খুঁজুন
                               
, ,
           

মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

বিশ্ব বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য দেখাচ্ছে সোনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওসের নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। টম হল্যান্ড অভিনীত এই সুপারহিরো চলচ্চিত্রটি মুক্তির মাত্র ছয় দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) মার্কিন ডলার আয়ের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্র ব্যবসার ইতিহাসে এত অল্প সময়ে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের নজির এর আগে কেবল ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল। এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় প্রায় ৯৩২ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

টম হল্যান্ডের একক স্পাইডার-ম্যান সিরিজের চতুর্থ কিস্তি এবং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)-এর ৩৮তম চলচ্চিত্রটির সাফল্যে উচ্ছ্বসিত নির্মাতারা। মার্ভেল স্টুডিওসের প্রেসিডেন্ট ও প্রযোজক কেভিন ফাইগি ভ্যারাইটিকে বলেন, “আমি সত্যিই আশা করিনি যে ‘এন্ডগেম’-এর রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে। আমাদের সিনেমাটি সেই জায়গায় পৌঁছেছে দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সোমবার সকালে এমন এক অর্জনের মুখোমুখি হওয়াটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি।”

চলচ্চিত্রটি দর্শকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কয়েক সপ্তাহে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেমা মুক্তি না থাকায় বিশ্লেষকদের ধারণা, স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ খুব দ্রুতই ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের ক্লাবে প্রবেশ করতে পারে। এমনকি প্রদর্শনী শেষ হওয়ার আগেই এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রগুলোর তালিকায় শীর্ষস্থানীয় অবস্থান দখল করবে বলেও আলোচনা চলছে।

কালের আলো/এসএ

নতুন মৌসুম শুরুর আগেই ইতিহাস গড়ছে প্রিমিয়ার লিগ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
নতুন মৌসুম শুরুর আগেই ইতিহাস গড়ছে প্রিমিয়ার লিগ

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুম শুরু হবে ২১ আগস্ট। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই ইতিহাস গড়েছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই ফুটবল লিগ। এবারই প্রথম উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে ৯টি ক্লাব নতুন স্থায়ী প্রধান কোচের অধীনে মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে এক মৌসুমের শুরুতে এত সংখ্যক ক্লাবের নতুন কোচ নিয়ে মাঠে নামার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, চেলসি, নিউক্যাসল ইউনাইটেড, বোর্নমাউথ, নটিংহাম ফরেস্ট, ক্রিস্টাল প্যালেস, ফুলহাম ও ইপসউইচ টাউন—এই ক্লাবগুলোতে কোচ পরিবর্তনের ফলে লিগজুড়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিভারপুলের দায়িত্ব পেয়েছেন আন্দোনি ইরাওলা। ম্যানচেস্টার সিটির নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন এনজো মারেসকা। চেলসির ডাগআউটে এসেছেন জাবি আলোনসো। বোর্নমাউথের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মার্কো রোজকে, নটিংহাম ফরেস্টের কোচ হয়েছেন অলিভার গ্লাসনার, ক্রিস্টাল প্যালেসে যোগ দিয়েছেন পিয়ের সাজ, ফুলহামের দায়িত্ব নিয়েছেন আলভারো আরবেলোয়া এবং ইপসউইচ টাউনের নতুন কোচ গ্যারি ও’নিল। নিউক্যাসল ইউনাইটেডও মাটিয়াস ইয়াসলাকে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৬–১৭ মৌসুমে ৮টি ক্লাব নতুন কোচ নিয়ে মৌসুম শুরু করেছিল, যা এতদিন সর্বোচ্চ ছিল। ওই মৌসুমেই ম্যানচেস্টার সিটির দায়িত্ব নিয়েছিলেন পেপ গার্দিওলা এবং চেলসির কোচ হয়ে অভিষেক মৌসুমেই শিরোপা জিতেছিলেন আন্তোনিও কন্তে।

বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী কোচ আর্সেনালের মিকেল আরতেতা। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এখন লিগের সবচেয়ে অভিজ্ঞ কোচদের একজন। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে তার চেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে একই ক্লাবের দায়িত্বে আছেন শুধু আতলেতিকো মাদ্রিদের দিয়েগো সিমিওনে।

নতুন কোচ মানেই নতুন কৌশল, নতুন পরিকল্পনা ও নতুন উদ্দীপনা। তাই মৌসুমের শুরুতে দলগুলোর পারফরম্যান্স কেমন হয়, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। উদ্বোধনী সপ্তাহেই নতুন কোচদের অধীনে থাকা কয়েকটি দলের মুখোমুখি লড়াইও থাকছে, যা মৌসুমের শুরুতেই বাড়তি আকর্ষণ যোগ করবে।

প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাস বলছে, ১৯৯২ সালে লিগের যাত্রা শুরুর পর এখন পর্যন্ত মাত্র ছয়জন কোচ নিজেদের অভিষেক মৌসুমেই শিরোপা জিততে পেরেছেন। ফলে এবার নতুন দায়িত্ব পাওয়া কোচদের সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি প্রত্যাশার চাপও থাকবে অনেক বেশি।

কালের আলো/এসএ

নেসকো কেন, কোনো কিছুই রাজশাহী থেকে যাবে না: ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
নেসকো কেন, কোনো কিছুই রাজশাহী থেকে যাবে না: ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু  বলেছেন, ‘রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতেই থাকবে। কোন কন্ট্রাক্টর কোথায় কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না। নেসকো কেন, রাজশাহীর কোনো প্রতিষ্ঠান কোথাও যাবে না।’

বুধবার ( ৫ আগস্ট)) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘এটি হচ্ছে এখানে কয়েকজন যারা চাকরি করে, কিছু কিছু আছে যারা ফ্যাসিস্টদের দালাল, তারা এটা নিয়ে একটি ষড়যন্ত্র করতে পারে। আর কে কী বলল, কোন কন্ট্রাক্টর… নো, দিস ইজ রাজশাহী।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজশাহীর সব প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতেই থাকবে। নেসকো কেন, কোনো কিছু রাজশাহী থেকে যাবে না। রাজশাহী হবে ফার্স্ট। আমার কাছে মন্ত্রিত্ব, এমপি, মেয়র বড় জিনিস নয়। এই মাটিতেই আমার জন্ম। এই মাটিতেই আমার মৃত্যু হবে। এটিই আমার আকাঙ্খা, এটিই আমার চাওয়া। আল্লাহ আমাকে অনেক সম্মান দিয়েছেন। আর এগুলো… কোন কন্ট্রাক্টর, কোথায় কী বলল তাতে কিছু আসে যায় না।’

জেলা প্রশাসন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদসহ পুলিশ-প্রশাসনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

‘জুলাই জাদুঘর গড়ে তোলা ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধ’—ফারুকী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
‘জুলাই জাদুঘর গড়ে তোলা ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধ’—ফারুকী

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর নির্মাণের কাজ ছিল ‘আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধের মতো’। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফারুকী লেখেন, “মন্ত্রণালয়ের শত শত কাজের মধ্যে জুলাই জাদুঘরের কাজ এক বছরের মধ্যে একটি কাঠামোতে নিয়ে আসা ছিল আক্ষরিক অর্থেই যুদ্ধ। এই যুদ্ধ আমার আয়ু কেড়েছে, কেড়েছে আরও অনেক কিছু। কিন্তু শত শত শহীদ যেখানে জীবন দিয়েছেন, সেখানে এসব যুদ্ধ আর এমন কী?”

তিনি জানান, বুধবার (৫ আগস্ট) জাদুঘরটির উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। শূন্য থেকে জাদুঘরটি গড়ে তোলার পেছনে যাদের নিরলস শ্রম রয়েছে, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষভাবে স্থপতি তানজিম ওয়াহাব, স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম, সংশ্লিষ্ট টিম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

ফারুকী আরও জানান, শুরুতে আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হলেও এতে তিন বছরের বেশি সময় লাগতে পারে এবং ব্যয়ও অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হয়। পরে দেশীয় সক্ষমতার ওপর নির্ভর করেই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়।

নিজের পোস্টে তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত যারা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছেন, তাদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন। পাশাপাশি ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টাইমস, ফরাসি দৈনিক লা মোঁদ এবং জার্মান দৈনিক টাজ জাদুঘরটি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ফারুকী বলেন, টিম লিডার ও আর্টিস্টিক ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় কঠোর হতে হয়েছে। এ কারণে কাজের সময় কাউকে বকাঝকা বা উচ্চস্বরে কথা বলে থাকলে তিনি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাদুঘর সব সময়ই ‘ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস’ হিসেবে থাকবে। তার ভাষায়, জুলাই আন্দোলন এবং গত ১৬ বছরের ঘটনাপ্রবাহ এতটাই বিস্তৃত যে, একবারে সবকিছু তুলে ধরা সম্ভব নয়।

ফারুকী জানান, এখন পর্যন্ত গেজেটভুক্ত ৮৩৫ জন শহীদের প্রত্যেককে নিয়ে পৃথক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করতেই কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। ভবিষ্যতে আরও তথ্য, দলিল ও উপাদান জাদুঘরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সবশেষে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জুলাই আন্দোলন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের গণ্ডি পেরিয়ে এই জাদুঘরকে বাংলাদেশের রাজনীতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পোস্টের শেষাংশে জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান ফারুকী। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।