফ্লোরেন্সের ক্লাবটিতে থাকবেন ১৮ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। এরপর আবারও সান্তিয়াগো বার্নাবেউয়ে ফেরার কথা রয়েছে তার।

মাস্তানতুয়োনোর জন্য এটি ক্যারিয়ারের নতুন এক অধ্যায়। গত গ্রীষ্মে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেট থেকে বড় অঙ্কের ট্রান্সফার ফিতে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ফিওরেন্তিনার সঙ্গে ধারের চুক্তিতে তাকে স্থায়ীভাবে কিনে নেওয়ার কোনো সুযোগ রাখেনি রিয়াল।

রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের পরিকল্পনা, ভবিষ্যতের এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে দীর্ঘমেয়াদে ক্লাবের অংশ হিসেবেই ধরে রাখা।

২০০৭ সালের ১৪ আগস্ট আর্জেন্টিনার আজুলে জন্ম নেওয়া মাস্তানতুয়োনো বাঁ পায়ের ড্রিবলিং, দূরপাল্লার শট এবং আক্রমণভাগের বিভিন্ন পজিশনে খেলার দক্ষতার জন্য পরিচিত। রিভার প্লেট থেকে তাকে দলে ভেড়াতে রিয়াল মাদ্রিদ ৬৩.২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে বলে জানা যায়। তাকে দলে নিতে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইসহ (পিএসজি) ইউরোপের বেশ কয়েকটি বড় ক্লাব আগ্রহী ছিল।

রিয়ালের জার্সিতে প্রথম মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে প্রায় ৩৫ ম্যাচে মাঠে নামেন মাস্তানতুয়োনো। এ সময়ে তিনটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি।

তবে তার বয়স ও নিয়মিত খেলার প্রয়োজন বিবেচনা করে রিয়াল তাকে ধারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্লাবটির লক্ষ্য, ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া।

মাস্তানতুয়োনোর ইতালিয়ান নাগরিকত্ব থাকায় ফিওরেন্তিনার জন্য বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও বাড়তি জটিলতা থাকছে না।

নতুন কোচ ফাবিও গ্রোসোর অধীনে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে থাকা ফিওরেন্তিনা এই আর্জেন্টাইন তরুণকে আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে। সৌদি প্রো লিগ কিংবা রিভার প্লেটে ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও রিয়াল মাদ্রিদ চেয়েছে তিনি ইউরোপের প্রতিযোগিতামূলক লিগেই নিজের উন্নতি চালিয়ে যান।

কালের আলো/এসএ

রেসলিং রিংকে বিদায় জানালেন ব্রক লেসনার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
রেসলিং রিংকে বিদায় জানালেন ব্রক লেসনার

পেশাদার রেসলিংয়ের অন্যতম বড় তারকা ব্রক লেসনার অবশেষে রিংকে বিদায় জানিয়েছেন। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ড ও সাফল্যের মালিক এই ডব্লিউডব্লিউই কিংবদন্তি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার জনপ্রিয় ‘দ্য প্যাট ম্যাকাফি শো’-তে উপস্থিত হয়ে ৪৯ বছর বয়সী লেসনার নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, গত শনিবার ডব্লিউডব্লিউই সামারস্লামের মঞ্চে ওবা ফেমির বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ‘হেল ইন আ সেল’ ম্যাচটিই ছিল তার ক্যারিয়ারের শেষ লড়াই।

অবসরের ঘোষণা দিয়ে লেসনার বলেন, “আমি আজ পুরো বিশ্বকে জানাতে এসেছি যে, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নিয়েছি। শনিবারের রাতটি আমার জন্য অত্যন্ত আবেগের ছিল। রেসলিং রিং হোক কিংবা অন্য কোনো লড়াইয়ের মঞ্চ—আমার পথচলা এখানেই শেষ।”

এর আগে চলতি বছরের রেসলম্যানিয়ায় ওবা ফেমির কাছে হারের পর রিংয়ের মাঝখানে নিজের বুট ও গ্লাভস খুলে রেখে চলে যান লেসনার। তখন থেকেই তার অবসর নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের শহর মিনিয়াপোলিসে সামারস্লামের ম্যাচ দিয়েই ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় লিখলেন ‘দ্য বিস্ট ইনকারনেট’।

রেসলিংয়ের জগতে প্রবেশের আগেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছিলেন লেসনার। ২০০০ সালে মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে এনসিএএ ডিভিশন ওয়ান জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। পাশাপাশি দুইবার অল-আমেরিকান সম্মান ও বিগ টেন চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছেন।

২০০২ সালে ডব্লিউডব্লিউইতে অভিষেকের পর দ্রুতই তারকা বনে যান লেসনার। মাত্র ২৫ বছর বয়সে দ্য রককে হারিয়ে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্ব শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়েন তিনি।

ক্যারিয়ারে ১০টি বিশ্ব শিরোপা ছাড়াও দুটি রয়্যাল রাম্বল জয়, ২০০২ সালের ‘কিং অব দ্য রিং’ এবং ২০১৯ সালের ‘মানি ইন দ্য ব্যাংক’ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে তার। তবে ২০১৪ সালের রেসলম্যানিয়ায় দ্য আন্ডারটেকারের ২১ ম্যাচের অপরাজিত ধারার সমাপ্তি ঘটানোকে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রিংয়ের বাইরেও সফল ছিলেন লেসনার। ২০০৪ সালে আমেরিকান ফুটবলে এনএফএলের মিনেসোটা ভাইকিংসে সুযোগের চেষ্টা করেন তিনি। পরে ২০০৭ সালে মিক্সড মার্শাল আর্টসে (এমএমএ) নাম লেখান এবং নিজের চতুর্থ পেশাদার ম্যাচেই র‌্যান্ডি কুতুরকে হারিয়ে ইউএফসি হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হন।

২০১৬ সালে ইউএফসি ২০০ ইভেন্টে মার্ক হান্টের বিপক্ষে সর্বশেষ এমএমএ লড়াইয়ে অংশ নেন তিনি।

বিদায়বেলায় নিজের শিকড়ের কথাও স্মরণ করেন লেসনার। তিনি বলেন, “আমি সাউথ ডাকোটার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান ছিলাম। বড় স্বপ্ন দেখেছিলাম এবং সেই স্বপ্ন পূরণে কঠোর পরিশ্রম করেছি। জীবনে যা কিছু অর্জন করেছি, তার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।”

ব্রক লেসনারের বিদায়ে শেষ হলো পেশাদার রেসলিংয়ের এক আলোচিত অধ্যায়। শক্তি, আগ্রাসন ও অসাধারণ অ্যাথলেটিক দক্ষতার কারণে তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মের ভক্তদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

কালের আলো/এসএ