খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশের নার্স খাতকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
দেশের নার্স খাতকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নেই

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

সাধারণত হাসপাতালের ‘প্রাণ’ বলা হয়ে থাকে নার্সদের। হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তাঁরা। কিন্তু দেশে অনেক নার্স নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করার সুযোগ পাচ্ছেন না। উপযুক্ত পরিবেশ আর শিক্ষার অভাবে তৈরি হচ্ছে না দক্ষ নার্স।

দেশের নার্স খাতকে ঢেলে সাজাতে এবং আধুনিকায়ন করতে প্রয়োজন সরকারের বিশেষ পরিকল্পনা। এক্ষেত্রে নার্সদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তারা নিজেদের মেধা-মননে বিকশিত করতে পারবেন। এতে করে কাটবে নার্স সংকটও।

নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি অধিদফতর ও বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন নার্সের প্রয়োজন তিন লাখের বেশি। যদিও নিবন্ধিত নার্স আছেন ৮৪ হাজার। সে হিসেবে দেশে নার্স আছে প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ২৮ শতাংশ। প্রতি চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন নার্স থাকার কথা থাকলেও রয়েছেন দশমিক ৩০ জন। আবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে ২৩ জন নার্স থাকার কথা থাকলে বাংলাদেশে এ সংখ্যা তিনজনে।

নার্সদের মতে, বর্তমানে নার্সদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশাসনিক ও ক্যারিয়ার অগ্রগতির সুযোগ নেই। নার্সিং শিক্ষার মান ও তদারকি দুর্বল। সেই সঙ্গে বিদেশে নার্সদের কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বিদ্যমান নিয়োগ, অর্গানোগ্রাম ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা যুগোপযোগী নয়, এসব ব্যবস্থাপনা যুগোপযোগী করতে হবে। সেই সঙ্গে রোগীদেরকে ভালো সেবা দিতে হলে নার্স নিয়োগ করতে হবে এবং যা নার্স আছে সেটাকে নিয়োগের মাধ্যমে দ্বিগুণ করা প্রয়োজন।

দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আধুনিক করতে বর্তমানে প্রয়োজন উন্নতমানের নার্সিং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নার্সিং শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো দরকার। নার্সিং শিক্ষা কার্যক্রম উন্নত করা গেলে দেশের নার্সরা বিদেশেও কর্মসংস্থান করেন নিতে পারবেন। তাতে বাংলাদেশেরই নার্সরা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম মোর্শেদ বলেন, সরকার কেন যেন এই দিকে নজর দিচ্ছে না। অবহেলায় পড়ে আছে দেশের নার্সিংখাত। বারবার আমাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলেও সরকারের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায় না। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ঘটাতে হলে নার্সিংখাত উন্নত করতে হবে। যাবতীয় সমস্যা সমাধান এবং নার্সদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। সেই সঙ্গে নার্সিং শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কার করতে হবে।

কালের আলো/এমএএইচএন

টানা ৫ মেডেন ওভারে ৫ উইকেট, টেস্ট ইতিহাসে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জাস্টিন গ্রিভস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
টানা ৫ মেডেন ওভারে ৫ উইকেট, টেস্ট ইতিহাসে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জাস্টিন গ্রিভস

ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইতিহাস গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস। টেস্ট ক্রিকেটের তথ্য–উপাত্ত সংরক্ষণ শুরুর পর প্রথম বোলার হিসেবে টানা পাঁচ ওভারে মেডেন রেখে প্রতি ওভারেই একটি করে উইকেট নেওয়ার বিরল কীর্তি গড়েছেন তিনি।

তৃতীয় দিনের শুরুতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৯৯ রান। মধ্যাহ্নবিরতির কিছু আগে ৬৩ ওভারে দলটির স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪৪। তখন পর্যন্ত গ্রিভসের বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৬ ওভারে ২৭ রান, কোনো উইকেট নয়। এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই ক্যারিবীয় পেসার।

৬৪, ৬৬, ৬৮, ৭০ ও ৭২তম ওভারে টানা পাঁচ মেডেন ওভার করেন গ্রিভস। অবিশ্বাস্যভাবে প্রতিটি ওভারেই তুলে নেন একটি করে উইকেট। তাঁর শিকার হন সেঞ্চুরিয়ান শান মাসুদ (১০৯), আমের জামাল, আলী উসমান, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং মোহাম্মদ আব্বাস। মধ্যাহ্নবিরতির পর প্রথম ওভারেই আব্বাসকে ফিরিয়ে ইনিংসে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি।

গ্রিভসের দুর্দান্ত স্পেলে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে অলআউট হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করায় স্বাগতিকরা ২৯ রানের লিড পায়।

তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজও। পাকিস্তানের পেসারদের দাপটে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২৬ রান। একসময় ৯৩ রানেই ৭ উইকেট হারালেও কেমার রোচ ও শামার জোসেফের অবিচ্ছিন্ন ৩৩ রানের জুটিতে দিন শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৫৫ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নামবে তারা।

দিন শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গ্রিভস বলেন, “বল কিছুটা সুইং করছিল এবং আমি তার সুবিধা নিতে পেরেছি। যখনই আমাকে বোলিংয়ে আনা হয়, দলের প্রত্যাশা থাকে কঠিন পরিস্থিতিতে যেন আমি অবদান রাখতে পারি। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট পাওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। তবে ম্যাচে এখনো আমাদের কাজ শেষ হয়নি।”

এদিকে গ্রিভসের ঐতিহাসিক স্পেলের পরও একটি সিদ্ধান্ত বিস্ময় তৈরি করেছে। ৭২তম ওভারে নিজের পঞ্চম উইকেট নেওয়ার পর তাঁকে আর টানা বোলিং করানো হয়নি। পরের ওভারে কেমার রোচ বল করার পর ৭৪তম ওভারে অধিনায়ক রোস্টন চেজ গ্রিভসকে আক্রমণ থেকে সরিয়ে জেইডেন সিলসকে বোলিংয়ে আনেন।

তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৫ রানে এগিয়ে থাকলেও ম্যাচের ফল এখনো খোলা। তবে গ্রিভসের টানা পাঁচ মেডেন ওভারে পাঁচ উইকেট নেওয়ার অনন্য কীর্তি ইতোমধ্যেই টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

জেন-জি’কে ‘জেনারেশন গাটার’ মন্তব্যে বিতর্কে কঙ্গনা রানাউত

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
জেন-জি’কে ‘জেনারেশন গাটার’ মন্তব্যে বিতর্কে কঙ্গনা রানাউত

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলন নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। আন্দোলনকারীদের ভাষা, আচরণ ও জীবনধারা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে তিনি তাদের ‘জেনারেশন গাটার’ (নর্দমার প্রজন্ম) বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা।

দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৭ দিনের আন্দোলনের পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। আন্দোলনের সময় তরুণদের বিভিন্ন স্লোগান, পোস্টার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে কিছু স্লোগান ও ভাষা নিয়ে সমালোচনাও হয়।

এই প্রেক্ষাপটে কঙ্গনা রানাউত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি জীবনে একসঙ্গে এত ‘নোংরা’ ও ‘কুরুচিপূর্ণ’ ভাষা কখনো দেখেননি। তাঁর দাবি, আন্দোলনকারীদের ভিডিও ও পোস্ট ‘বমি আসার মতো’ এবং সেগুলো দেখে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন। এমনকি তিনি ‘ডিজিটাল ডিটক্স’-এর প্রয়োজন অনুভব করছেন বলেও মন্তব্য করেন।

আন্দোলনকারীদের নিজেদের ‘তেলাপোকা’ হিসেবে উপস্থাপনেরও সমালোচনা করেন কঙ্গনা। তাঁর ভাষ্য, ভারত বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দেশ, অথচ আন্দোলনকারীরা নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করছেন, যা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

এ ছাড়া আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণীদের উদ্দেশে কঙ্গনা বলেন, তথাকথিত পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবে তারা ‘কলুষিত’ হয়ে পড়েছে। তাঁর দাবি, তাদের অনেকেই সমাজের জন্য ইতিবাচক কোনো অবদান রাখতে পারবে না। জেন-জি প্রজন্মকে ‘জেনারেশন গাটার’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই প্রজন্মের একটি অংশের আচরণ সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

কঙ্গনার এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা ভাই জগতাপ। তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় তরুণ-তরুণীদের ওপর যে ধরনের নির্যাতন ও দুর্ব্যবহার হয়েছে, একজন নারী হয়েও সে বিষয়ে কঙ্গনার কোনো সহানুভূতি না থাকা বিস্ময়কর।

অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) নেতা ওয়ারিস পাঠানও কঙ্গনার ভাষার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একজন সাংসদের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় এবং জেন-জি প্রজন্মের কাছে কঙ্গনার ক্ষমা চাওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, দলের সাংসদরা তরুণদের সম্পর্কে কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে নজর দিতে।

কঙ্গনার মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। একদিকে তাঁর সমর্থকেরা বক্তব্যকে ‘স্পষ্টভাষিতা’ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে সমালোচকেরা এটিকে তরুণ প্রজন্মকে অপমান করার শামিল বলে মন্তব্য করছেন।

কালের আলো/এসএ

শিরোপা ছাড়াও কি ব্যালন ডি’অর? ইতিহাসে নজির, আলোচনায় এমবাপ্পে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ণ
শিরোপা ছাড়াও কি ব্যালন ডি’অর? ইতিহাসে নজির, আলোচনায় এমবাপ্পে

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফুটবল বিশ্বে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়—এবারের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে। বিশ্বকাপজয়ী দলের তারকা রদ্রি, বার্সেলোনার তরুণ লামিনে ইয়ামাল, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে—সবাই রয়েছেন আলোচনায়। তবে দলীয় সাফল্যের বিচারে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে এমবাপ্পেকে ঘিরে।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দ্বিতীয় মৌসুমেও দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স করেছেন এমবাপ্পে। লা লিগায় ২৫ গোল করে টানা দ্বিতীয়বার জিতেছেন পিচিচি ট্রফি। চ্যাম্পিয়নস লিগেও ১৫ গোল করে হয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। এছাড়া বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ১০ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনেও বসেছেন। তবে এত কিছুর পরও ক্লাব বা জাতীয় দলের হয়ে কোনো বড় শিরোপা জিততে পারেননি তিনি।

তবে ইতিহাস বলছে, বড় দলীয় শিরোপা ছাড়াও ব্যালন ডি’অর জেতার নজির রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের পর অন্তত তিনবার এমন ঘটনা ঘটেছে।

১৯৯৫ সালে লাইবেরিয়ার কিংবদন্তি জর্জ উইয়াহ পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েও বড় কোনো শিরোপা জেতেননি। এরপর এসি মিলানে যোগ দেওয়ার পরও ব্যালন ডি’অর জিতে প্রথম আফ্রিকান ও প্রথম অ-ইউরোপীয় ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন।

২০০০ সালে বার্সেলোনার লুইস ফিগোও কোনো বড় দলীয় ট্রফি ছাড়াই ব্যালন ডি’অর জেতেন। ওই বছর লা লিগা কিংবা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে না পারলেও তাঁর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স এবং ইউরো ২০০০-এ পর্তুগালকে সেমিফাইনালে তোলার অবদান তাঁকে এই সম্মান এনে দেয়।

সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ ২০১৩ সালের। সেবার বায়ার্ন মিউনিখ ট্রেবল জিতলেও ব্যালন ডি’অর ওঠে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে কোনো দলীয় শিরোপা না জিতেও ৬৯ গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুবাদে তিনি ফ্রাঙ্ক রিবেরিকে পেছনে ফেলেন।

এই ইতিহাসই নতুন করে আলোচনায় এনেছে এমবাপ্পেকে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তিনি মৌসুমের অন্যতম সেরা হলেও ট্রফিশূন্য বছর তাঁর ব্যালন ডি’অর সম্ভাবনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। অতীতের নজির বলছে, দলীয় শিরোপা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে অসাধারণ ব্যক্তিগত নৈপুণ্যও অনেক সময় নির্ধারক হয়ে উঠতে পারে।

কালের আলো/এসএ