খুঁজুন
                               
, ,
           

ছুটির আনন্দে ঘরমুখী মানুষের ঢল, গাজীপুরে মহাসড়কে তীব্র চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
ছুটির আনন্দে ঘরমুখী মানুষের ঢল, গাজীপুরে মহাসড়কে তীব্র চাপ

টানা তিন দিনের ছুটি পেয়ে শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুর ছেড়ে উত্তরাঞ্চলে ফিরছেন লাখো কর্মজীবী মানুষ। একরকম ঈদের আনন্দ, উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে তাদের মাঝে। তবে বাড়তি ভাড়া আর পথের ভোগান্তি পিছু ছাড়ছে না কোনো ক্রমেই।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় ও ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা, মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় ঘরমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

শিল্প পুলিশ জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষ্যে দুই দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সাথে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শুক্রবার মিলিয়ে টানা তিনদিন ছুটি পেয়েছেন সব শিল্প কারখানার শ্রমিকরা। যার কারণে কর্মজীবী মানুষ ঘরে ফিরছে।

উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে ভোর থেকে কর্মজীবী মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। বেলা বাড়লে সড়কে ২ কিলোমিটার অংশে যানজট সৃষ্টি হয়। এ জেলায় বসবাসরত নানা পেশার মানুষ তিন দিনের ছুটিতে পরিবার নিয়ে গ্রামে ফিরছেন।

এদিকে এই সুযোগে হঠাৎ পরিবহনের ভাড়াও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চন্দ্রা এলাকার বেশ কিছু বাস কাউন্টারে টিকিটের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অধিক ভাড়া আদায় করছেন কর্তৃপক্ষ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

অপরদিকে, ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। কাঙ্ক্ষিত পরিবহন না পেয়ে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। বিভিন্ন স্থানে সড়কের জটিলতা থাকায় যানজটও পোহাতে হচ্ছে।

চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় কাউন্টারে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী জেরিন আক্তার  বলেন, তিন দিনের ছুটি পেয়েছি। খামোখা বসে থাকবো কেন, তার চেয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সাথে সময় কাটিয়ে আসি। কিন্তু বাস কাউন্টারে এসে দেখি টিকিট নেই। দুইটা বাসে উঠার চেষ্টা করলাম ৭০০ টাকার ভাড়া এক হাজার টাকা চাচ্ছে।

ইকলাছুর রহমান নামে এক যাত্রী  বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য সব চেয়ে কষ্টের বিষয় হলো যখন আমরা ঘরমুখী হই, তখনই আমাদের গলার কাটা হয়ে দাঁড়ায় বাস ভাড়া। এই দেখেন আজ বহু মানুষ ঘরে ফিরছে সেইটা দেখেই বাস মালিকরা এক লাফে ৫০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা করে ফেলেছে।

চন্দ্রা এলাকার শাহ ফাতেহ আলী পরিবহন বাস কাউন্টারের মালিক ইলিয়াস হোসেন  বলেন, আমাদের তো কিছু করার নেই। পরিবহনের তুলনায় যাত্রীর চাপ বেশি থাকলে সংকট হবেই। তাছাড়া যাত্রীদের চাপ বাড়লে কিছু যানবাহন কাউন্টারের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। উল্টাপাল্টা যাত্রী উঠানো শুরু করে। এমন নানা কারণেই ভাড়া বেড়ে যায়।

তবে এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর রিজিয়নের নাওজোড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর হোসেন বলেন, আজ ভোর বেলা থেকেই যাত্রীদের তীব্র চাপ দেখা দিয়েছে। আমরা সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছি। এছাড়াও পরিবহনের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়েও আমরা সতর্ক করেছি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘আলমগীর’ নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বসির বলেন, ‘ঘটনা সঠিক। গুলিতে আলমগীর নামে একজন আহত হয়েছেন। তবে আমরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে পাইনি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।’

তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তিনি জানাতে পারেনি। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলেও জানান ওসি।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন মিলে মিল্লাত ক্যাম্পে এসে আলমগীরকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় মোটরসাইকেলটি আটকও করা হয়। কিন্তু পরে এলাকাবাসী ভয় পেয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এরপর তাদের একজন পুলিশে খবর দিলে সেখানে ‍পুলিশ আসে। কিন্তু কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা গেছে, গুলিতে আহত হওয়া আলমগীর ‍পুরান ঢাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি