খুঁজুন
                               
, ,
           

কমিউনিটি ব্যাংকে এমডি হিসেবে যোগ দিলেন ইমতিয়াজ উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
কমিউনিটি ব্যাংকে এমডি হিসেবে যোগ দিলেন ইমতিয়াজ উদ্দিন

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন।

সোমবার (৩ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এদিন ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

২৫ বছরেরও বেশি সময়ের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন রিটেইল, এসএমই, কৃষি, করপোরেট, ট্রানজেকশন এবং শাখা ব্যাংকিং কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ব্যবসায়িক কৌশল প্রণয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহকসেবা, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক রূপান্তরে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কমিউনিটি ব্যাংকে যোগ দেওয়ার আগে ইমতিয়াজ উদ্দিন পদ্মা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও প্রধান ব্যবসা কর্মকর্তা (চিফ বিজনেস অফিসার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই প্রতিষ্ঠানে তিনি প্রধান পুনরুদ্ধার কর্মকর্তা (চিফ রিকভারি অফিসার) এবং প্রধান অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা (ক্যামেলকো) হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে প্রিমিয়ার ব্যাংকের রিটেইল, এসএমই, কৃষি ও করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান ছিলেন ইমতিয়াজ উদ্দিন। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইস্টার্ন ব্যাংক এবং ঢাকা ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেছেন।

মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে বিএসএস (অনার্স) ও এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

তিনি ব্যাংকারদের পেশাজীবী সংগঠন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তীতে সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা চলছে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে ইরান। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরুর দাবিকে সম্পূর্ণ নাকচ করে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করল তেহরান।

সোমবার (৩ আগস্ট) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমরা এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না। এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও বিদেশি আলোচক প্রতিনিধি দলকে আতিথেয়তা প্রদান কিংবা কোনো ইরানি প্রতিনিধি দলকে বিদেশি পাঠানোর পরিকল্পনাও তেহরানের নেই।

এদিকে ইরানের আলোচক দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বর্তমানে ধর্মীয় তীর্থযাত্রায় ইরাকে রয়েছেন জানিয়ে এক ইরানি কমকর্তা বলেছেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে যুক্তরাষ্টের সঙ্গে কোনো বৈঠক হওয়া সম্ভব নয়, চলতি সপ্তাহে তার ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

এর আগে রোববার এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের অনুরোধে তিনি হামলা বন্ধ করে আলোচনার পথ বেছে নিয়েছেন। আজ সোমবার থেকেই হরমুজ প্রণালি চালু ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচির অবসান ঘটানোর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলেও তিনি দাবি করেন।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, তা আমরা দেখব। আমরা প্রস্তুত আছি। তবে আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না’।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলেও, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান বাঘাই।

গত আট দিন ধরে এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে উল্লেখ করে বাঘাই বলেন, ‘হরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ওমানের সঙ্গে চলমান আলোচনাতেই মনোযোগ দিচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ওমানের পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে অস্থায়ীভাবে হলেও যত দ্রুত সম্ভব একটি পথ নির্ধারণ করা, যা দিয়ে আমরা হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে পারবো।’

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা। ওমানের সাথে কোনো বিরোধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়নি। আবার ওমানের সঙ্গে সমঝোতা মানেই এটা নয় যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ মাস ধরে চলমান এই সংঘাতের মধ্যে ট্রাম্পের আলোচনার বার্তা এবং ইরানের তা প্রত্যাখ্যান করার ঘটনাটি একটি নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, যতদিন পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ও আগ্রাসন বজায় থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে না।

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তিন উপজেলার বন্যাদুর্গতদের খোঁজ নিতে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
তিন উপজেলার বন্যাদুর্গতদের খোঁজ নিতে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত তিন উপজেলা হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী রোববার (৯ আগস্ট) তার এই সফর চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে যাচ্ছেন, সফরটি এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর। এই সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দল ও এর সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাকে স্বাগত জানাতে নানা প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন এবং সাম্প্রতিক বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো গৃহহারা পরিবারগুলোর জন্য সরকারি উদ্যোগে নির্মিত নতুন বাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে হস্তান্তর করবেন।

প্রশাসনের সূত্র জানিয়েছে, পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে নির্মিত এসব নতুন বাড়ির কাজ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত দিনে প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর হাতে এসব ঘরের চাবি তুলে দেবেন। এ ছাড়া, তার এই সফরে দুর্গত এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলা এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করে হেলিপ্যাড প্রস্তুতের কাজ চলছে। সফরের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে তিনি পশ্চিম বাঁশখালী এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং সেখানে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিয়ে ত্রাণ বিতরণ করবেন। একই এলাকায় সরকারি সহায়তায় পুনর্নির্মাণ করা ১০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে দলীয় প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা নিতে তাকে ও কমিটির সদস্য সচিবকে প্রধানমন্ত্রীর গুলশান কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল। দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানাতে এবং ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক প্রস্তুতিগুলো গুছিয়ে রাখা হচ্ছে। তবে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে চূড়ান্ত ও বিস্তারিত সরকারি কর্মসূচি হাতে পাওয়ার পর সেই অনুযায়ী সার্বিক প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

বিরোধী নেতারা শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছেন: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
বিরোধী নেতারা শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছেন: মির্জা ফখরুল

Oplus_131072

বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতারা শেখ হাসিনার মতো ভাষায় কথা বলছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা যেভাবে ‘এক দিনের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেব না’ বা ‘পাঁচ বছর সরকার চালাতে দেব না’ বলতেন, আজ বিরোধী দলের নেতারাও সেই একই ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

‘সংস্কার’ নাকি ‘সংশোধন’—এই শব্দগত বিতর্কসহ যেকোনো বিষয়ে বিরোধী নেতাদেরকে রাস্তায় সংঘাতের পথ না বেছে সংসদে এসে আলোচনার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বিরোধী দলের সমালোচনা, বিরোধিতা জরুরি, তবে তা সংসদীয় শিষ্টাচারের মধ্যে থাকা উচিত। রাজপথের প্রতিবাদ যেন সংঘাতের রূপ না নেয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো যথাযথ তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছে না বলে যে ‘গুঞ্জন’ ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপিই দেশের ইতিহাসে বারবার রূপান্তর ও সংস্কার এনেছে। জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

দীর্ঘ ১৭ থেকে ১৮ বছরের ফ্যাসিবাদের জঞ্জাল দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম, রক্তক্ষয় ও জুলাই অভ্যুত্থানের পর জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত এই সরকার দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্র সংস্কারে নিরলসভাবে কাজ করছে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান, আবাসন ও সুবিধা নিশ্চিত করাসহ আন্দোলনে শহীদ সাংবাদিকসহ নাগরিকদের পরিবারের দেখভালে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার।

কালের আলো/এসএকে