খুঁজুন
                               
, ,
           

এক খুন, দুই গল্প—শেষ পর্যন্ত কে সত্য বলছে ‘হিজ অ্যান্ড হার্স’-এ?

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
এক খুন, দুই গল্প—শেষ পর্যন্ত কে সত্য বলছে ‘হিজ অ্যান্ড হার্স’-এ?

একটি খুন। এক দম্পতি। আর একই ঘটনাকে ঘিরে দুজনের দুই রকম গল্প। কে সত্য বলছে, আর কে মিথ্যা—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে যত সামনে এগোয় গল্প, ততই বদলে যেতে থাকে চরিত্রগুলো সম্পর্কে দর্শকের ধারণা। নেটফ্লিক্সের রহস্য-থ্রিলার সিরিজ ‘হিজ অ্যান্ড হার্স’ এমনই এক গল্প নিয়ে শুরু হয়ে শেষ পর্যন্ত দর্শকদের বড় একটি অংশকে পর্দায় আটকে রাখতে পেরেছে।

নেটফ্লিক্সের ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসের হিসাবে, বছরের প্রথমার্ধে সবচেয়ে বেশি দেখা সিরিজ হয়েছে ‘হিজ অ্যান্ড হার্স’। জানুয়ারি থেকে জুন—এই ছয় মাসে সিরিজটির ভিউ দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৪ লাখ। একই সময়ে নেটফ্লিক্সের সব ধরনের কনটেন্ট মিলিয়ে দেখা হয়েছে ৯৭ বিলিয়নের বেশি ঘণ্টা।

ছয় পর্বের সিরিজটি মুক্তি পায় ৮ জানুয়ারি। অ্যালিস ফিনির ২০২০ সালের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে সিরিজটি নির্মাণ করেছেন উইলিয়াম ওল্ডরয়েড। ‘লেডি ম্যাকবেথ’ ও ‘ইলিন’-এর মতো কাজের জন্য পরিচিত এই নির্মাতার সিরিজটির অন্যতম নির্বাহী প্রযোজক জেসিকা চ্যাস্টেইন। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন টেসা থম্পসন ও জন বার্নথাল।

খুনের তদন্তে মুখোমুখি স্বামী-স্ত্রী

গল্পের কেন্দ্রে আছেন আনা অ্যান্ড্রুজ ও জ্যাক হার্পার। আনা আটলান্টার একজন টেলিভিশন সংবাদ উপস্থাপক। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নানা টানাপোড়েনে তিনি অনেকটাই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন।

এর মধ্যেই নিজের বেড়ে ওঠার শহর ডালোনেগায় একটি হত্যাকাণ্ডের খবর পান আনা। ঘটনাটি তাঁর পুরোনো সাংবাদিক সত্তাকে আবার জাগিয়ে তোলে। তিনি হত্যার রহস্যের পেছনে ছুটতে শুরু করেন।

কিন্তু তদন্তের দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা জ্যাক হার্পারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক পুরো ঘটনাকে জটিল করে তোলে। কারণ জ্যাকই আনার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন স্বামী।

এখান থেকেই শুরু হয় সিরিজের মূল রহস্য। একই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে আনা ও জ্যাক যেন দুটি আলাদা গল্প বলছেন। একজন সাংবাদিক হিসেবে সত্য খুঁজছেন, অন্যজন গোয়েন্দা হিসেবে হত্যারহস্যের সমাধান করতে চাইছেন।

কিন্তু তদন্ত যত এগোয়, সন্দেহের তির ততই ঘুরে যায় তাঁদের দুজনের দিকেও। দুজনেরই ধারণা, অন্যজন এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত।

ফলে ‘হিজ অ্যান্ড হার্স’ শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নয়; ভেঙে যাওয়া একটি দাম্পত্য সম্পর্কের ভেতরে লুকিয়ে থাকা গোপন সত্যও ধীরে ধীরে সামনে আসে।

টেসা থম্পসন ও জন বার্নথালের দ্বৈরথ

সিরিজটির অন্যতম আকর্ষণ টেসা থম্পসন ও জন বার্নথালের অভিনয়। ‘ক্রিড’, ‘থর’ ও ‘ওয়েস্টওয়ার্ল্ড’-এর মতো কাজের জন্য পরিচিত থম্পসন অভিনয় করেছেন আনা চরিত্রে। আর ‘দ্য পানিশার’ ও ‘দ্য বেয়ার’-এর মতো কাজের জন্য পরিচিত বার্নথাল অভিনয় করেছেন জ্যাকের ভূমিকায়।

আনা উচ্চাভিলাষী, বুদ্ধিমান ও দৃঢ়চেতা একজন সাংবাদিক। নিজের পেশাগত অবস্থান ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি পুরোনো শহরের হত্যাকাণ্ডও তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দেয়। থম্পসন চরিত্রটির কঠোরতার পাশাপাশি তার ভেতরের ক্ষতও ফুটিয়ে তুলেছেন।

অন্যদিকে জ্যাকও সাদামাটা কোনো গোয়েন্দা চরিত্র নন। হত্যার তদন্তের পাশাপাশি তাঁকে নিজের অতীত, সম্পর্ক ও ভুল সিদ্ধান্তের ভারও বহন করতে হয়। ফলে আনা ও জ্যাকের সম্পর্কই হয়ে ওঠে রহস্যের আরেকটি স্তর।

সমালোচকদের একটি অংশও দুই অভিনেতার অভিনয়কে সিরিজটির অন্যতম শক্তি হিসেবে দেখেছেন। রহস্যের সব প্রশ্ন কতটা সন্তোষজনকভাবে সমাধান হয়েছে, তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও থম্পসন ও বার্নথালের অভিনয় দর্শকের আগ্রহ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

শুধু খুন নয়, সম্পর্কের গল্পও

হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি সিরিজটিতে রয়েছে বিশ্বাসভঙ্গ, পুরোনো সম্পর্ক, প্রতিশোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং অতীতের নানা গোপন ঘটনা।

আনা ও জ্যাকের দাম্পত্য কেন ভেঙে গেল, তাঁদের মধ্যে আসলে কী ঘটেছিল—এই প্রশ্নও ধীরে ধীরে হত্যারহস্যের অংশ হয়ে ওঠে।

তাঁদের চারপাশের প্রায় প্রতিটি চরিত্রেরই রয়েছে কোনো না কোনো গোপন তথ্য। আনার মা অ্যালিস, জ্যাকের বোন জো, টেলিভিশন কর্মী রিচার্ড, লেক্সিসহ অন্য চরিত্রগুলোও তদন্তকে একাধিক দিকে নিয়ে যায়।

ফলে দর্শককে বারবার নিজের ধারণা বদলাতে হয়—যাকে একসময় সন্দেহভাজন মনে হচ্ছে, পরের মুহূর্তেই তার গল্পের অন্য একটি দিক সামনে আসে।

অভিনয়ে আরও আছেন পাবলো শ্রেইবার, ক্রিস্টাল ফক্স, সুনীতা মণি, রেবেকা রিটেনহাউস ও মেরিন আয়ারল্যান্ড।

কেন এত দর্শক দেখল

সিরিজটির জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ এর সরল কিন্তু কার্যকর প্রশ্ন—খুনি কে?

তবে শুধু হত্যারহস্য নয়, প্রতিটি পর্বে নতুন তথ্য যোগ হওয়া এবং আগের ঘটনাগুলোর অর্থ বদলে যাওয়াই দর্শকদের পরের পর্বে টেনে নেয়।

মাত্র ছয় পর্বের সীমিত সিরিজ হওয়ায় গল্পও খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি। ফলে একসঙ্গে একাধিক পর্ব দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানও সিরিজটিকে দ্রুতগতির ও সহজে একের পর এক পর্ব দেখার মতো থ্রিলার হিসেবে বর্ণনা করেছে।

নেটফ্লিক্সের পরিসংখ্যানেও দর্শকের আগ্রহের প্রতিফলন দেখা গেছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১০ কোটি ৪ লাখ ভিউ নিয়ে ‘হিজ অ্যান্ড হার্স’ ছিল সবচেয়ে বেশি দেখা সিরিজ। কাছাকাছি অবস্থানে ছিল ‘ব্রিজারটন’-এর চতুর্থ মৌসুম, যার ভিউ ছিল ১০ কোটি ২ লাখ।

জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সমালোচনাও

দর্শকের আগ্রহের সঙ্গে সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া অবশ্য পুরোপুরি মেলেনি।

রটেন টমেটোজে ৫২টি সমালোচনার ভিত্তিতে সিরিজটির সমালোচক স্কোর ৭১ শতাংশ এবং দর্শক স্কোর ৬২ শতাংশ। মেটাক্রিটিকে ২১ জন সমালোচকের পর্যালোচনার ভিত্তিতে সিরিজটির স্কোর ৫৪/১০০—যা ‘মিশ্র বা গড়পড়তা’ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে পড়ে।

তবে ভ্যারাইটি ও আইজিএনের মতো কিছু সমালোচক টেসা থম্পসন ও জন বার্নথালের রসায়ন এবং গল্পের গতির প্রশংসা করেছেন।

অন্যদিকে হলিউড রিপোর্টার ও রজারএবার্ট ডটকমের পর্যালোচনায় গল্পের যুক্তি, অতিরিক্ত চমক এবং চরিত্রগুলোর কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। টাইমও সিরিজটির আবহ ও গল্প বলার ধরন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

অর্থাৎ সমালোচকদের আপত্তির বড় জায়গা গল্পের যুক্তি ও গভীরতা। তবে দর্শককে পরের পর্বে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা নিয়ে সিরিজটি যে সফল হয়েছে, নেটফ্লিক্সের দর্শকসংখ্যা তার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

পরিচিত গল্প, নতুন উপস্থাপন

‘হিজ অ্যান্ড হার্স’ রহস্য-থ্রিলারের নতুন কোনো সূত্র আবিষ্কার করেনি। খুন, সন্দেহভাজন, গোপন সম্পর্ক, অতীতের ঘটনা এবং শেষ মুহূর্তের মোড়—সবই পরিচিত উপাদান।

তবে এসব উপাদানকে ছয় পর্বে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে দর্শকের মনে বারবার একই প্রশ্ন ফিরে আসে—আসলে সত্যিটা কী?

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে টেসা থম্পসন ও জন বার্নথালের অভিনয়। একই ঘটনার দুই ভিন্ন দিক থেকে আনা ও জ্যাকের গল্প এগিয়ে যায়। ফলে ‘হিজ’ আর ‘হার্স’ শুধু স্বামী-স্ত্রীর দুই পক্ষ নয়; একই সম্পর্ক, একই অতীত এবং একই ঘটনার দুই ভিন্ন সত্যের প্রতিনিধিও হয়ে ওঠে।

সূত্র: নেটফ্লিক্স, আইএমডিবি, দ্য গার্ডিয়ান ও স্ক্রিন র‍্যান্ট

কালের আলো/এসএ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ডিআই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ডিআই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের (ডিআই) যৌথ প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্নেন্স অ্যাডভাইজার লুইস বেননের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সিলার রায়ান ডানকানসন, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান এবং সিনিয়র প্রোগ্রাম ডিরেক্টর লিপিকা বিশ্বাস।

বৈঠকে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গঠন ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেই বাগদান সারলেন শিরতাজ জাহান জেবিন

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেই বাগদান সারলেন শিরতাজ জাহান জেবিন

ছোট পর্দার অভিনেত্রী শিরতাজ জাহান জেবিনের ব্যক্তিজীবনে শুরু হয়েছে নতুন অধ্যায়। দীর্ঘদিনের পছন্দের মানুষের সঙ্গে সম্প্রতি গোপনে বাগদান সম্পন্ন করেছেন এই অভিনেত্রী—এমন খবরই জানা গেছে। তবে বাগদানের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি জেবিন।

কে সেই পাত্র, কবে তাদের বাগদান হয়েছে কিংবা বিয়ের পরিকল্পনা কবে—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিনেত্রীর ব্যক্তিজীবনের এই নতুন অধ্যায় নিয়ে ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

অভিনয়ের ব্যস্ততার মধ্যেই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যায় শুরু করেছেন জেবিন। ছোট পর্দায় নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। চলতি বছরের ঈদেও একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে একক নাটকের পাশাপাশি ধারাবাহিক নাটক নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।

ধারাবাহিকেও আলোচনায় জেবিন

সম্প্রতি জেবিন অভিনীত ‘চাওয়া পাওয়া’ ধারাবাহিকটি দর্শকদের সামনে এসেছে। রাকেশ বসু পরিচালিত নাটকটিতে ‘মেধা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। গল্পে মেধা একজন কবির প্রেমে পড়ে। এই চরিত্রে জেবিনের অভিনয়ের পাশাপাশি সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন মীর রাব্বি।

এ ছাড়া ‘মায়া পাখি’ ও ‘দ্য অভিযান’ নাটকেও অভিনয় করেছেন জেবিন। ছোট পর্দায় বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের জায়গা ধরে রাখার চেষ্টা করছেন এই অভিনেত্রী।

গল্প ও চরিত্র বাছাইয়ে সচেতন

কাজের ক্ষেত্রে গল্প ও চরিত্র নির্বাচনে বেশ সচেতন জেবিন। কোনো নাটকে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পুরো চিত্রনাট্য পড়ে চরিত্রটি বোঝার চেষ্টা করেন তিনি। গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলে তবেই কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রচারমূলক কাজেও যুক্ত রয়েছেন জেবিন। সব মিলিয়ে পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেই ব্যক্তিজীবনে নতুন অধ্যায়ে পা রাখার খবর সামনে এসেছে তার।

তবে বাগদানের খবর নিয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত পাত্র, বিয়ের তারিখ বা আয়োজন সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। আপাতত অভিনয়ের কাজ নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন শিরতাজ জাহান জেবিন।

কালের আলো/এসএ

 

ক্যান্টনমেন্ট থানায় নতুন ওসি, গুলশানের পরিদর্শক বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ক্যান্টনমেন্ট থানায় নতুন ওসি, গুলশানের পরিদর্শক বদলি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তিনজন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক কার্যালয় আদেশে এই তথ্য জানা যায়।

আদেশ অনুযায়ী, লাইনওআরের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

গুলশান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

একই আদেশে লাইনওআরে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সেলিমকে গুলশান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের কেএফসি-সংলগ্ন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মিছিল করে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিছিলের আগে গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও ওই এলাকার থাকা মোবাইল টিমকে অন্যত্র পাঠিয়েছিলেন পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মিজানুর রহমান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ