খুঁজুন
                               
, ,
           

তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে বন্ধুর জবানিতে নতুন তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ
তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে বন্ধুর জবানিতে নতুন তথ্য

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে থাকা আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন, কয়েকজনের ধাওয়ার মুখে তাহসিফ তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন। আর তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। তবে দ্বীপের দেওয়া এই বক্তব্য যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। এদিকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে একটি নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পিবিআই সদর দপ্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. আবু ইউসুফ জানান, মোটরসাইকেলটির মালিকানা যাচাই করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি তাহসিফের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ধাওয়ার মুখে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার দাবি দ্বীপের
পিবিআইয়ের একজন পুলিশ সুপার জানান, দ্বীপকে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপ বলেন, তাঁরা ঘটনাস্থলে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় কিছু লোক তাঁদের ধাওয়া করে। তখন তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং তিনি পালিয়ে যান। দ্বীপের কাছ থেকে পাওয়া এ বক্তব্যসহ জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসা অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। এখন পর্যন্ত তাঁর বক্তব্যের স্বাধীন কোনো সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।

মোটরসাইকেল নিয়ে চলছে তদন্ত
তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় একটি নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল পাওয়া যায়। পরে সেটি রাজধানীর উত্তরখান থানায় নেওয়া হয়েছে। পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানান, মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মূল মামলার তদন্ত করছে নৌ পুলিশ। তদন্তে নৌ পুলিশকে সহযোগিতা করছে পিবিআই।

মাদক কারবারিদের ধাওয়ার ধারণা পুলিশের
পিবিআই কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তুরাগ নদের রাজবাড়ী ঘাট এলাকার স্থানটি মাদক কেনাবেচার স্পট হিসেবে পরিচিত। তাঁদের ধারণা, মাদক কারবারিদের ধাওয়ার মুখে তাহসিফ নদীতে পড়ে ডুবে যেতে পারেন। তবে এটি এখনো তদন্তসংশ্লিষ্টদের একটি প্রাথমিক ধারণা; ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নিশ্চিত হতে অনুসন্ধান চলছে।

দ্বীপের সঙ্গে দেখা করতে বাসা থেকে বের হন তাহসিফ
গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ‘দ্বীপ আসছে, ওর সঙ্গে কথা বলে আসি’—মাকে এ কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি। এরপর আর বাসায় ফেরেননি তিনি। পরদিন ২৮ অক্টোবর তুরাগ নদ থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌ পুলিশের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে নদে একটি মরদেহ ভাসতে থাকার খবর দেওয়া হয়। পরে টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় দ্বীপের সঙ্গে বের হন তাহসিফ
সিসিটিভি ফুটেজের বরাতে জানা গেছে, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে দ্বীপ একটি মোটরসাইকেল নিয়ে তাহসিফের বাসার নিচের গ্যারেজে আসেন। সেখানে মোটরসাইকেলে হেলমেট রাখার পর নিজের পোশাক দিয়ে চোখ-মুখ মুছতে দেখা যায় তাঁকে। কিছুক্ষণ পর তাহসিফ বাসা থেকে নেমে গ্যারেজে আসেন। সেখানে দ্বীপের সঙ্গে হাত মেলান। সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে তাঁদের দুটি মোটরসাইকেলে করে ওই স্থান ত্যাগ করতে দেখা যায়। তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, ঘটনার সময় কী ঘটেছিল এবং দ্বীপের দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা—এসব বিষয় এখন তদন্তের আওতায় রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

নয়াটোলার বাসায় মিলল চারটি ককটেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
নয়াটোলার বাসায় মিলল চারটি ককটেল

রাজধানীর পুরোনো রমনা থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুজনকে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাসা থেকে চারটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বোম ডিসপোজাল টিম সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে রাজধানীর হাতিরঝিল থানার নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের একজন জাহিদুল ইসলাম মনির (২০)। অপরজন কিশোর।

ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শনাক্ত
পুলিশ জানায়, গত ২৩ অক্টোবর পুরোনো রমনা থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়। সেখান থেকে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার পর তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে হাতিরঝিল থানার ৪৫৩ নম্বর নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলির একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে মনির ও ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাসা থেকে উদ্ধার চারটি তাজা ককটেল
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাসার ভেতর থেকে চারটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে রমনা ও হাতিরঝিল থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে মধুবাগ মাঠে বোম ডিসপোজাল টিম ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে
রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার ও ককটেল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার দুজন বর্তমানে রমনা থানা-পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

যান্ত্রিক ত্রুটি সত্ত্বেও সবাইকে নিয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী: আতিকুর রহমান রুমন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
যান্ত্রিক ত্রুটি সত্ত্বেও সবাইকে নিয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী: আতিকুর রহমান রুমন

জাপান থেকে দেশে ফেরার পথে বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলেও সফরসঙ্গীদের কাউকে ফেলে আসেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফেরার সুযোগ থাকলেও সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জাপান থেকে ফেরার আগে বিমানে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য কোনো বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন। কিন্তু সফরসঙ্গীদের সেখানে রেখে তিনি একা ফিরতে চাননি। এ কারণে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফেরেন তিনি।

যাত্রীদের কাছে গিয়ে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বিমানে ত্রুটির বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী অন্য যাত্রীদের কাছে গিয়ে কথা বলেন এবং তাঁদের আশ্বস্ত করেন। যাত্রীরা যেন আতঙ্কিত না হন, সে বিষয়েও তিনি খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বিমান ছাড়ার আগে পর্যবেক্ষণের সময় সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। তবে এটি বড় কোনো সমস্যা ছিল না। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে দ্রুত ত্রুটিটি সমাধান করা হয়।

শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করেন জুবাইদা রহমান
বিমানে থাকা যাত্রীদের বিশেষ করে শিশুদের বিষয়েও খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, তিনি শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং যাত্রীদের আশ্বস্ত করেন। আতিকুর রহমান রুমনের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুদের কান্নাকাটি না করে স্বাভাবিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি বিশেষভাবে খোঁজ নিয়েছেন।

চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের সরকারি সফরে জাপানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সফরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও বিনিয়োগ আলোচনা
জাপান সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। এ ছাড়া জাপানের বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সফরকালে জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র: বাসস,

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

তাহসিফের মৃত্যু তদন্তে মিলল মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ
তাহসিফের মৃত্যু তদন্তে মিলল মোটরসাইকেল

তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেলটি তাহসিফের বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান মোস্তফা কামাল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি তাহসিফের মোটরসাইকেল। তবে মোটরসাইকেলটির মালিকানা নিশ্চিত করতে যাচাই-বাছাই চলছে।

মাজার বস্তি এলাকায় পাওয়া যায় মোটরসাইকেল
পিবিআইয়ের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে মাজার বস্তি এলাকায় মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেছে। এটি তাহসিফের কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

মামলার তদন্ত করছে নৌ পুলিশ, ছায়া তদন্তে পিবিআই
শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পাঠানো ওই বার্তায় পিবিআই জানায়, বিমানবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলাটি তদন্ত করছে নৌ পুলিশ। তবে ঘটনাটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করেছে এবং নৌ পুলিশকে সহযোগিতা করছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, তদন্তে পাওয়া তথ্য ও উপাত্ত নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। নৌ পুলিশকে সহযোগিতার জন্য পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের মতো পিবিআইও কাজ করছে। তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি জানতে তদন্ত চলছে। মোটরসাইকেলটি তাঁর কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া গেলে তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি