খুঁজুন
                               
, ,
           

মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক কে?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক কে?

লিওনেল মেসির অবসরের পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের নতুন অধিনায়ক কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। তাঁর সঙ্গে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও লাওতারো মার্তিনেজের নামও আলোচনায় রয়েছে।

২৭ বছর বয়সী রোমেরো আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। টটেনহ্যামে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের প্রতিবেদনে তাঁকে অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রাখা হয়েছে। আর্জেন্টাইন রেডিও রেডিও মিত্রের দাবি, আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও রোমেরোকেই পছন্দ করেছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

রোমেরোর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম নায়ক এই গোলরক্ষক আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। মাঠে তাঁর নেতৃত্বগুণ ও সতীর্থদের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাও তাঁকে অধিনায়কত্বের সম্ভাব্য প্রার্থী করেছে।

তালিকায় রয়েছেন লাওতারো মার্তিনেজও। ইন্টার মিলানে অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনার বর্তমান সাফল্যের প্রায় পুরো পথেই ছিলেন এই ফরোয়ার্ড। গোল করার পাশাপাশি নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।

তবে নতুন অধিনায়ক বাছাইয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনির সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিশ্বকাপের পর স্কালোনি জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার পর ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ফলে তাঁর ভবিষ্যৎও আর্জেন্টিনার নেতৃত্বের বিষয়টিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। ওই ম্যাচগুলোর জন্য দল ঘোষণার সময়ই মেসির উত্তরসূরি হিসেবে নতুন অধিনায়কের নাম জানা যেতে পারে।

কালের আলো/এসএ

বিজেপি কি আবার কট্টর হিন্দুত্বের পথে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
বিজেপি কি আবার কট্টর হিন্দুত্বের পথে?

ভারতে রাজনৈতিক চাপ ও বিরোধীদের ক্রমবর্ধমান তৎপরতার মধ্যে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) আবারও কট্টর হিন্দুত্বের রাজনীতির দিকে ঝুঁকছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে দেড় শ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ ভেঙে ফেলা এবং বিভিন্ন রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর সাম্প্রতিক নানা তৎপরতা সেই আলোচনাকে জোরালো করেছে।

সাহারানপুরে সরকারি জমি দখলের অভিযোগে স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর জেলা শাসকের কার্যালয়ের কাছে অবস্থিত মসজিদটি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। মসজিদ কর্তৃপক্ষ নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও তা খারিজ হয়। তবে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার সুযোগ না দিয়েই মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়েছে—এমন অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আগামী বছরের শুরুতে উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে অসন্তোষের পাশাপাশি বিরোধী সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি বিজেপির জন্য নির্বাচনী কৌশল হয়ে উঠছে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

শুধু সাহারানপুর নয়, কাশী, মথুরা, সম্ভল ও মধ্যপ্রদেশের ভোজশালাসহ বিভিন্ন স্থানে মসজিদ বা মুসলিম স্থাপনার সঙ্গে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনার সম্পর্ক খোঁজার উদ্যোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। এসব বিষয়ে কোথাও আইনি লড়াই চলছে, কোথাও আবার রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব নিয়ে কট্টর অবস্থান প্রকাশ করছে। সংগঠনটির নেতারা ‘ধর্ম যার যার, উৎসবও তার তার’ স্লোগানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে দুর্গাপূজার মণ্ডপে আমিষ খাবারের স্টল এবং নবরাত্রির গরবা-ডান্ডিয়া অনুষ্ঠানে মুসলমানদের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করেছেন। রামলীলায় অহিন্দু অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অংশগ্রহণ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।

এসব বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে ভারতে ধর্মীয় বিভাজন ও রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকে। বিরোধীদের অভিযোগ, বিজেপিবিরোধী জনঅসন্তোষ মোকাবিলায় কট্টর হিন্দুত্বকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে দলীয়ভাবে বড় কোনো অবস্থান এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

কালের আলো/এসএ

অক্ষয়-শিল্পার বিয়ে প্রায় ঠিকই হয়ে গিয়েছিল: নির্মাতা সুনীল

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
অক্ষয়-শিল্পার বিয়ে প্রায় ঠিকই হয়ে গিয়েছিল: নির্মাতা সুনীল

বলিউডের নব্বইয়ের দশকের আলোচিত জুটি অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির প্রেমের সম্পর্ক বিয়ের পর্যায় পর্যন্ত গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন নির্মাতা সুনীল দর্শন। তবে ভুল–বোঝাবুঝির কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায় বলে জানান তিনি।

১৯৯৯ সালে অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠিকে নিয়ে ‘জানওয়ার’ নির্মাণ করেছিলেন সুনীল দর্শন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন অক্ষয় ও শিল্পার সম্পর্ক ভালোই চলছিল। তাঁর মনে হয়েছিল, দুজনের বিয়ে প্রায় ঠিক হয়ে গেছে। পরে কিছু ভুল–বোঝাবুঝির কারণে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।

নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে অক্ষয় ও শিল্পার প্রেমের খবর বলিউডে ব্যাপক আলোচিত ছিল। ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’, ‘ইনসাফ’ ও ‘জানওয়ার’-এর মতো সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তাঁরা।

অক্ষয়ের ক্যারিয়ারের কঠিন সময়ের কথাও স্মরণ করেন সুনীল। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে একাধিক সিনেমা ব্যর্থ হওয়ার পর ১৯৯৯ সালের ‘জানওয়ার’ তাঁর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে বলে মনে করেন এই নির্মাতা। সিনেমাটির সাফল্যের পর অক্ষয়ের তারকাখ্যাতি নতুন মাত্রা পায়। পরবর্তী সময়ে ‘হেরা ফেরি’ ও ‘ধড়কন’-এর মতো সিনেমাও মুক্তি পায়।

সুনীল জানান, অক্ষয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ পেশাগত সম্পর্ক রয়েছে এবং মোট সাতটি সিনেমায় তিনি এই অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছেন।

এদিকে অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে একবার নিজেও ভুল–বোঝাবুঝিতে পড়েছিলেন সুনীল। ‘জানওয়ার’-এর পর তিনি হৃতিক রোশনকে নিয়ে সিনেমা করছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে অক্ষয় পরিচালকের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানতে চান। পরে ভুল যোগাযোগের বিষয়টি পরিষ্কার হয় এবং অক্ষয় মজা করে সুনীলের সঙ্গে ১০০টি সিনেমা করার প্রতিশ্রুতি নেন বলে জানান নির্মাতা।

কালের আলো/এসএ

সালমানের মৃত্যুর খবর শুনে এফডিসিতে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মৌসুমী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
সালমানের মৃত্যুর খবর শুনে এফডিসিতে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মৌসুমী

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। ঢাকার এফডিসিতে ‘সুখের ঘরে দুখের আগুন’ সিনেমার শুটিং করছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। হঠাৎ এক প্রোডাকশন বয়ের কাছ থেকে খবর পান, চিত্রনায়ক সালমান শাহ মারা গেছেন। আকস্মিক সেই সংবাদ প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।

খবরটি সত্য কি না, তা নিশ্চিত হতে নিজের গাড়ি দিয়ে পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজারকে সালমান শাহর ইস্কাটনের বাসায় পাঠান মৌসুমী। পরে গুলজার ফিরে এসে যখন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন, তখন কান্নায় ভেঙে পড়েন নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

সালমান শাহর মৃত্যুর ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ওই দিনে রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ফলে মৃত্যুর কারণ বা প্রকৃতি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তমূলক মন্তব্য না করেই সেদিনের স্মৃতি জানিয়েছেন পরিচালক গুলজার।

গুলজার নিজের ফেসবুক পোস্টে জানান, সেদিন এফডিসির কড়ইতলায় বস্তির একটি সেট তৈরি করে ‘সুখের ঘরে দুখের আগুন’ সিনেমার শুটিং করছিলেন তিনি। ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজকও ছিলেন গুলজার।

অন্যদিকে এফডিসির ৩ নম্বর ফ্লোরের মেকআপ রুমে শুটিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন মৌসুমী। ঠিক তখনই একজন প্রোডাকশন বয় এসে সালমান শাহর মৃত্যুর খবর দেন।

খবরটি শুনে মৌসুমী ও গুলজার দুজনেই হতবাক হয়ে যান। বিষয়টি নিশ্চিত হতে মৌসুমী তাঁর নিজের গাড়ি গুলজারকে দিয়ে সালমানের ইস্কাটনের বাসায় পাঠান।

গুলজারের বর্ণনা অনুযায়ী, সেখানে গিয়ে দারোয়ানদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, সালমান শাহকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি হাসপাতালে ছুটে যান এবং সেখানে সালমানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

এফডিসিতে ফিরে এসে মৌসুমীকে সেই মর্মান্তিক খবর জানান গুলজার। খবরটি শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৌসুমী। উপস্থিত অনেকেই তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

সেদিনের পরিস্থিতি মৌসুমীর জন্য আরও কঠিন ছিল। তিনি তখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাঁর গর্ভে ছিল সন্তান ফারদিন।

সালমান শাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে এফডিসিতে ছুটে আসেন মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী। বিকেলের দিকে সালমানের মরদেহ এফডিসিতে আনা হলে গুলজার ও ওমর সানী কান্নায় ভেঙে পড়া মৌসুমীকে তাঁর মরদেহের কাছে নিয়ে যান।

সেদিনের সেই স্মৃতি তিন দশক পরও ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হয়ে আছে।

সালমান শাহ ও মৌসুমীর সম্পর্কের শুরু চলচ্চিত্রে অভিষেকের সময় থেকেই। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় দুজনেরই।

২৫ মার্চ মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রথম সিনেমাতেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে সালমান-মৌসুমী জুটি।

এরপর তাঁরা একসঙ্গে অভিনয় করেন ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘স্নেহ’ ও ‘দেনমোহর’ সিনেমায়। পরবর্তী সময়ে শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ফলে মৌসুমীর সঙ্গে আর নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি তাঁকে।

তবে অল্প সময়ের সেই পথচলায় সালমান শাহ ও মৌসুমীর পর্দার জুটি যেমন দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল, তেমনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিও আজও ধরে রেখেছেন সহকর্মীরা। সালমান শাহর মৃত্যুর ৩০ বছর পর তাঁর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মৌসুমীর সেই কান্নার দিনটিও তাই ফিরে আসে বারবার।

কালের আলো/এসএ