জাপান সফরে টয়োটার কারখানায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির নাগোয়া শহরে বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তিনি কারখানাটিতে গাড়ি সংযোজন বা অ্যাসেম্বলি প্রক্রিয়া সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে টয়োটা মোটর করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে কারখানার বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় গাড়ি উৎপাদন ও সংযোজনের প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন তিনি।
টয়োটার শীর্ষ কর্মকর্তারা ছিলেন উপস্থিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কারখানা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন টয়োটা মোটর করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা, টয়োটা সুশো করপোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনকালে উপস্থিত থেকে কারখানার কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁকে ধারণা দেন। তবে পরিদর্শনে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বা কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন জুবাইদা রহমান
টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এ ছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কর্মকর্তারাও
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। জাপান সফরের অংশ হিসেবে টয়োটার মতো আন্তর্জাতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কারখানা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও টয়োটার মধ্যে নতুন কোনো বিনিয়োগ বা সহযোগিতা চুক্তি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি
আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]