খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

এ কে ফজলুল হক ছিলেন অসাধারণ প্রজ্ঞাবান এক রাজনীতিবিদ: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
এ কে ফজলুল হক ছিলেন অসাধারণ প্রজ্ঞাবান এক রাজনীতিবিদ: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলার বাঘ হিসেবে খ্যাত এ কে ফজলুল হক ছিলেন এক অসাধারণ প্রজ্ঞাবান, অসম সাহসী ও বিচক্ষণ এক রাজনীতিবিদ।

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি ।

আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদ, ক্ষণজন্মা পুরুষ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য, সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি (১৯১৬-১৯২১), কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ও পূর্ব বাংলার গভর্নরের (১৯৫৬-১৯৫৮) পদসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

তিনি বলেন, দক্ষ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে প্রায় অর্ধ-শতাব্দীর বেশি সময় ধরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ফজলুল হক ছিলেন কৃষক, শ্রমিক ও গণমানুষের নেতা। তিনি ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি (কেপিপি) এবং ১৯৫৩ সালে শ্রমিক-কৃষক দল প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি বলেন, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেরে বাংলা এ অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়ন, রাজনীতি ও সমাজ সংস্কারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে গেছেন। তার উদ্যোগে গঠিত ‘ঋণ সালিশি বোর্ড’ বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষক সমাজকে ঋণের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি (শেরে বাংলা) বঙ্গীয় চাকরি নিয়োগবিধি, প্রজাস্বত্ব আইন, মহাজনি আইন, দোকান কর্মচারী আইন প্রণয়নসহ বহু জনকল্যাণমুখী কাজ করেন, যা এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষক-শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রেখেছে।

তিনি বলেন, ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ তিনি মুসলিম লীগের সম্মেলনে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ গঠনের ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ উত্থাপন করেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল আমাদের আত্মপরিচয়ের সন্ধান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও পথনির্দেশনা।

তিনি আরও বলেন, কৃষক-শ্রমিক তথা মেহনতি মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তার অবদান বাংলার মানুষ চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি আশা করি, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশেষ করে রাজনীতিবিদগণ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, জীবনাদর্শ, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দর্শনকে অনুসরণ করে কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।

কালের আলো/এসাআর/এএএন

জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীর দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলকের কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘বাংলাদেশের রূপান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক’ শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, এর মধ্যে যে কোনো একটি অর্জন থাকলেই নির্দ্বিধায় একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে সফল বলা যায়। আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক, যাঁর জীবনে গৌরবের এসব মহিমান্বিত পালক একত্রে বিদ্যমান। আমার জানা মতে, বিশ্ব ইতিহাসে এমন কোনো নজির নেই যে, একজন নেতা নিজ দেশের জন্য বহুমাত্রিক ভূমিকা রেখে এভাবে পরিণত হয়েছেন সমগ্র জাতির সত্তা ও অস্তিত্বের অংশে; তথা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতীকে।

বাংলাদেশের রূপান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক নিয়ে মাহদী আমিনের ফেসবুকের স্ট্যাটাস হুবাহু তুলে ধরা হলো-

(১) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, যাঁর আহবানে শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ।

(২) মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, এবং অসামান্য বীরত্বের জন্য ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত।

(৩) সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মহানায়ক এবং ইতিহাসের সফলতম সেনাপ্রধান।

(৪) দেশের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।

(৫) বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সুমহান আদর্শের প্রবক্তা, যা নিশ্চিত করে প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, মত, পথ ও বিশ্বাসের মানুষ এবং সমতল ও পাহাড়ের প্রতিটি বাংলাদেশির সমান অধিকার ও স্বাধীনতা।

(৬) বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্ন মতের অধিকার স্থাপক।

(৭) গণআকাঙ্খার আলোকে সংবিধানের সংশোধন ও ইসলামী মূল্যবোধের ধারক।

(৮) মুক্তিবাজার অর্থিনীতি চালু, আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গঠন এবং বেসরকারি খাতের বিকাশে যুগান্তকারী উদ্যোগের প্রবর্তক।

(৯) রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের পথিকৃৎ এবং দেশজুড়ে ইপিজেড ও বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনাকারী।

(১০) মধ্যপ্রাচ্যে ও অন্যান্য দেশে জনশক্তি রপ্তানির পথিকৃৎ, যার ফলে বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত প্রবাসীদের রেমিটেন্স আজও দেশের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি।

(১১) কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার ভিত্তি নির্মাণ এবং তৃণমূলের উন্নয়নের রূপকার।

(১২) গ্রাম সরকার ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা উদ্যোগের প্রবর্তক।

(১৩) ঐতিহাসিক খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনক।

(১৪) গণশিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষা কর্মসূচির প্রবর্তক এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে সবার জন্য সহজলভ্য করার কারিগর।

(১৫) নারী ও যুবকদের জন্য দুইটি পৃথক মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

(১৬) শিশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও নতুন কুঁড়ির প্রবক্তা।

(১৭) দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সহযোগিতার জন্য সার্কের প্রতিষ্ঠাতা।

(১৮) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের কারিগর।

(১৯) পশ্চিমা বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বহির্বিশ্বের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের রূপকার, ইরান-ইরাক যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী, ফিলিস্তিনি জাতি নির্মাণে আল-কুদস কমিটির সদস্য।

(২০) নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ভেঙে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে শক্তিশালী অবস্থান ও পানির হিস্যা বুঝে নেওয়াসহ বহু সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণকারী।

ফেসবুক স্ট্যাটাসের শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন লেখেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ অর্জন শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কের সাফল্যের গৌরব নয়। বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, উন্নয়ন, গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করার কালজয়ী ইতিহাস। তাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্ম, পরিকল্পনা, চিন্তা ও নেতৃত্ব আজও কোটি-কোটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে এবং তাঁর হাত ধরেই বদলে গেছে পুরো দেশ ও জাতির কাঠামো। আর ঠিক সেই আদর্শ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতাই আজ বহন করছেন জনগণের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যেমনটি করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

কালশী বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১২৫০ জনের মধ্যে আনসার ও ভিডিপির খাবার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
কালশী বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১২৫০ জনের মধ্যে আনসার ও ভিডিপির খাবার বিতরণ

রাজধানীর কালশী বস্তিতে সাম্প্রতিক ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ২৫০ জনের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

শনিবার (৩০ মে) বাউনিয়াবাদ কালশী বস্তি এলাকায় এ খাবার বিতরণ করা হয়।

গত ২৫ মে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কালশী বস্তির অসংখ্য ঘরবাড়ি পুড়ে যায় এবং শত শত পরিবার তাদের সহায়-সম্বল হারিয়ে মানবেতর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। অনেক পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে এবং খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকটে দিন কাটাচ্ছে।

খাবার বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এই স্বেচ্ছাসেবা দায়িত্ব পালনে ৪১ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য ও ৩৫ জন ভিডিপি সদস্য নিয়োজিত ছিলেন।

বাউনিয়াবাদ আইডিয়াল হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (উইং) শুভ্র চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আনসার (পশ্চিম) জোনের অধিনায়ক উপপরিচালক আরিফুর রহমান, ঢাকা মহানগর আনসার (দক্ষিণ) জোনের অধিনায়ক উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন থানার আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

জিয়ার রূপকল্পই ফিরিয়ে দেবে চলচ্চিত্রের সুদিন: মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
জিয়ার রূপকল্পই ফিরিয়ে দেবে চলচ্চিত্রের সুদিন: মঈন খান

চলচ্চিত্রের প্রকৃত উন্নয়ন ও সুদিন ফিরিয়ে আনতে হলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রূপকল্পই বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

শনিবার (৩০ মে) সকালে বিএফডিসি গেটে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে পাঁচ শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

চলচ্চিত্রের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে মঈন খান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতিই দেশে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, সরকারি অনুদান প্রথা, ফিল্ম আর্কাইভ এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এমনকি বিটিভিকে সাদাকালো থেকে রঙিন করেছিলেন তিনি।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকলেই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়। ‘১৭ বছরে এফডিসি ধ্বংস করা হয়েছে’ এমন মন্তব্য করে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল বলেন, বিগত ১৭ বছরে সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকার এফডিসিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলচ্চিত্রের এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা হবে।

জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের সভাপতি ও পরিচালক বদিউল আলম খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম মেঘ। স্বাগত বক্তব্য দেন মহাসচিব ও অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ।

কালের আলো/এসআর/এএএন