খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা সীমিত করল মালয়েশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা সীমিত করল মালয়েশিয়া

বাংলাদেশসহ ৩১টি দেশের নাগরিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা (এমইভি) সুবিধা সীমিত করেছে মালয়েশিয়া। নতুন নীতির ফলে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভিজিট ভিসায় এক বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পাওয়ার সুযোগ কমে যাবে। সাধারণত তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সব দেশের নাগরিকদের জন্য ঢালাওভাবে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হবে না। দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার ৩১টি দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভিজিট ভিসায় এই সুবিধা বাতিল করে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত দেশগুলোর তালিকাও প্রকাশ করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

তবে নির্দিষ্ট কিছু মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবসা, চিকিৎসা, ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ এবং ওয়েডিং ট্যুরিজম।

ইমিগ্রেশন বিভাগের নতুন এই নীতি মূলত ভিজিট ভিসা বা সামাজিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি বা অন্যান্য বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট কিংবা কর্মসংক্রান্ত ভিসার ওপর এর সরাসরি কোনো প্রভাব নেই।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন ভিসা নীতির বিষয়টি জানানো হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার ( ২৪ অক্টোবর)  ভোরে রাজধানীর মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে হামলার সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। শিল্পী নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী বেগম সালমা আসিফ।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে বিষয়টি জানান সালমা আসিফ। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোর ৫টার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টার এলাকায় আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

নিরাপদে আছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর
গাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনায় আসিফ আকবরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও তিনি নিরাপদে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর স্ত্রী। ঘটনার সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন না। এতে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে গাড়িটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। হামলার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, পেশাগত কোনো দ্বন্দ্ব কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান আগামীর সময়কে জানান, ভোরবেলায় মগবাজারে শিল্পীর ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সে সময় আসিফ আকবর গাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। হামলার নেপথ্যের কারণ খুঁজে বের করা এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানার পাশাপাশি দায়ীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সংগীতের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও পরিচিত আসিফ
সংগীতাঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন আসিফ আকবর। তাঁর গানের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও রয়েছে পরিচিতি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এমন একজন পরিচিত ব্যক্তির ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে হামলার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চাইছে না পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।

সন্ধানী বার্তা/এসএ/আরআইকে

বাম্পার ফলনেও লোকসান, লাউ খাওয়াচ্ছেন গবাদিপশুকে

পঞ্চগড় সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
বাম্পার ফলনেও লোকসান, লাউ খাওয়াচ্ছেন গবাদিপশুকে

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে লাউয়ের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে ধস নেমেছে দামে। কোথাও এক টাকায় বিক্রি হচ্ছে চারটি লাউ, আবার কোথাও প্রতি পিসের দাম মিলছে মাত্র দুই থেকে পাঁচ টাকা। অথচ খুচরা বাজারে একই লাউ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। উৎপাদন খরচের তুলনায় এত কম দামে ফসল বিক্রি করতে গিয়ে চরম লোকসানে পড়েছেন কৃষকেরা। লোকসানের বোঝা সইতে না পেরে অনেক কৃষক লাউবাগানের পরিচর্যা বন্ধ করে দিয়েছেন। কেউ বাগান কেটে ফেলছেন, আবার কেউ ক্ষেতের লাউ গবাদিপশুকে খাওয়াচ্ছেন। ভালো ফলন পেয়েও ন্যায্য দাম না মেলায় হতাশ হয়ে পড়েছেন তাঁরা।

এক কেজি চাল কিনতে বিক্রি করতে হচ্ছে ২০০ লাউ
কৃষকদের অভিযোগ, লাউয়ের দাম এতটাই কমে গেছে যে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেও বিপুলসংখ্যক লাউ বিক্রি করতে হচ্ছে। তাঁদের ভাষ্য, এক কেজি মোটা চাল কেনার টাকা জোগাড় করতে প্রায় ২০০টি লাউ বিক্রি করতে হচ্ছে। আর কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা দরে এক কেজি গরুর মাংস কিনতে বিক্রি করতে হচ্ছে প্রায় তিন হাজারটি লাউ। পরিশ্রম করে ফসল ফলানোর পরও উৎপাদন খরচের সামান্য অংশ তুলতে না পারায় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। অনেকের আশঙ্কা, এভাবে লোকসান চলতে থাকলে আগামীতে লাউ চাষে আগ্রহ হারাবেন তাঁরা।

৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ, আয় মাত্র তিন হাজার
উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকার কৃষক দুলাল ইসলাম জানান, ৪০ শতক জমিতে লাউ চাষ করতে তাঁর প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু উৎপাদিত লাউ বিক্রি করে এখন পর্যন্ত পেয়েছেন মাত্র তিন হাজার টাকা।

এই সামান্য আয় দিয়ে শ্রমিকের মজুরিও পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান তিনি। ফলে জমিতে বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পাওয়া তো দূরের কথা, চাষাবাদের খরচ মেটানো নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এই কৃষক। একই নামের আরেক কৃষক জানান, লাউ চাষ করে কতটা লোকসানে পড়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। দুই থেকে তিন হাজার লাউ বিক্রি করেও এক কেজি গরুর মাংস কেনার টাকা পাওয়া যায় না। ন্যায্য দাম না পেয়ে বাধ্য হয়ে তিনি বাগান কেটে ফেলেছেন। কিছু লাউ গবাদিপশুকেও খাওয়াচ্ছেন।

তাঁর অভিযোগ, কৃষকের কাছ থেকে অল্প দামে লাউ কেনা হলেও খুচরা বাজারে সেই লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকায়। উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যবর্তী বাজারব্যবস্থায় দামের এই বড় ব্যবধান কৃষকদের দুরবস্থাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

পরিচর্যা বন্ধ, শ্রমিকের মজুরি দিতেও হিমশিম
উপজেলার ঝলঝলি উলারচাপ এলাকার কৃষক আনসারুল ইসলাম বলেন, লাউয়ের দাম না থাকায় গত ১০ দিন ধরে বাগানের পরিচর্যা বন্ধ রেখেছেন তিনি। একদিকে সার ও কীটনাশকের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি দিতে হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। অথচ ক্ষেতের লাউ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ পাঁচ টাকা পিস।

আনসারুল ইসলামের ভাষ্য, উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম দামে ফসল বিক্রি করতে হলে কৃষকের পক্ষে টিকে থাকা কঠিন। কষ্ট করে ফসল ফলিয়েও ন্যায্য দাম না পেলে একসময় মানুষ কৃষিকাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে। লাউ চাষে জমি প্রস্তুত করা, বীজ ও সার কেনা, কীটনাশক ব্যবহার এবং শ্রমিকের মজুরি—সব মিলিয়ে কৃষকদের বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। কিন্তু বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় সেই বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা থাকছে না।

উৎপাদন বেশি হওয়ায় কমেছে দাম
স্থানীয় ব্যবসায়ী সলেমান আলী বলেন, এবার আটোয়ারীতে লাউয়ের আবাদ ও ফলন—দুটিই ভালো হয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। বাইরের বাজারেও আশানুরূপ দাম না থাকায় কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। কৃষকদের ভাষ্য, বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার কার্যকর উদ্যোগের অভাবে ভালো ফলনও তাঁদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারেনি। উৎপাদন বেশি হলে বাজারে দাম কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকলেও সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় লোকসানের চাপ শেষ পর্যন্ত কৃষকদের ওপরই পড়ছে।

ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবি কৃষকদের
কৃষকদের মতে, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত করা এবং কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কেনার ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ ও সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন করা গেলে অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে দাম পড়ে যাওয়ার পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আটোয়ারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চগড় জেলায় প্রতিবছর প্রায় ৫৫০ থেকে ৬০০ হেক্টর জমিতে লাউ চাষ হয়। এ অবস্থায় উৎপাদন ভালো হওয়ার পরও কৃষকেরা যেন লোকসানে না পড়েন, সে জন্য বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

মডেল অভিনেত্রী তুলনা আল হারুন আর নেই

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
মডেল অভিনেত্রী তুলনা আল হারুন আর নেই

মডেল, অভিনেত্রী ও টেলিভিশন উপস্থাপিকা তুলনা আল হারুন আর নেই। ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘদিন লড়াইয়ের পর রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১১টা ৫ মিনিটে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ছোট ভাই আয়াজ।

তুলনার মৃত্যুতে দেশের বিনোদন ও ফ্যাশন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর প্রয়াণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন সহকর্মী, ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার, ডিজাইনার ও ভক্তরা। তবে মৃত্যুকালে তাঁর বয়স কত হয়েছিল, তা এখনো জানা যায়নি।

ব্রেন টিউমার থেকে ক্যান্সার শনাক্ত
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে তুলনা আল হারুনের ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। পরবর্তী সময়ে সেটি থেকে ক্যান্সার শনাক্ত হয়। এ জটিল রোগের চিকিৎসায় তাঁর অস্ত্রোপচারও করা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের পর কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি আবারও তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন তিনি। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

মডেলিং ও অভিনয়ে গড়েছিলেন স্বতন্ত্র পরিচিতি
দীর্ঘ কর্মজীবনে মডেলিং, অভিনয় ও টেলিভিশন উপস্থাপনার মাধ্যমে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন তুলনা আল হারুন। বিনোদন অঙ্গনের পাশাপাশি ফ্যাশন জগতেও পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার ও স্টাইলিস্ট হিসেবেও কাজ করেছেন এই শিল্পী।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের মাধ্যমে তিনি নিজের প্রতিভা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল। ব্যক্তিগত জীবনের নানা কঠিন সময় আড়ালে রেখেও ইতিবাচক মনোভাবের মাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতেন তিনি।

তুলনার মৃত্যুতে শোক সহকর্মী ও ভক্তদের
তুলনা আল হারুনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক জানাচ্ছেন তাঁর পরিচিতজন ও ভক্তরা। বিনোদন অঙ্গনের পাশাপাশি ফ্যাশন জগতের অনেকেই তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করছেন। তাঁর মৃত্যুতে একজন মডেল, অভিনেত্রী, উপস্থাপিকা ও ফ্যাশন পেশাজীবীকে হারাল দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

শনিবার জানাজা, দাফন রায়েরবাজারে
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৪ অক্টোবর) মোহাম্মদপুরের মনসুরাবাদ পিসিকালচার হাউজিংয়ের ৩ নম্বর রোডে তুলনা আল হারুনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁকে রাজধানীর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন।

কালের আলো/এসএ/ইএকে