খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শৈল্পিক কারুময়তায় বিজয় দিবসের লোগোর প্রশংসায় স্পিকার; প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
শৈল্পিক কারুময়তায় বিজয় দিবসের লোগোর প্রশংসায় স্পিকার; প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

৩০ লাখ শহীদের রক্তস্নাত বিজয়ের মাসের প্রথম দিন। আলোর খেলায় বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাসের পুরো ক্যানভাসের নান্দনিক উপস্থাপনের দৃশ্যপট। কাউন্ট ডাউনের অবসান ঘটিয়ে সুইচ চাপলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। পাশেই সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠান মঞ্চে সারফি লাইটের মুগ্ধতার বিচ্ছুরণ। এলইডিতে থ্রিডি অ্যানিমেশন’র মাধ্যমে চোখের সামনে চলতি বছরের মহান বিজয় দিবসের লোগোর অবয়ব। শৈল্পিক কারুময়তায় প্রথমেই দেখা গেলো ৭ বীরশ্রেষ্ঠের ছবি, এর মধ্যে ৩ জন দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর। এরপর মাথা উঁচু করে ভেসে উঠলো দিগন্তজুড়ে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকা স্বাধীনতার স্মারক জাতীয় স্মৃতিসৌধ; রক্তের দামে কেনা লাল-সবুজের মানচিত্র।

বাম পাশে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদের ছবি, ডান পাশে বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। ওপরের দু’দিকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিবশতবর্ষের লোগো। সবার ওপরে ‘মহান বিজয় দিবস-২০২১’। ইলেকট্রিক কনফেটির মাধ্যমে উদযাপিত হলো মাহেন্দ্রক্ষণটি। তখন অমর স্বপ্নের জ্যোতি সবার চোখে।

বিজয়ের বৈজয়ন্তী উড়ানোর সূচনা দিনে বুধবার (০১ ডিসেম্বর) স্বপ্নিল-আলোকোজ্জ্বল এক মুহুর্তের স্বাক্ষী তখন ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স। উন্মোচিত হলো সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বিজয় দিবস কুচকাওয়াজ-২০২১’র লোগো।

অনুষ্ঠানে স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী সেনাবাহিনীর তৈরি অনবদ্য-অনিন্দ্য সুন্দর লোগো’র প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর বিজয় দিবসের লোগো’র মাধ্যমে দেশাত্নবোধ জাগ্রত হবে বলেও মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সম্পন্ন হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর সহযাত্রী হতে পেরে তিনি গর্বিত বলেও উল্লেখ করেন।

মহান জাতীয় সংসদের এই অভিভাবক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আধুনিক অস্ত্র-শস্ত্র ও যন্ত্রপাতি সংযোজন করে সশস্ত্রবাহিনীকে আরো সমৃদ্ধ করা হচ্ছে। বর্তমানে সেনাবাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে দূর্দান্ত কাজ করার মধ্যে দিয়ে জাতির আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রস্তুতকৃত মহান বিজয় দিবস লোগো’র মাধ্যমে দেশাত্মবোধ জাগ্রত হবে দেশের প্রতিটি প্রান্তে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের আন্দোলন সংগ্রাম ও স্বাধীনতা অর্জন ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে লোগোটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক আগ্রহে সেনাবাহিনী অভূতপূর্ব আধুনিকায়নের পথে
বাঙালির কাঙ্ক্ষিত মুক্তিসংগ্রামে বিজয় অর্জনের মাস ডিসেম্বরের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে সেনাপ্রধান জেনারেল ড. এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ’র। ১৯৬৩ সালের পহেলা ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ফলশ্রুতিতে এই দিনটি তাঁর জন্মদিনও।

বাঙালি জাতিসত্তা আর নিজস্ব ভূমির গৌরবদীপ্ত বিজয় ও অহংকারের মাসটিতে দাঁড়িয়ে নিজের বক্তব্যের শুরুতেই মহান আল্লাহ’র কাছে শুকরিয়া আদায় করেন সেনাপ্রধান।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বাঙালি জাতির চির আরাধ্য পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি হৃদয়ের অতল থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করে বলেন, ‘২০২১ সালটি বাংলাদেশের জন্য একটি এতিহাসিক বছর, কারণ এই বছরে আমরা একই সাথে উদযাপন করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী।

আর এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার রূপকার, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি আমাদের স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ-বাংলাদেশ।

সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমরদ্ধ ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর একান্তিক আগ্রহ এবং প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ অভূতপূর্ব আধুনিকায়নের পথে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সকল সেনা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘যাঁরা শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধেই নয়, স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দেশে ও বিদেশে দেশের স্বার্থে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্বীকার করেছেন।’

এর আগে অনুষ্ঠানে মহান বিজয় দিবস কুচকাওয়াজ-২০২১ লোগো’র পটভূমি বর্ণনা করেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। অনুষ্ঠানে বিমান ও নৌবাহিনীর প্রধান এবং সশস্ত্রবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

Oplus_131072

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় আকারের একটি সহায়তা কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে উন্নত মানের জুতা দেওয়া হবে। প্রতিটি উপজেলার দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সব শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় আসবে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জুতা প্রস্তুতকারী ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাইলট কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যার মাধ্যমে প্রথম ধাপে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসম্মত স্কুল জুতা বিতরণ করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশের বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারকে অনুদান দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই এই উদ্যোগটি শুধু একটি বিতরণ কর্মসূচি না হয়ে শিশুদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সমন্বিত সহায়তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। এজন্য জুতার মান, স্টাইল ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জুতার গুণগত মানে বড় ধরনের বৈষম্য থাকলে সেটি শিশুদের মধ্যে অসম অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য মান নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক উপজেলায় দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের (প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থী) জুতা বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যাতে সীমিত পরিসরে দ্রুত ও কার্যকরভাবে পাইলট হিসেবে বাস্তবায়ন করা যায়।

এ সময় তিনি টেকনিক্যাল ও কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কমিটিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ, লেদার ইন্সটিটিউট ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি সহযোগী প্রতিটি কোম্পানির একজন প্রতিনিধি রাখার নির্দেশনা দেন এবং ডিজাইন, কোয়ালিটি চেকিং, সার্টিফিকেশন সবকিছু যেন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হয়, সেজন্য টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সম্পৃক্ত রাখার কথাও বলেন।

কালের আলো/এসএকে

শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া শর্তে রাজি না হলে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর।

বুধবার (৬ মে) অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) আয়োজিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার বাজার ২০০৮ সালে প্রথম বন্ধ হয়। এরপর ২০১৬ সালে চালু হয়ে ১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২২-এ চালু হলে ২৪-এ বন্ধ হয়, যা এখনো বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার বৈঠক ও সফর হয়েছিল, তবুও এই বাজার চালু হয়নি। কারণ মালয়েশিয়া ১০টি শর্ত দিয়েছিল; যে শর্ত মানলে বাংলাদেশে ৫টি থেকে ৭টি এজেন্সির বেশি কেউ কর্মী পাঠাতে পারবে না।

নূরুল হক বলেন, পরবর্তীতে ৩টি শর্ত মওকুফ করে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবুও বাস্তবতা হচ্ছে মার্কেট বন্ধই আছে। আমরা যদি সিন্ডিকেট কিংবা ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম, যাই বলেন, তাদের এই ধরনের শর্তে রাজি না হই, তবে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে সেভাবেই থাকবে।

তিনি ব‌লেন, আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে সেখানে সফর করে বলে এসেছেন যে, তাদের শর্তে যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে, সেই এজেন্সিগুলোকে যেন কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএকে

এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

Oplus_131072

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়া শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন ব্যবস্থা কার্যকর হয়। এতে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে এবং সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকের ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, সড়কে আইন অমান্য করলেই এখন থেকে অটো মামলা রেকর্ড হবে। নোটিশ ডাকযোগে পাঠানো হবে এবং নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া নেওয়া হতে পারে।

এর আগে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার স্বাক্ষরিত গণ-বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লাল সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধে ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে না। কোনো প্রতারণামূলক বার্তা পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে এআই-সমর্থিত ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

কালের আলো/এসএকে