খুঁজুন
                               
, ,
           

বাথরুম থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
বাথরুম থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-খ্যাত তারকা টাইলার ডাকওয়ার্থের মরদেহ তার নিজ বাসার বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে টাইলারের মা জনি ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।

গ্র্যান্ড ফর্কস পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সকালে টাইলারের নিচতলার প্রতিবেশীরা তাদের সিলিং দিয়ে পানি পড়তে দেখেন। পরে পুলিশ টাইলারের বাসায় গিয়ে বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিক তদন্তে তার মৃত্যুর পেছনে কোনো নাশকতা বা রহস্যজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

আকস্মিক মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে মিনিয়াপলিসে অনুষ্ঠিত ‘দ্য চ্যালেঞ্জ ম্যানিয়া ইভেন্টে’ অংশ নিয়েছিলেন টাইলার। সেখানে সহকর্মীদের সঙ্গে তোলা ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন তিনি।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে রিয়ালিটি শো অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

২০০৬ সালে এমটিভির রিয়ালিটি শো ‘দ্য রিয়েল ওয়ার্ল্ড: কি ওয়েস্ট’-এর মাধ্যমে টেলিভিশন জগতে পরিচিতি পান টাইলার ডাকওয়ার্থ। সাঁতারু হিসেবেও তার পরিচিতি ছিল।

পরবর্তী সময়ে ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-এর একাধিক আসরে অংশ নিয়ে রিয়ালিটি শোপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। তবে শোবিজের বাইরেও তার আরেকটি পরিচয় ছিল—তিনি শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

৪৪ বছর বয়সে টাইলারের আকস্মিক মৃত্যু তার সহকর্মী ও ভক্তদের জন্য গভীর শোকের সংবাদ হয়ে এসেছে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি রিপোর্ট পাওয়ার পরই বিস্তারিত জানা যাবে।

কালের আলো/এসএ

হামে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়াল ৯০০, একদিনে প্রাণ গেল ৮ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
হামে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়াল ৯০০, একদিনে প্রাণ গেল ৮ জনের

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭২৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৭০ জন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামের পরিস্থিতি বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ শিশু। উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮০০ জনে।

এ ছাড়া গত এক দিনে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭২৮ জনের শরীরে। ফলে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ জনে।

এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৪ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে হামের উপসর্গজনিত মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

অবসর ভাতা পেতে শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
অবসর ভাতা পেতে শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

অবসর ভাতা পেতে বেসরকারি শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অর্থ যথাসময়ে অনলাইনের মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে দীর্ঘ চার বছর ধরে আটকে থাকা ৭০ হাজার ১১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার বকেয়া ভাতা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। সরকারের এককালীন ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় iBAS+ সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। আগামী দিনগুলোতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানি ছাড়াই অনলাইনে যথাসময়ে তাদের প্রাপ্য অর্থ ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে যাবে।

শিক্ষকদের ভোগান্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দিয়ে লাখো শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলেন, তাদের নিজেদের প্রাপ্য অর্থ পেতে ঘুষ দিতে বা বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হলে তা শুধু শিক্ষকদের হয়রানি নয়, বরং জাতি হিসেবে আমাদের জন্যও লজ্জার।

প্রধানমন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়াটি সহজ ছিল না। তার দাবি, আগের সরকারের সময় ব্যাংক-বিমাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের দুটি তহবিলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাল ইনডেক্স তৈরি এবং দুর্বল ব্যাংকে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার কারণে তহবিল দুটি প্রায় দেউলিয়া হয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, এর ফলে ২০২২ সাল থেকে শিক্ষকরা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। বর্তমান সরকার বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের দুরবস্থার কথা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করেছে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের কল্যাণে ১৯৯১ সালে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট এবং ২০০২ সালে অবসর সুবিধা বোর্ড প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা ছিল।

প্রধানমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমাজের ‘আলোকবর্তিকা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পেশাগত জীবন থেকে অবসর নিলেও সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি শিক্ষকদের দায়িত্ব শেষ হয় না।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ভোর থেকে জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
ভোর থেকে জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের টার্মিনাল সামিট পুরোদমে এবং এক্সিলারেট এনার্জি আংশিকভাবে চালু হওয়ায় শনিবার ভোর থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। টানা ২৫ দিন তীব্র গ্যাস সংকটের পর এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে। তবে সংকট পুরোপুরি কাটতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে এলএনজি আমদানি তদারকি করে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। আর আমদানির কাজ করে পেট্রোবাংলার কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।

এলএনজি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা জানান, শনিবার ভোর ৪টা থেকে সামিটের টার্মিনাল থেকে ৪৬ কোটি ঘনফুট এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট করে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান বলেন, দুটি টার্মিনাল থেকেই এখন গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক সক্ষমতায় সরবরাহ করছে। সরবরাহ বাড়ায় গ্রাহকেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট এবং দেশীয় কোম্পানি সামিটের টার্মিনালের সক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট।

গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যায়। এতে গ্যাস সরবরাহ কমে সংকট আরও তীব্র হয়। রান্নার চুলা থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় লোডশেডিংও বেড়ে যায়। পাশাপাশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের জন্য ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, এক্সিলারেটের টার্মিনালে দুটি বয়লার রয়েছে। প্রতিটির সক্ষমতা ৩০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে একটি বয়লার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অক্ষত বয়লারটি থেকে ৬ আগস্ট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। তবে গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় কারিগরি কারণে এক্সিলারেট থেকে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি মেরামতের পর ওই বয়লার থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এটি চালু করতে কাজ চলছে। চালুর আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে। এতে এক্সিলারেট থেকে ৭২ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এটি কবে করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে; এখনো নির্দিষ্ট সময় ঠিক হয়নি। এ জন্য আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।

এদিকে এলএনজি না পাওয়ায় গত সোমবার সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমানো হয়। মঙ্গলবার তা ২০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। বুধবার থেকে গত বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ১০ কোটি ঘনফুট করে সরবরাহ করা হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভিটলের একটি জাহাজ বঙ্গোপসাগরে আসে। সন্ধ্যা ৭টায় ওই জাহাজ থেকে সামিটের টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়। খালাসে প্রায় আট ঘণ্টা সময় লাগে। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা থেকে টার্মিনালে থাকা মজুত থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে সামিট। শুরুতে সাড়ে ৯ কোটি ঘনফুট করে সরবরাহ করা হলেও ভোররাতে তা বেড়ে ৪৬ কোটি ঘনফুটে পৌঁছায়। আরও ৭ থেকে ৮ কোটি ঘনফুট সরবরাহ বাড়ানো হতে পারে।

এর আগে বঙ্গোপসাগরে আসা সৌদি আরামকোর এলএনজি জাহাজটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত এলএনজি নিয়ে আসা জাহাজগুলোর মতো সৌদি আরামকোর পাঠানো আগের জাহাজটি ছিল না। জাহাজ থেকে জাহাজে এলএনজি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য থাকতে হয়, যা ওই জাহাজটির ছিল না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকায় টার্মিনাল থেকে আগেই আপত্তি জানানো হয়েছিল। এরপরও আরামকো জাহাজটি পাঠায়। কয়েক দিন সাগরে অপেক্ষা করলেও ওই জাহাজ থেকে এলএনজি নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পেট্রোবাংলার দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সমুদ্রে কিছুটা বৈরী আবহাওয়ার কারণে আরামকোর জাহাজটি থেকে এলএনজি নেওয়া সম্ভব হয়নি। সমুদ্র শান্ত থাকলে হয়তো ওই জাহাজ থেকে এলএনজি নেওয়া যেত। পরে জাহাজটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরামকোর পরিবর্তে আরেকটি এলএনজি জাহাজ পাঠানো হবে। ভিটল এশিয়ার নতুন জাহাজটি থেকে এলএনজি নিতে কোনো সমস্যা হয়নি। মহেশখালীর দুটি টার্মিনাল এসব জাহাজ থেকে নিয়মিত এলএনজি নিতে অভ্যস্ত।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। ৩০০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা গেলেও মোটামুটি সব খাতে সরবরাহ ধরে রাখা যায়। স্বাভাবিক সময়ে অবশ্য ২৭০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত সরবরাহ করে রেশনিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। এক্সিলারেট বন্ধের আগে এ হারে এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল।

গতকাল বিকেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল। এখন তা বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট হয়েছে। তবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখনো দৈনিক ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে এই ঘাটতি পূরণ হতে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ