খুঁজুন
                               
, ,
           

আমিরাতের আল মিনহাদ ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
আমিরাতের আল মিনহাদ ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনা ও হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে কয়েক ডজন বিস্ফোরক ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। সোমবার ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, আগের দিন ইরানের লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ইরানের সেনাবাহিনীর দাবি, আল মিনহাদ ঘাঁটির যেসব এলাকায় মার্কিন সামরিক সদস্য ও হেলিকপ্টার অবস্থান করছিল, সেসব স্থানকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানো হয়। ইরান ঘাঁটিটিকে বিদেশি বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরবরাহ ও বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে আরও প্রতিশোধমূলক হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।

তবে ইরানের এই দাবি অস্বীকার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর ‘ভুল’। একই সময়ে আমিরাত জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমার কাছে ইরান থেকে আসা একটি ড্রোন শনাক্ত হওয়ার পর দেশটির বিমানবাহিনী ব্যবস্থা নিয়েছে।

এর আগে রোববার ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রের নিচে মাইন স্থাপনের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে—এমন রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের দাবি, ওই হামলায় তাদের কয়েকজন সদস্য ও বেসামরিক মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন।

এর পর ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড দাবি করে, হরমুজ প্রণালির ওপর একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। একই সময়ে জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনাতেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তার দেশ যুদ্ধ চায় না। তবে কোনো ধরনের আগ্রাসনের মুখে ইরান নীরব থাকবে না এবং ভবিষ্যতে হামলা হলে ‘দৃঢ় জবাব’ দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পর ইরানের পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

 

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার আলোচনা

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি-এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহদ শুহাদা ওথমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

বিশেষ করে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, নিয়মিত যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, বিশেষায়িত কোর্স ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তর, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামরিক সরঞ্জাম ও লজিস্টিকস সহায়তার বিষয়েও আলোচনা হয়।

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন খাতে দুই দেশের মধ্যে যৌথ অংশীদারত্বের সম্ভাবনাও বৈঠকে উঠে আসে।

সাক্ষাৎকালে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগ, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করেন, প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি শিক্ষায় পরিবর্তন আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি শিক্ষায় পরিবর্তন আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে শিল্পের চাহিদাভিত্তিক করতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষার বিদ্যমান দুর্বলতা ও ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা শিল্পের চাহিদাভিত্তিক। সেখানে কারিকুলাম, ল্যাব, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংযোগ একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশেও এ ধরনের একটি ‘ইকোসিস্টেম’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

মিলন বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে কার্যকর করতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন যথেষ্ট নয়। সময়োপযোগী কারিকুলাম তৈরি, আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন, দক্ষ শিক্ষক তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

চীনা কোম্পানিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী ভাষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

শিক্ষক সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরেই বিপুলসংখ্যক শিক্ষক প্রয়োজন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ম অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি সরকার সমন্বয় করছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষার শক্তি ও দুর্বলতা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে। এ খাতে বাজেট ও কারিগরি সহযোগিতার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে এসব উদ্যোগের বাস্তব অগ্রগতি দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির ভূমিকার প্রশংসা রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির ভূমিকার প্রশংসা রাষ্ট্রপতির

সীমান্ত রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে চোরাচালান, মাদক ও মানবপাচার, পুশইন এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে বাহিনীকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং জানায়, সাক্ষাতের শুরুতে বিজিবি মহাপরিচালক রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি বিজিবির সার্বিক কার্যক্রম এবং সীমান্তে নজরদারি জোরদারে অত্যাধুনিক ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও মানবপাচার বন্ধে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে বিজিবির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিজিবিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি