খুঁজুন
                               
, ,
           

শেষ একনেক সভায় মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
শেষ একনেক সভায় মির্জা ফখরুল

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় শেষবারের মতো অংশ নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের সভা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মির্জা ফখরুল অংশ নেন।

সভায় স্বাস্থ্য, নৌপরিবহন, সড়ক, পানি সম্পদ, স্থানীয় সরকার, প্রাণিসম্পদ ও বিদ্যুৎ খাতের নতুন ও সংশোধিত মিলিয়ে মোট ১১টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৪৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮ হাজার ৭৭৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ হাজার ৩৬১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। একটি প্রকল্পে সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নও রয়েছে।

উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- ঢাকা মেডিকেল কলেজের অনুপযোগী স্থাপনা পুনর্নির্মাণ, ১০টি মেডিকেল কলেজে ১৯টি হোস্টেল ভবন নির্মাণের সংশোধনী, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জন্য দুটি প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার কেনা, গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ, ধরলা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ, সীতাকুণ্ডে উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ এবং তুরাগ নদ ও গোড়ানচটবাড়ী রিটেনশন পন্ড সংরক্ষণ প্রকল্প।

এ ছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সক্ষমতা জোরদারকরণ, জামালপুরে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ডেসকোর এলাকায় বিদ্যুৎ অবকাঠামো সম্প্রসারণ প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাবও সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

সভায় প্রকল্পগুলোর ব্যয়, অর্থায়ন কাঠামো ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ কক্ষে ভোট গ্রহণ হবে।

গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট শূন্য পদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনে নির্বাচন চান সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফেদোরভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনে নির্বাচন চান সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফেদোরভ

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ চলমান থাকলেও ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ। তাঁর এই দাবিকে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নেতৃত্বের জন্য রুশ আগ্রাসন শুরুর পর অন্যতম বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার ইউটিউবে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ৩৫ বছর বয়সী ফেদোরভ বলেন, ‘রাশিয়ার হাতে আমাদের গণতন্ত্রকে জিম্মি করে রাখা যায় না।’ তাঁর মতে, ইউক্রেন যে স্বাধীন ইউরোপীয় রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে চায়, যুদ্ধের অন্যতম কারণ সেটিই।

২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেনে সামরিক আইন জারি রয়েছে। দেশটির আইনে সামরিক আইন চলাকালে নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ নেই। জেলেনস্কির পাঁচ বছরের প্রেসিডেন্ট মেয়াদও ২০২৪ সালের মে মাসে শেষ হয়েছে। তবে সামরিক আইন বহাল থাকায় নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

ফেদোরভ তাঁর ভিডিওতে সরাসরি জেলেনস্কির নাম উল্লেখ করেননি। তবে তিনি ইউক্রেনকে ‘শাসনব্যবস্থার একটি পদ্ধতিগত সংকটের’ মুখোমুখি বলে মন্তব্য করেন এবং বলেন, দেশটি পরিবর্তনকে ভয় পাচ্ছে।

তিনি যুদ্ধের মধ্যেও নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি ‘আইনসম্মত, নিরাপদ ও বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা’ তৈরির আহ্বান জানান, যাতে ইউক্রেন পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারে।

তবে ফেদোরভ নিজের কোনো রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা জানাননি।

গত মাসে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ছয় মাসের মাথায় অপ্রত্যাশিতভাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ফেদোরভকে। তাঁর অপসারণের পেছনে সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ ওলেক্সান্দর সিরস্কির সঙ্গে মতবিরোধকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

ফেদোরভকে সরকারের অন্য পদে যাওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে সামরিক উদ্ভাবনবিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর পদও ছিল। তবে তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেই ফিরতে চান বলে জানিয়েছিলেন।

ফেদোরভকে সরানোর পর তাঁর সমর্থনে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভও হয়। এর কয়েক দিনের মধ্যে সিরস্কিকেও তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হওয়ার আগে ইউক্রেনের ডিজিটাল রূপান্তরবিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন ফেদোরভ। রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের শুরুর দিকে তিনি ‘আইটি আর্মি অব ইউক্রেন’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ গড়ে তোলেন।

পরবর্তীতে ‘আর্মি অব ড্রোনস’ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর জন্য তহবিল সংগ্রহেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকাকালে ড্রোন, প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধব্যবস্থা এবং সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহে বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি।

এমনকি রাশিয়ার ড্রোন হামলায় স্টারলিংক স্যাটেলাইট ব্যবহারের অভিযোগের পর স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের কাছেও ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন ফেদোরভ।

ফেদোরভের নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান ইউক্রেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি সংসদ নির্বাচনও সামরিক আইন চলাকালে আয়োজন করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ।

রুশ হামলার ঝুঁকি, বাস্তুচ্যুত লাখো ভোটার এবং বিদেশে থাকা ইউক্রেনীয় নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাসহ নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নানা বিষয় নির্বাচন আয়োজনকে জটিল করে তুলতে পারে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে যুদ্ধকে নির্বাচনের পথে বাধা হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিলেন। জেলেনস্কি তখন জানিয়েছিলেন, মিত্ররা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিলে ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের জন্য ইউক্রেন প্রস্তুত।

এদিকে ফেদোরভের নির্বাচনের দাবির মধ্যেই ইউক্রেনে রুশ হামলা ও পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে মঙ্গলবারের রুশ হামলায় ইউক্রেনে ১৭ জন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ফলে যুদ্ধের মধ্যেই ফেদোরভের নির্বাচন দাবির বিষয়টি এখন ইউক্রেনের গণতন্ত্র, নিরাপত্তা ও জেলেনস্কির নেতৃত্ব নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এসএ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট আবেদন হাইকোর্টে খারিজ হওয়ার পর এবার আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) আবেদনকারী আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করার কথা জানান।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে আদেশ দেন।

গত ১৩ আগস্ট জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী ও আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

রিটকারী আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দের দাবি, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না, যা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ব্যাহত করে। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হয়ে যায়।

এদিকে পূর্বনির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে লড়ছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ভোট দেবেন জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য। চট্টগ্রাম-৪ আসনটি বর্তমানে শূন্য থাকায় ভোটার সংখ্যা একজন কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪৯-এ।

ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের নাম থাকবে। সংসদ সদস্যরা পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে স্বাক্ষর করে ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দেবেন।

ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ কক্ষেই ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ভোটগ্রহণের শুরুর অংশ সরাসরি সম্প্রচার করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর পদটি শূন্য হয়।

পরবর্তীতে ২০ আগস্ট ভোটের তারিখ নির্ধারণ করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পিংক বাস নিয়ে ট্রলকারীদের ‘নিম্নশ্রেণীর’ মন্তব্যে নিলয় আলমগীরের

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
পিংক বাস নিয়ে ট্রলকারীদের ‘নিম্নশ্রেণীর’ মন্তব্যে নিলয় আলমগীরের

রাজধানীতে নারীদের জন্য চালু হওয়া পিংক বাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও ট্রল অব্যাহত রয়েছে। এবার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন ছোট পর্দার অভিনেতা নিলয় আলমগীর।

এক ফেসবুক পোস্টে পিংক বাস নিয়ে ট্রলকারীদের সমালোচনা করেন তিনি। নিলয় বলেন, পিংক বাস নিয়ে মজা বা ট্রল করা স্বাভাবিক হলেও প্রশ্ন হলো- কারা এ ধরনের ট্রল করবেন?

নিজের পোস্টে এ প্রশ্নের উত্তরও দেন অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য, বাসের হেল্পার ও ড্রাইভাররা এ ধরনের মজা করতে পারেন। তবে পরে তিনি বিষয়টি আরও নির্দিষ্ট করে কিছু চালক ও সহকারীকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন।

নিলয় লেখেন, সব চালক বা হেল্পার নয়, বরং ‘খুবই নিম্নশ্রেণীর, অশিক্ষিত, নোংরা মন মানসিকতার’ চালক-সহকারীরাই এমন ট্রল করতে পারেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই পিংক বাস নিয়ে মজা করছেন—এমন প্রসঙ্গ টেনে নিলয় মন্তব্য করেন, এসব ব্যক্তিকেও তিনি ওই শ্রেণির চালক ও সহকারীদের সঙ্গে তুলনা করছেন।

অভিনেতার এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ তাঁর মন্তব্যকে পিংক বাস নিয়ে অশালীন ট্রলের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ তাঁর ব্যবহৃত ‘নিম্নশ্রেণীর’ শব্দচয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

পিংক বাস চালুর পর থেকেই এর রং, ব্যবস্থাপনা ও নারীদের জন্য আলাদা পরিবহনব্যবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। নিলয় আলমগীরের মন্তব্য সেই আলোচনাকেই আরও উসকে দিয়েছে।

কালের আলো/এসএ