খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৬ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। বিবৃতিটি বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন স্বাক্ষর করে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশসহ দুনিয়াজুড়ে মুসলমানদের আমি পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হলো ঈদুল আজহা, যা ‘ত্যাগের উৎসব’ নামেও পরিচিত। ঈদুল আজহার তাৎপর্য হলো আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা। এ কারণে বিশ্ব মুসলিম ঈদুল আজহার উৎসবে মিলিত হয়।

মনের অশুভ অন্ধকার দূর করে সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জনের মূল শিক্ষার উৎসই হলো পশু কুরবানি। কুরবানির মহিমান্বিত শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আল্লাহর নিকট নিজেকে সমর্পণ করা এবং মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আমি কামনা করি তাদের অবিরাম সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। ঈদুল আজহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময়… মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমি এ প্রার্থনা জানাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিঃশর্ত আনুগত্য প্রদর্শন। এটি ত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য অর্জনের উৎসব। এর মাধ্যমে মুসলমানেরা মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা পায়। প্রতিটি উৎসবই ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের চিত্তবৃত্তি ও ঔদার্য প্রসারিত করে। উৎসব মানবজাতিকে সম্প্রীতির অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং সামাজিক অন্ধকারের গহন থেকে মানবিক আলোর ভূমিতে সমবেত করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১১ দলীয় ঐক্যের ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে সচিবালয়ের সব গেট বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
১১ দলীয় ঐক্যের ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে সচিবালয়ের সব গেট বন্ধ

জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকট, বিদ্যুতের ‘ভূতুড়ে’ বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সচিবালয়ের সব গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ের সব গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সচিবালয়ের সব গেট বন্ধ করে দেওয়ায় বিভিন্ন কাজে সেখানে প্রবেশ করতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। গেট বন্ধ থাকায় অনেককে বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। প্রয়োজনীয় কাজে প্রবেশের আশায় তারা সচিবালয়ের বিভিন্ন গেটের সামনে ভিড় করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেটগুলোর সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হওয়া মিছিল জিরো পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তা আটকে দেয়।

কর্মসুচিতে অংশ নিয়েছেন এসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।

এর আগে জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকট, বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল ও মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বৃষ্টির মধ্যেই অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে বেলা ১১টার পর এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।

অনুষ্ঠান চলাকালে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৃষ্টি শুরু হলেও তা উপেক্ষা করেই জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা রাজপথে অবস্থান নিয়ে তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যান।

অবস্থান কর্মসূচিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত আছেন।

কালের আলো/এসএকে

কাকে ‘পকেটমার’ মন্তব্যে করলেন কঙ্গনা রানৌত?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
কাকে ‘পকেটমার’ মন্তব্যে করলেন কঙ্গনা রানৌত?

বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানৌত আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্ট ও ভিডিও বার্তায় তিনি নাম উল্লেখ না করেই এক সহ-অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করেন। তাঁর মন্তব্যে ওই অভিনেত্রীর পোশাক, ভাষা, ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য উঠে আসে।

কঙ্গনা একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে লেখেন, একজন অভিনেত্রী আন্দোলন নিয়ে সরব হলেও অন্য একটি আন্দোলনের সময় নীরব ছিলেন। এরপর নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি দাবি করেন, কাউকে অপমান করার উদ্দেশ্য তাঁর নেই। তবে তিনি মন্তব্য করেন, এক অভিনেত্রী এমন পোশাক পরেন এবং এমনভাবে কথা বলেন, যা তাঁর কাছে ‘পকেটমারের’ মতো মনে হয়। পাশাপাশি তিনি বলেন, পোশাক একজন মানুষের চিন্তাভাবনা ও ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে।

একই পোস্টে কঙ্গনা আরও লেখেন, আগে ওই অভিনেত্রীকে পরিপাটি ও মার্জিত মনে হলেও এখন তাঁর স্টাইল ও আচরণে পরিবর্তন এসেছে। প্রয়োজনে তিনি ওই সহ-অভিনেত্রীকে সাহায্য করতেও প্রস্তুত বলে উল্লেখ করেন।

পরে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় কঙ্গনা বলেন, কিছু অভিনেত্রী দীর্ঘদিন ধর্ম ও রাজনীতির বিষয়ে নিরপেক্ষ ছিলেন, কিন্তু বিয়ের পর তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলে গেছে। তিনি আরও বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার রয়েছে। তাই তিনি যদি নিজের মতাদর্শ পরিবর্তন করে আরও দৃঢ়ভাবে হিন্দুত্ববাদী অবস্থান গ্রহণ করেন, সেটিও তাঁর ব্যক্তিগত অধিকার।

যদিও কঙ্গনা কোথাও কারও নাম উল্লেখ করেননি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের ধারণা, তাঁর এই মন্তব্য অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহাকে উদ্দেশ্য করেই করা হয়েছে। কারণ, সাম্প্রতিক আন্দোলনের বিষয়ে প্রকাশ্যে মত দেওয়া অল্প কয়েকজন বলিউড তারকার মধ্যে সোনাক্ষী অন্যতম ছিলেন। বিভিন্ন ভিডিওতে তাঁকে শর্টস ও ক্যাপ পরিহিত অবস্থায়ও দেখা যায়।

এর আগেও কঙ্গনা নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জি তরুণীদের নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। সে সময় তাঁর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন গায়ক বিশাল দাদলানি, অভিনেতা সোনু সুদসহ অনেক পরিচিত তারকা।

সমালোচনার জবাবে কঙ্গনা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পুরোনো সিনেমার দৃশ্য ও ফটোশুটের ছবি ব্যবহার করে ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, সিনেমার চরিত্র বা পেশাগত কাজের অংশ হিসেবে ধারণ করা দৃশ্যকে ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। তিনি আরও দাবি করেন, তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত না করে দায়িত্বশীল বার্তা দেওয়া প্রয়োজন।

কালের আলো/এসএ

সচিবালয় ঘেরাও করতে গেল ১১ দলীয় ঐক্য, আটকে দিলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ
সচিবালয় ঘেরাও করতে গেল ১১ দলীয় ঐক্য, আটকে দিলো পুলিশ

জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকট, বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নেতাকর্মীরা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে রওয়ানা হন।

মিছিলটি জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার পরই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়।

সচিবালয়ে ঘেরাও কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামি আমির ডা. শফিকুর রহমান।

কর্মসুচিতে অংশ নিয়েছেন এসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।

এর আগে জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকট, বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল ও মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বৃষ্টির মধ্যেই অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে বেলা ১১টার পর এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৃষ্টি শুরু হলেও তা উপেক্ষা করেই জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা রাজপথে অবস্থান নিয়ে তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যান।

অবস্থান কর্মসূচিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে