খুঁজুন
                               
, ,
           

‘কাহিনি এখনো বাকি’ দিয়ে আলোচনায় মৌমিতা বড়ুয়া

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
‘কাহিনি এখনো বাকি’ দিয়ে আলোচনায় মৌমিতা বড়ুয়া

১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশের পর থেকেই শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে কণ্ঠশিল্পী মৌমিতা বড়ুয়ার নতুন গান ‘কাহিনি এখনো বাকি’। নব্বইয়ের দশকের নস্টালজিয়া আর সেই সময়ের সংগীতের আবহকে সামনে রেখে তৈরি গানটির সুর ও মেজাজে স্পষ্টভাবে ধরা দিয়েছে শাহরুখ খান–কাজল অভিনীত ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’-এর প্রভাব।

আসিফ জাহাঙ্গীর পরিচালিত ওয়েব সিনেমা ‘মিশন ডিডিএলজে’-এর জন্য গানটি তৈরি করা হয়েছে। গানটির সুর করেছেন সৈয়দ নাফিস। মৌমিতা বড়ুয়ার সঙ্গে এতে কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। গানটি প্রকাশের পর থেকেই নব্বইয়ের দশকের গান ও বলিউডের সেই সময়ের আবহে বেড়ে ওঠা শ্রোতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আলাদা আগ্রহ।

বাবার ডায়েরিতে জমে থাকা গান

মৌমিতা বড়ুয়ার সংগীতজীবনের শুরুটা পরিবারের হাত ধরেই। তাঁর বাবা ত্রিদিব বড়ুয়া বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের সুরকার, সংগীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী। ফলে ছোটবেলা থেকেই সংগীতের পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন মৌমিতা ও তাঁর ছোট বোন।

বাবার হাতে লেখা গানের ডায়েরিই ছিল তাঁদের গানের খাতা। সেই ডায়েরিতে থাকা পুরোনো সিনেমার গান গাইতে গাইতেই ছোটবেলায় সংগীতের সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত হন মৌমিতা।

বিশেষ করে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’ সিনেমার গানগুলোর সঙ্গে তাঁর পরিচয়ও বাবার ডায়েরির মাধ্যমে। মৌমিতা বলেন, সিনেমাটি মুক্তির সময় হয়তো তাঁর জন্মই হয়নি। কিন্তু বাবার ডায়েরিতে গানগুলো পাওয়া যেত এবং ছোটবেলায় তিনি ও তাঁর বোন সেসব গান গাইতেন।

শাহরুখ খান ও ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’ ছিল তাঁর বাবা-মায়েরও পছন্দের। ফলে নব্বইয়ের দশকের শাহরুখের সিনেমা ও গান তাঁদের পারিবারিক স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে।

‘সেরাকণ্ঠ’ থেকে সংগীতের পথচলা

ছোটবেলা থেকেই পরিবারের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও আত্মীয়দের কাছ থেকেও সংগীতচর্চায় উৎসাহ পেয়েছেন মৌমিতা। বাবার কাছেই তাঁর সংগীতে হাতেখড়ি। পরে সুব্রত দাস ও পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীতের তালিম নেন তিনি।

২০১৭ সালে রিয়েলিটি শো ‘সেরাকণ্ঠ’-এ অংশ নিয়ে বড় পরিসরে নিজের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পান মৌমিতা। তাঁর ভাষায়, প্রতিযোগিতাটিতে বিভিন্ন ধরনের গান গাওয়ার সুযোগ ছিল। ফলে নিজেকে একজন ভার্সেটাইল শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলার অভিজ্ঞতাও পেয়েছেন সেখানে।

ওয়েব সিরিজের গানেও পরিচিতি

রিয়েলিটি শোর পর ধীরে ধীরে পেশাদার সংগীতাঙ্গনে নিজের জায়গা তৈরি করতে থাকেন মৌমিতা। ২০২৪ সালে জাহিদ প্রীতমের ওয়েব সিরিজ ‘ফ্রেঞ্জি’-এর ‘প্রেমের মতোন লাগে’ গানটি তাঁকে শ্রোতাদের কাছে আরও পরিচিত করে তোলে।

এরপর বিভিন্ন ধরনের গান নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। এ বছর ‘কর্ণফুলী দুলি দুলি’সহ একাধিক গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটি বিশেষভাবে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে বলে জানান মৌমিতা।

গানটির প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি বলেন, পাহাড়ি মানুষের জমি, ঘরবাড়ি ও ঠিকানা হারানোর যে অভিজ্ঞতা, তা সমতলের মানুষের পক্ষে পুরোপুরি অনুভব করা কঠিন। সেই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটেই গানটি তৈরি করা হয়েছে।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের শেষদিকের কাজেও কণ্ঠ

প্রয়াত গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘একটি ছেলে’ গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন মৌমিতা। গানটির সুর করেছেন অপু আমান। মৌমিতা জানান, মৃত্যুর আগে গাজী মাজহারুল আনোয়ার যে কয়েকটি প্রজেক্টে কাজ করেছিলেন, গানটি তার একটি। এমনকি তাঁকে সামনে বসিয়েই গানটির কথা লিখেছিলেন তিনি।

গানটির রেকর্ডিং ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই এটি প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া আসিফ ইকবালের লেখা ও কুমার বিশ্বজিতের সুরে ‘তোমায় রেখেছিলাম এগিয়ে’ গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন মৌমিতা। দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে ‘মেঘের দেখা’। গানটির কথা লিখেছেন সৈয়দ নাফিস এবং সুর করেছেন মিঠুন চক্র।

সংগীতের পথেই এগোতে চান

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মৌমিতা বড়ুয়ার বক্তব্যও বেশ সরল। সংগীতকে নিজের ইচ্ছামতো কোনো নির্দিষ্ট পথে পরিচালনা করার চেয়ে সংগীত যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকেই এগিয়ে যেতে চান তিনি।

তাঁর কথায়, ‘মিউজিককে কখনো আমার হাত ধরে হাঁটাই না। আমি মিউজিকের হাত ধরে হাঁটি।’ ভবিষ্যতে ঠিক কী করবেন, সেটি এখনই নির্দিষ্ট করে বলতে চান না এই শিল্পী।

গান গাওয়ার পাশাপাশি শিশুদের সংগীত শেখান মৌমিতা। তাঁর কাছে এটিও সংগীতজীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ভবিষ্যতে তাঁর কাছ থেকে গান শেখা কয়েকজন শিশু যদি তাঁকে তাদের সংগীতজীবনের শুরুর মানুষ হিসেবে মনে রাখে, সেটিকেই বড় অর্জন হিসেবে দেখেন তিনি।

চট্টগ্রামে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মৌমিতা বড়ুয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। সংগীতের পাশাপাশি শিশুদের গান শেখানো এবং নতুন নতুন গানে কণ্ঠ দেওয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে তাঁর পথচলা। ‘কাহিনি এখনো বাকি’ সেই যাত্রায় যোগ করেছে নব্বইয়ের দশকের স্মৃতিমাখা এক নতুন অধ্যায়।

কালের আলো/এসএ

জাপানে প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ
জাপানে প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৯টায় টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

এর আগে রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, দেশটির বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং শিল্পকারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।

সফরে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ গুরুত্ব পাবে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর করা, জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া বাংলাদেশে জাপানি শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সফরকালে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি দক্ষতা, বেসামরিক বিমান চলাচল, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিন থেকে চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জ্বালানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল রূপান্তর নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জাপানের ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক

সফরকালে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাপানের বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি।

এ ছাড়া সফরের অংশ হিসেবে চিবা অঞ্চলের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র, পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর সদর দপ্তর এবং নাগোয়ার টয়োটা কারখানা পরিদর্শনের কথা রয়েছে।

এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে জাপানের শিল্পপ্রযুক্তি, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন খাত সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টা, সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাসহ ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এ ছাড়া প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মুস্তাকুর রহমান, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা

স্বাধীনতার পর থেকেই জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও রপ্তানি সম্প্রসারণে নতুন সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

কূটনৈতিক প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি জাপান সফরে সফরসঙ্গী হচ্ছেন আমজনতার সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি জাপানে অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে যাওয়ার বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন আমজনতার সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ভালোবাসা সবাইকে।’

পোস্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তোলা একটি ছবিও শেয়ার করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের এ সফরে জাপানের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক, জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তারেক রহমানের। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো সফরে গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প খাত সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা রয়েছে।

চার দিনের সফর শেষে ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ