খুঁজুন
                               
, ,
           

গোপনেই বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত, স্বামী কে?

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
গোপনেই বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত, স্বামী কে?

ব্যক্তিজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এতদিন আড়ালে রেখেছিলেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রোফাইলে ‘গট ম্যারিড’ যুক্ত করার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। পরে এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন এই অভিনেত্রী।

মিষ্টি জানিয়েছেন, তার জীবনসঙ্গী একজন ব্যবসায়ী। তবে ব্যবসার পাশাপাশি মিডিয়া অঙ্গনের সঙ্গেও তার কিছুটা যোগাযোগ রয়েছে। আপাতত স্বামীর নাম, পেশার বিস্তারিত কিংবা বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করতে চান না তিনি।

অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশেই তাদের বিয়ে হয়েছে। তবে কোথায় এবং ঠিক কবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে, তা জানাতে নারাজ তিনি। এমনকি তাদের সম্পর্ক কতদিনের, সেটিও প্রকাশ করেননি।

মিষ্টি জানিয়েছেন, এটি পারিবারিকভাবে ঠিক করা কোনো সম্পর্ক নয়। ভালোবাসার সম্পর্ক থেকেই তাদের বিয়ে হয়েছে। তবে ব্যক্তিজীবনের সব তথ্য একসঙ্গে প্রকাশ করতে চান না তিনি। তার মতে, সব রহস্য একবারে ফাঁস করে দিলে ‘সাসপেন্স’ বলে আর কিছু থাকে না।

তবে স্বামীকে সবসময় আড়ালে রাখার পরিকল্পনা নেই মিষ্টির। উপযুক্ত সময় এলে তাকে প্রকাশ্যে আনবেন বলে জানিয়েছেন। এমনকি ভবিষ্যতে ইতালিতে কোনো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বামীকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

মিষ্টি আরও জানান, বিয়েটি হঠাৎ নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। বেশ কিছুদিন আগেই তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। ব্যক্তিগত কিছু কারণেই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি তিনি।

বিয়ের খবর গোপন রাখার পেছনে বিরক্তিকর কিছু অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার দাবি, প্রেম ও বিয়ে নিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে নিয়মিত ফোন ও নানা ধরনের প্রস্তাব পেতেন। কেউ দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করতেন, আবার কেউ বিদেশে গিয়ে দেখা করার প্রস্তাবও দিতেন। এমনকি সরাসরি প্রেমের প্রস্তাবও পেয়েছেন তিনি।

এসব ঘটনায় একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে যান মিষ্টি। তার মতে, একজন অভিনেত্রী হলেই তার ব্যক্তিগত পরিসরে যেকোনো সময় ফোন করে দেখা করতে চাওয়া কিংবা ব্যক্তিজীবনে প্রবেশের চেষ্টা করা গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কারণেই শেষ পর্যন্ত বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

বিয়ে হলেও এখনই পুরোপুরি সংসার জীবনে প্রবেশ করেননি বলে জানিয়েছেন মিষ্টি। বর্তমানে নিজের মতো করেই সময় কাটাচ্ছেন। ভবিষ্যতে স্বামীর সঙ্গে সুন্দর ও স্বাভাবিক সংসারজীবন গড়ে তুলতে চান তিনি। এজন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ

বস্তি থেকে দুর্গম পাহাড়ে পৌঁছাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
বস্তি থেকে দুর্গম পাহাড়ে পৌঁছাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

একটি কার্ড। মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা। আর সেই অর্থ যাবে সরাসরি পরিবারের হাতে। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী নয়, থাকবে ডিজিটাল পরিচয় ও গভর্নমেন্ট টু পারসন বা জি-টু-পি পদ্ধতি। দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তার প্রচলিত কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে এবার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬’-এর আওতায় দেশের প্রায় ২ কোটি অতি দরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে নিয়মিত নগদ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নীতিমালাটি প্রকাশ করা হয়। এই কর্মসূচির বিশেষ দিক হলো—সহায়তা দেওয়া হবে ব্যক্তি ধরে নয়, পরিবারকে একটি ইউনিট হিসেবে বিবেচনা করে। আর পরিবারে নারী সদস্যের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে কার্ডটি সাধারণত পরিবারের মা, বয়োজ্যেষ্ঠ বা দায়িত্বশীল নারীর নামে ইস্যু করা হবে।

সমতল থেকে দুর্গম পাহাড়—বাদ যাবে না কেউ
ফ্যামিলি কার্ড শুধু শহর বা সমতলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সীমাবদ্ধ থাকছে না। নীতিমালায় দেশের তৃণমূল থেকে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাড়া পর্যন্ত সব জনগোষ্ঠীকে কর্মসূচির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। এ জন্য স্থানীয় পর্যায়ে কমিটি কাজ করবে। অর্থাৎ ভৌগোলিক অবস্থান বা দুর্গমতার কারণে যাতে দরিদ্র পরিবার বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যেই তৈরি করা হচ্ছে স্থানীয় পর্যায়ের বাছাই কাঠামো। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। পাইলট কর্মসূচির আওতায় রাজধানীর কড়াইল, অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ী বস্তিসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নির্বাচিত এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ছিল রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ। পাইলট পর্যায়ের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই এবার বড় পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাঠামো তৈরি হলো।

মাসে ২,৫০০ টাকা, তবে পরিবারের আকারেও আছে হিসাব
নীতিমালা অনুযায়ী, লক্ষ্যভুক্ত পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। তবে পাঁচ সদস্যের বেশি পরিবারকে সর্বোচ্চ দুটি কার্ড এবং পরিবারের সদস্যসংখ্যা ১০ জনের বেশি হলে ক্ষেত্রবিশেষে তিনটি কার্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। অর্থাৎ পরিবারের সদস্যসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে বৃহৎ ও অতি দরিদ্র পরিবারগুলো তুলনামূলক বেশি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবে। তবে কারা এই সুবিধা পাবেন, তার পাশাপাশি কারা পাবেন না—নীতিমালায় সেটিও স্পষ্ট করা হয়েছে।

আট কারণে মিলবে না ফ্যামিলি কার্ড
নীতিমালায় একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক, পেশাগত ও সম্পদগত সক্ষমতা থাকলে পরিবারটি এই সুবিধার বাইরে থাকবে। সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতন-ভাতা পাওয়া নারীপ্রধান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী কিংবা নিয়মিত সরকারি পেনশনভোগী পরিবার এই সুবিধা পাবে না। একইভাবে পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি জাতীয় সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত বা ফিক্সড ডিপোজিট থাকলেও বাদ পড়তে হবে। তিন বা চার চাকার মোটরযান, বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা থাকলেও মিলবে না কার্ড। পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে কিংবা করযোগ্য আয় থাকলেও পরিবারটি অযোগ্য বিবেচিত হবে। এ ছাড়া বসতভিটাসহ মোট আবাদি জমি শূন্য দশমিক ৫০ একর বা তার বেশি হলে এবং কোনো অকৃষি বা বাণিজ্যিক জমি বা স্পেসের বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলেও পরিবারটি কর্মসূচির বাইরে থাকবে।

বড় চ্যালেঞ্জ বাছাইয়ে স্বচ্ছতা
ফ্যামিলি কার্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে এর ডিজিটাল কাঠামো। অনন্য একক পরিচিতি এবং জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি উপকারভোগীর কাছে অর্থ পৌঁছানোর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমানোর সুযোগ রয়েছে। তবে একই সঙ্গে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রকৃত দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করা। স্থানীয় পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাব, তথ্যের ভুল এবং প্রকৃত সুবিধাভোগী বাদ পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই শুধু ডিজিটাল কার্ড করলেই হবে না; তথ্য যাচাই ও অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাও শক্তিশালী করতে হবে।

ব্যক্তি নয়, পরিবার—দর্শনে বড় পরিবর্তন
সরকারের নীতিমালায় এই কর্মসূচির মূল দর্শন—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। এর মাধ্যমে শুধু নগদ অর্থ দেওয়া নয়, পরিবারকে একটি স্বনির্ভর ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে নারীর নামে কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্তটি সামাজিক নিরাপত্তাকে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক নারীদের পরিবারের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে ২ কোটি পরিবারকে নিয়মিত অর্থ দেওয়া যেমন বিশাল কর্মযজ্ঞ, তেমনি এর সঠিক বাস্তবায়নও বড় পরীক্ষা। ফ্যামিলি কার্ড শেষ পর্যন্ত দরিদ্র মানুষের হাতে নিয়মিত সহায়তার নিশ্চয়তা হয়ে উঠবে, নাকি বাছাই ও বাস্তবায়নের দুর্বলতায় হারিয়ে যাবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

তৃতীয়বার জুটি বাঁধছেন শাকিব-ইধিকা, ‘নিঃস্ব’তে হ্যাটট্রিক

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
তৃতীয়বার জুটি বাঁধছেন শাকিব-ইধিকা, ‘নিঃস্ব’তে হ্যাটট্রিক

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও কলকাতার অভিনেত্রী ইধিকা পাল আবারও জুটি বাঁধছেন। মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত বিগ-বাজেট সিনেমা ‘নিঃস্ব’-তে তৃতীয়বারের মতো একসঙ্গে দেখা যাবে তাদের। সবকিছু ঠিক থাকলে সিনেমাটি হবে শাকিব-ইধিকা জুটির তৃতীয় সিনেমা।

২০২৩ সালে হিমেল আশরাফ পরিচালিত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার বড় পর্দায় জুটি বাঁধেন শাকিব ও ইধিকা। ইধিকার ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাই তাকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি। সিনেমাটিতে তাদের প্রেমের রসায়ন দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।

এরপর দুই বছরের বিরতিতে আবারও একসঙ্গে পর্দায় হাজির হন তারা। ২০২৫ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া মেহেদী হাসান হৃদয়ের ‘বরবাদ’ সিনেমায় অ্যাকশন ও রোমান্টিকতার মিশেলে নতুনভাবে দেখা যায় এই জুটিকে। সিনেমাটিতেও তাদের রসায়ন দর্শকের নজর কাড়ে। প্রযোজনা সংশ্লিষ্টদের দাবি, বক্স অফিসেও সিনেমাটি বড় সাফল্য পেয়েছে।

দুটি সিনেমার পর এবার তৃতীয়বার একসঙ্গে আসছেন শাকিব-ইধিকা। ফলে ‘নিঃস্ব’ নিয়ে দর্শকের আগ্রহও বাড়ছে। আগের দুই সিনেমার সাফল্যের কারণে নতুন সিনেমাটিকে ঘিরে প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে।

সিনেমাটির নায়িকা কে হচ্ছেন, তা নিয়ে শুরু থেকেই নানা আলোচনা ছিল। একপর্যায়ে ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাবিলা নূরের নামও শোনা যায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র সেই গুঞ্জন নাকচ করে ইধিকা পালকেই চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছে।

তবে নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নায়িকার নাম ঘোষণা করেননি। বিশেষ একটি অ্যানাউন্সমেন্ট ভিডিওর মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে ‘নিঃস্ব’-এর চিত্রনাট্য ঘষামাজার কাজ চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সিনেমাটির শুটিং শুরু হতে পারে। ২০২৭ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরকে লক্ষ্য করে মুক্তির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

‘প্রিয়তমা’র প্রেম ও আবেগের পর ‘বরবাদ’-এ অ্যাকশন-রোমান্স—দুই সিনেমায় শাকিব-ইধিকা জুটির ভিন্ন ভিন্ন রূপ দেখেছেন দর্শক। এবার ‘নিঃস্ব’-তে নতুন গল্প ও চরিত্রে তাদের রসায়ন কতটা জমে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

কালের আলো/এসএ

এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন রুনা খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন রুনা খান

সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। এ পুরস্কারকে এশিয়ার নোবেলখ্যাত সম্মান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

রুনা খানের সঙ্গে এ বছর আরও দুজন এই সম্মান পেয়েছেন। তারা হলেন সিঙ্গাপুরের কূটনীতিক, আইনজীবী, অধ্যাপক ও লেখক টমি কোহ এবং মিয়ানমারের মানবাধিকারকর্মী বো চি।

র‍্যামন ম্যাগসাইসাই ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁর নেতৃত্ব, মানবসেবা ও জনকল্যাণের মূল্যবোধকে স্মরণ করে তাঁর নামে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৫৭ সালে তাঁর মৃত্যুর পর একই বছর র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৮ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।

প্রতিবছর ৩১ আগস্ট ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিনে ম্যানিলা থেকে পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এ বছর তাঁর ১১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৬ সালের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৬৮তম র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

ফাউন্ডেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পুরস্কারজয়ীদের এমন কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যা মানুষের সেবা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা গড়ে তুলতে সহায়তার মতো মূল্যবোধকে ধারণ করে।

উল্লেখ্য, রুনা খান ২০০২ সালে ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংস্থাটি দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে আসছে। দারিদ্র্য, বৈষম্য, পরিবেশগত সংকট ও সামাজিক অবিচারের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

রুনা খানের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের সমাজসেবা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালের আলো/এমএসআইপি