খুঁজুন
                               
, ,
           

সৌদিতে নিহত ১৬ প্রবাসীর পরিবার পাবে বিশেষ অনুদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
সৌদিতে নিহত ১৬ প্রবাসীর পরিবার পাবে বিশেষ অনুদান

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া ১৬ বাংলাদেশির পরিবারকে বিশেষ মানবিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উপলক্ষে সোমবার (১০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় পররাষ্ট্র সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি (ভার্চুয়ালি), পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, বিএমইটি, বাংলাদেশ বিমানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি মরদেহ দ্রুত শনাক্তকরণ, দেশে মরদেহ আনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সৌদি কর্তৃপক্ষ ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দ্রুত শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ দূতাবাস। শনাক্তকরণ শেষে সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করে মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় ও খরচে সৎকার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ১৬ জনের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য এককালীন বিশেষ মানবিক অনুদান দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই ১৬ জনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা বিশেষ অনুদান দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মৃত কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগযোগ রাখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, রবিবার (৯ আগস্ট) সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে ১৬ জন বাংলাদেশির প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

কালের আলো/এসএকে

তথ্য উপদেষ্টা

অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে

অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও একটি নির্দিষ্ট সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া ব্রিফিং এবং সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য থেকে বাংলাদেশ বিষয়টি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ভারতের কাছে উপস্থাপন করেছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তার বক্তব্যের পর বাংলাদেশের দেওয়া বিবৃতিতেও বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই– এমন বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বাংলাদেশের দৃষ্টিতে বিষয়টির সঙ্গে ভারতের কোনো না কোনো পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতা বা সমর্থনের প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে হওয়া উচিত। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুনভাবে বিন্যাস বা ‘রিঅ্যালাইনমেন্ট’-এর প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

 

হঠাৎ আইআরজিসিসহ ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
হঠাৎ আইআরজিসিসহ ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল 

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এবং নিরাপত্তা কাঠামোয় বড় ধরনের রদবদল এনেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। নতুন এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং বাসিজ ফোর্সের শীর্ষ পদে ছয়জন জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে নিয়োগ দিয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন এই সামরিক বিন্যাসে মেজর জেনারেল আলী আব্দুল্লাহিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিউমারস হায়দারিকে তার ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই আদেশে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে আহমদ ওয়াহিদিকে আইআরজিসির নতুন সর্বাধিনায়ক এবং মোস্তফা ইজাদিকে তার ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত অন্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ওজমায়ীকে আইআরজিসির নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাসিজ বাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রভাবশালী কর্মকর্তা হোসেইন তাইব। সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণকারী এই বাসিজ ফোর্সের নেতৃত্বে হোসেইন তাইবের প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরানের সামরিক শীর্ষ পদে নতুনভাবে দায়িত্ব পাওয়া এই ছয় কমান্ডারকে প্রকাশ্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, সর্বোচ্চ নেতা তাদের ওপর যেভাবে আস্থা প্রকাশ করেছেন, তা জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা রক্ষার দীর্ঘদিনের কাজেরই স্বীকৃতি।

তিনি আরও জানান, দেশের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় নতুন কমান্ডারদের মেধা ও বহু বছরের সামরিক অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্মরণ করিয়ে দেন যে সাম্প্রতিককালে দেশটির ওপর চাপিয়ে দেওয়া দুটি যুদ্ধের মতো কঠিন পরিস্থিতির মুখেও এই কমান্ডাররা সাহসিকতার প্রমাণ দিয়েছেন। তারা দেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। নতুন দায়িত্ব পালনে এবং শত্রুর হাত থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে তাদের সর্বোচ্চ সফলতা কামনা করেন তিনি।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হতাহতের প্রেক্ষাপটে মোজতবা খামেনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক চাপ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে নতুন কমান্ডের এই রদবদল ইরানের সামরিক শক্তিকে আরও সুসংহত করবে। বিশেষ করে কৌশলগত সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই পদায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

যুদ্ধকালীন সংকট সামাল দিতে সামরিক বাহিনীর খালি থাকা পদগুলোতে দ্রুত নতুন নেতৃত্ব বসানো হলো। এর মাধ্যমে তেহরান তাদের সামরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব

এক রোমাঞ্চকর মহাজাগতিক ক্ষণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ১২ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে এক বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ।

২০২৪ সালের এপ্রিলের পর বিশ্বজুড়ে এটিই প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, যা ১৯৯৯ সালের পর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে প্রথমবার দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ণগ্রাসের এই বিরল দৃশ্য প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) অনুযায়ী বুধবার (১২ আগস্ট) বিকাল ৩টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণের মূল প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর পর চাঁদের প্রচ্ছায়া দ্রুত গতিতে পৃথিবীর ওপর দিয়ে অগ্রসর হবে।

চাঁদের প্রচ্ছায়া আর্কটিক অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে পশ্চিম আইসল্যান্ড, উত্তর-পূর্ব পর্তুগাল এবং উত্তর স্পেন অতিক্রম করবে। বিশেষ করে স্পেনের লিওন, বুর্গোস, ভায়াদোলিদ, সানতান্দের, বিলবাও, জারাগোজা, ভ্যালেন্সিয়া ও পালমা শহর থেকে এই বিরল দৃশ্য সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

স্পেনে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২৭ মিনিটের দিকে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে পূর্ণগ্রাস শুরু হবে, যা অবস্থানভেদে সর্বোচ্চ ১১০ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। রাজধানী মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা পূর্ণগ্রাসের মূল বলয়ের ঠিক বাইরে থাকলেও সেখান থেকেও সূর্যের ৯৯ শতাংশের বেশি অংশ ঢেকে যেতে দেখা যাবে।

ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষ পূর্ণগ্রাসের মূল পথে অবস্থান করবেন, যাদের বেশিরভাগই স্পেনের বাসিন্দা। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৮ কোটি মানুষ-অর্থাৎ বিশ্বের প্রতি আটজনের একজনের বেশি-সূর্যের আংশিক বা পূর্ণ রূপ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।

পূর্ণ সূর্যগ্রহণ কেন ঘটে?
চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে দাঁড়ায় এবং সূর্যের আলো পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ঢেকে দেয়, তখন সূর্যগ্রহণ ঘটে। চাঁদের ছায়া সূর্যের পুরো চাকতিকে ঢেকে ফেললে তাকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়। সূর্যের ব্যাস চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বড় হলেও এটি পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে অবস্থিত। ফলে পৃথিবী থেকে দুটি বস্তুকে আকাশে প্রায় সমান আকারের মনে হয় এবং পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি বছর দুই থেকে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ (আংশিক, বলয়গ্রাস, পূর্ণগ্রাস ও সংকর) ঘটে থাকে। তবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলক বিরল; প্রতি এক শতকে গড়ে প্রায় ৬৬ বার বা দেড় বছর পরপর এটি ঘটে থাকে। মোট সূর্যগ্রহণের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আংশিক, এক-তৃতীয়াংশ বলয়গ্রাস, এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি পূর্ণগ্রাস এবং মাত্র ৫ শতাংশ সংকর ধরনের হয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত অঞ্চলে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে বলে কোটি কোটি মানুষ এই বিরল মহাজাগতিক ঘটনাটি উপভোগ করার প্রহর গুনছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি