খুঁজুন
                               
, ,
           

বিমানে পরিবর্তনের হাওয়া, লক্ষ্য আরও কার্যকর সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
বিমানে পরিবর্তনের হাওয়া, লক্ষ্য আরও কার্যকর সেবা

জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে বড় ধরনের ব্যবস্থাপনাগত পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। একসঙ্গে ১০ জন জ্যেষ্ঠ ও উপ-মহাব্যবস্থাপক পর্যায়ের কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে বদলি, সংযুক্তি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে সংস্থাটির পরিচালন কাঠামোয় নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গ্রাহকসেবা, জনসংযোগ, প্রশাসন-মানবসম্পদ, কার্গো এবং করপোরেট পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনকে সেবার মানোন্নয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি আনার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিমানের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তরের পার্সোনেল শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে এসব পরিবর্তন আনা হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদনক্রমে জারি করা আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • গ্রাহকসেবা-জনসংযোগে শাহনুর, এয়ারপোর্ট সার্ভিসেসে মহিউদ্দিন
  • প্রশাসন-মানবসম্পদসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্ব পুনর্গঠন
  • সেবার মানোন্নয়ন ও পরিচালন দক্ষতায় জোর

একই নেতৃত্বে গ্রাহকসেবা ও জনসংযোগ

রদবদনের কেন্দ্রে রয়েছেন এয়ারপোর্ট সার্ভিসেসের মহাব্যবস্থাপক শাহনুর আহমেদ। তাকে মহাব্যবস্থাপক (গ্রাহক সেবা) পদে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) পদে অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে তাকে। গুরুত্বপূর্ণ এই অতিরিক্ত দায়িত্বের সঙ্গে রয়েছে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা।

বিমানের ব্যবস্থাপনায় এই সিদ্ধান্তের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ যাত্রীসেবা ও জনসংযোগ—দুটি বিভাগই সরাসরি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি এবং যাত্রী-অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত। একজন কর্মকর্তার অধীনে দুটি দায়িত্ব থাকায় যাত্রীদের অভিযোগ, সেবার ঘাটতি, গণমাধ্যমে উঠে আসা বিষয় এবং ব্যবস্থাপনার প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, এতদিন মহাব্যবস্থাপক (গ্রাহক সেবা) এবং অতিরিক্ত দায়িত্বে মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মহিউদ্দিন আহমেদকে মহাব্যবস্থাপক (এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস) পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা ও অপারেশনাল কার্যক্রমে তার অভিজ্ঞতাকে নতুন দায়িত্বে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হলো।

রদবদলের কেন্দ্রে সেবার গতি
বিমানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় এবারের পরিবর্তনের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—শুধু পদ শূন্য পূরণ নয়, একাধিক বিভাগের দায়িত্বকে নতুনভাবে সাজানো। এতে কোথাও নেতৃত্ব একীভূত করা হয়েছে, কোথাও আবার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে শাহনুর আহমেদ বলেছেন, জনসংযোগ ও গ্রাহকসেবাকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার পাশাপাশি গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয়কে গুরুত্ব দেবেন তিনি। তার এই অবস্থানকে বিমানের সেবার দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং তা নিয়ে দ্রুত যোগাযোগের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখার সুযোগ রয়েছে।

কারণ, একটি এয়ারলাইন্সের সেবার মান কেবল উড়োজাহাজ পরিচালনা বা সময়ানুবর্তিতায় নির্ধারিত হয় না। টিকিট, চেক-ইন, বোর্ডিং, লাগেজ, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং তথ্যপ্রাপ্তি—প্রতিটি ধাপ যাত্রীর সামগ্রিক অভিজ্ঞতা তৈরি করে। ফলে এসব জায়গায় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশাসন-মানবসম্পদেও নতুন সমীকরণ
গ্রাহকসেবার পাশাপাশি প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগেও বড় ধরনের পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। পোল্ট্রি কমপ্লেক্সের মহাব্যবস্থাপক এ.এইচ.এম. শফিউল বারীকে মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) পদে বদলি করা হয়েছে। উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. জহুরুল আলমকে উপ-মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) এবং আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতাসহ উপ-মহাব্যবস্থাপক (পার্সোনেল) পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংযুক্ত মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলামকে পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ)-এর কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই বিন্যাসে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও পার্সোনেল কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বড় জনবল কাঠামোর প্রতিষ্ঠানে দ্রুত পদায়ন, দায়িত্ব নির্ধারণ ও কর্মসম্পাদন মূল্যায়নে এ ধরনের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কার্গো ও পরিকল্পনায়ও বদলের ছাপ
বিমানের রাজস্ব ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ কার্গো বিভাগেও নেতৃত্ব বদলেছে। স্টোর অ্যান্ড ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্টের মহাব্যবস্থাপক ইকবাল আহমেদ আলিজাকে মহাব্যবস্থাপক (কার্গো) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পার্সোনেল বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার বাকী উদ্দিন আহমেদকে মূল দায়িত্বের পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক হিসেবে স্টোর অ্যান্ড ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

করপোরেট পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরেও এসেছে নতুন নেতৃত্ব। বোয়িং-৭৮৭-এর ক্যাপ্টেন শেখ আব্বাস হোসেনকে মূল দায়িত্বের পাশাপাশি আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতাসহ মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা) পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই পরিদপ্তরে উপ-মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) এম. এম. আরিফুর রহমানকে উপ-মহাব্যবস্থাপক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিএফসিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক এ জেড এম আরিফকে উপ-মহাব্যবস্থাপক (পোল্ট্রি কমপ্লেক্স) পদে বদলি করা হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংগঠিত করতে

বিমানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রমে গতি আনা, সেবার মান উন্নত করা এবং অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংগঠিত করতেই এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে। দায়িত্বের ধরন বিশ্লেষণ করলেও একই লক্ষ্য সামনে আসে—গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নেতৃত্বকে আরও কার্যকর করা এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথ সহজ করা।

তবে বড় কোনো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের প্রকৃত সাফল্য নির্ধারিত হয় মাঠপর্যায়ের ফলাফলে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কত দ্রুত বিভাগগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে পারেন, যাত্রীদের অভিযোগ ও সেবার ঘাটতি কতটা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারেন এবং পরিকল্পনাকে বাস্তব কর্মসূচিতে রূপ দিতে পারেন—সেদিকেই এখন নজর থাকবে।

বিশেষ করে গ্রাহকসেবা ও জনসংযোগে একই নেতৃত্বের অধীনে নতুন কাঠামোটি কার্যকর হলে যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। একইভাবে প্রশাসন-মানবসম্পদ, কার্গো ও পরিকল্পনায় অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নতুন দায়িত্ব দেওয়া হলে পরিচালন দক্ষতাতেও গতি আসতে পারে। এবারের রদবদল বিমানের জন্য নিছক প্রশাসনিক পদায়ন নয়; বরং সেবাকেন্দ্রিক ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার দিকে একটি নতুন সাংগঠনিক ছক।

কালের আলো/এমএইচ/এমকে

বাংলাদেশে টয়োটার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে টয়োটার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে জাপানের বহুজাতিক অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান টয়োটা। ২০২৭ সালে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (এইচইভি) কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ পরিকল্পনার কথা জানায় টয়োটা তুশো করপোরেশনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

বৈঠকে বাংলাদেশে টয়োটার কার্যক্রম সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। প্রতিনিধিদল জানায়, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলাদেশের জন্য’ উন্নয়ন দর্শনকে সামনে রেখে দেশে টয়োটার কারখানা স্থাপন করা হবে।

প্রস্তাবিত কারখানার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়নের প্রসার, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে বলে জানানো হয়।

টয়োটার বিনিয়োগ পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও অবকাঠামোগত সুবিধা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসব খাতে টয়োটা তুশো করপোরেশন বিনিয়োগে আগ্রহী হলে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।

টয়োটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সব বিভাগে ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। পাশাপাশি তরুণদের কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

বৈঠকে সরকারের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। টয়োটা তুশো করপোরেশনের মোবিলিটি ডিভিশনের সিইও শিগেরু হারাদা, টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট প্রেমমিত সিংসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জন্মনিবন্ধনে গড়মিল, সেবায় জবাবদিহির তাগিদ মন্ত্রীর

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
জন্মনিবন্ধনে গড়মিল, সেবায় জবাবদিহির তাগিদ মন্ত্রীর

দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সঙ্গে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন তথ্যভান্ডারের বড় ধরনের অসঙ্গতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগের বিষয়। এ ধরনের অসঙ্গতি দূর করে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

  • ১৭ কোটির দেশে নিবন্ধন ২৪ কোটি ৮৮ লাখ
  • ভুল-অসঙ্গতি দূর করার আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
  • ‘প্রযুক্তি নয়, দায়িত্বশীল মানুষই সেবা নিশ্চিত করবে’

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে জোর

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণ সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি—সবার মূল উদ্দেশ্য এক, জনগণের সেবা করা। পদ্ধতি ভিন্ন হলেও জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উভয়েরই একই লক্ষ্য থাকা উচিত। জনগণ নির্বাচিত সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা রাখে। তাই সেই প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা জনগণের সেবা করার কাজে ব্যবহার করতে হবে। জনগণের সেবা বাধাগ্রস্ত করার জন্য নয়, মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে।

প্রযুক্তির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীলতা

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনকে জাতীয় প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হিসেবে উল্লেখ করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তবে নিবন্ধন ব্যবস্থার তথ্যের সঙ্গে দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার বড় পার্থক্যকে তিনি প্রশাসনিকভাবে উদ্বেগজনক বলে মনে করেন।

নাগরিক সেবা প্রদানে প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার দিকটিও তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু কম্পিউটার বা প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের সেবা নিশ্চিত করা যাবে না। প্রযুক্তির পেছনে থাকা মানুষকেই দায়িত্বশীল হতে হবে। একটি সাধারণ জন্মসনদ নিতে কোনো নাগরিককে যেন ইউনিয়ন পরিষদে বারবার যেতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

তৃণমূলের মানুষের নাগরিক অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ হয়তো বেশি শিক্ষিত নন, কিন্তু তিনিও রাষ্ট্রের নাগরিক এবং তাঁরও সরকারি সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তাই তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক, দায়িত্বশীল ও জনগণমুখী হতে হবে।

জনসংখ্যার সঙ্গে নিবন্ধনের হিসাব মিলছে না

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের পরিসংখ্যানের অসঙ্গতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমানে জন্ম নিবন্ধনের সংখ্যা ২৪ কোটি ৮৮ লাখ এবং মৃত্যু নিবন্ধন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার। অথচ ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। নির্ভুল নিবন্ধন না হওয়ায় পরিসংখ্যানে গড়মিল হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে নতুন করে ভাবার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যেসব গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান রয়েছে। ২০০১ সালে ইউনিসেফের সহযোগিতায় বেগম খালেদা জিয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন চালু করেন এবং সেখানে পিতার পাশাপাশি মায়ের পরিচয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি’তে বিডিআরআইএস

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সিস্টেম (বিডিআরআইএস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ব্যবস্থা বলে মন্তব্য করেন মীর শাহে আলম। তৃণমূল পর্যায়ে নিবন্ধন আরও নির্ভুল করতে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রামভিত্তিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারণার আলোকে পুনরায় গ্রাম সরকার ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর মতে, এ ব্যবস্থা চালু হলে গ্রাম পর্যায়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আরও নির্ভুল করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে শুদ্ধতা ও উৎকর্ষের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ঢাকা জেলার উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন, ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমক

শিক্ষকদের জাতীয়করণে একমত ড. মঈন খান, দেখালেন সতর্কতার দিকও

নিজস্ব ও নরসিংদী প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের জাতীয়করণে একমত ড. মঈন খান, দেখালেন সতর্কতার দিকও

‘আমি নিজেও একজন শিক্ষক। কাজেই আপনাদের দাবির সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত।’—শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণের দাবির প্রসঙ্গে নিজের পরিচয় ও অবস্থান এভাবেই স্পষ্ট করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তবে শিক্ষক হিসেবে দাবিটির প্রতি তাঁর সমর্থনের পাশাপাশি জাতীয়করণের সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়েও সতর্ক করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয়করণ হলে শিক্ষকেরা সরকারি কর্মচারীতে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি বদলি, প্রশাসনিক দায়িত্বসহ নতুন কিছু বাস্তবতার মুখোমুখি হবেন। তাই দাবিটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নরসিংদীর পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে ‘জাতীয় শিক্ষক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবদুল মঈন খান এসব কথা বলেন।

  • ‘আমি নিজেও একজন শিক্ষক, আপনাদের দাবির সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত’
  • জাতীয়করণে বদলি ও প্রশাসনিক দায়িত্বসহ দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনার আহ্বান

শিক্ষক পরিচয়েই দাবির প্রতি সংহতি

শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রীর নিজের শিক্ষক পরিচয়টি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তিনি নিজেই জানালেন, তিনি একজন শিক্ষক। ফলে দাবিটির প্রতি তাঁর সমর্থন এসেছে কেবল সরকারের একজন মন্ত্রী হিসেবে নয়, শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার সঙ্গেও সম্পর্কিত অবস্থান থেকে। ড. মঈন খান বলেন, ‘আমি নিজেও একজন শিক্ষক। কাজেই আপনাদের দাবির সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত।’

তবে তিনি জাতীয়করণের বিষয়টিকে শুধু সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রশ্ন হিসেবে দেখেননি। তাঁর মতে, জাতীয়করণের সঙ্গে চাকরির ধরন ও দায়িত্বের পরিবর্তনও যুক্ত হবে। শিক্ষকেরা সরকারি কর্মচারীতে পরিণত হলে বদলি ও প্রশাসনিক দায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় সামনে আসবে। তাই দাবিটির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব শিক্ষকদের নিজেদেরও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

সমর্থনের সঙ্গে বাস্তবতার কথাও

মন্ত্রীর বক্তব্যে একই সঙ্গে দুটি দিক স্পষ্ট হয়েছে—শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন এবং জাতীয়করণের সম্ভাব্য প্রশাসনিক প্রভাব সম্পর্কে সতর্কতা। অর্থাৎ জাতীয়করণ হলে শুধু বেতন-ভাতা কিংবা চাকরির নিশ্চয়তাই বাড়বে না; এর সঙ্গে সরকারি চাকরির কাঠামো, বদলি এবং অতিরিক্ত দায়িত্বের বিষয়ও যুক্ত হতে পারে। এই কারণেই শিক্ষকদের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি তাঁদের পেশাগত স্বাধীনতা ও মর্যাদা কীভাবে অক্ষুণ্ন রাখা যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন মন্ত্রী।

দেশের সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকার কখনো কার্পণ্য করবে না বলেও তিনি জানান। শিক্ষকদের কল্যাণ ও তাঁদের ন্যায্য দাবির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

সরকারি সহায়তা বেড়েছে ধাপে ধাপে

বেসরকারি শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ইতিহাস তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল বেসরকারি। ব্যক্তি ও সমাজের দানশীল মানুষের সহযোগিতায় এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। পরে শিক্ষকদের বেতন-ভাতায় সরকারি সহায়তা ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৮০ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতনের ৫০ শতাংশ সরকারিভাবে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এরপর ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবির প্রেক্ষাপটে শিক্ষা কমিশন গঠন করে। সেই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষকদের সরকারি বেতন-সহায়তা আরও বাড়ানো হয়।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতনের শতভাগ সরকারিভাবে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে বর্তমানে দেশের বিপুলসংখ্যক বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সরকারি সহায়তার আওতায় রয়েছেন।

শিক্ষক গড়েন রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ

নিজের শিক্ষক পরিচয়ের প্রসঙ্গটি যেন মন্ত্রীর বক্তব্যের অন্য অংশগুলোকেও আলাদা মাত্রা দিয়েছে। শিক্ষকদের দায়িত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব সাধারণ সরকারি কর্মকর্তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিক্ষকরাই দেশের তরুণ সমাজকে গড়ে তোলেন। তাই শিক্ষকদের নিজেদের পেশাগত স্বাধীনতা, মর্যাদা ও দায়িত্বের গুরুত্ব উপলব্ধি করে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ দিয়ে ড. মঈন খান বলেন, একটি দেশের প্রকৃত শক্তি শুধু সামরিক সক্ষমতা বা অর্থনৈতিক সম্পদের ওপর নির্ভর করে না। উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজই একটি দেশকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করে। তাই বাংলাদেশকে উন্নত ও সম্মানজনক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

নারী শিক্ষার প্রসারেও পুরোনো সিদ্ধান্তের প্রভাব

নারী শিক্ষার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৩৫ বছর আগে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে প্রথমে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এর ফলে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের অংশগ্রহণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতিও ওই ধরনের দূরদর্শী সিদ্ধান্তের সুফল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খান ফাউন্ডেশন ও দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার। পলাশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশতিয়াক আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরআই/এমকে