খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশ যেন আর কখনোই পরনির্ভরশীল না হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
দেশ যেন আর কখনোই পরনির্ভরশীল না হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব যে বাংলাদেশ যেন কখনোই আবার কোনো পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে ফিরে না যায়। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখতে মন্ত্রণালয় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) ফরেন সার্ভিস একাডেমির আয়োজনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট-পরবর্তী সময় মোটেও মসৃণ ছিল না।

তখন প্রধান উপদেষ্টা আমাকে সরকারের দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানান। পরে তিনি আমাকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার) হিসেবে দায়িত্ব দেন।

তিনি বলেন, তখন আমাদের সামনে অন্তত তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। প্রথমত, প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

দ্বিতীয়ত, সরকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। তৃতীয়ত, পুরো রূপান্তর (ট্রানজিশন) প্রক্রিয়াটি যেন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করা।

মন্ত্রী বলেন, নানা ধরনের বাধা ও সমস্যা থাকলেও আমরা তিনটি লক্ষ্যই অর্জন করতে পেরেছি। নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত উৎসবমুখর। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাও এটিকে একটি চমৎকার নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আমরা যেসব আশঙ্কা করেছিলাম, সেগুলোর কোনোটিই বাস্তবে ঘটেনি। ফলে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে।”

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

আন্দোলনের প্রতিটি শহীদ তাঁদের অসীম সাহস, নির্ভীক দৃষ্টিভঙ্গি ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে আমাদের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। একই সঙ্গে সেই ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের জীবন্ত সাক্ষী হয়ে যারা আমাদের মাঝে রয়েছেন, তাঁদের প্রতিও আমি গভীর সমবেদনা জানাই।

মন্ত্রী আরও বলেন, তাদের ত্যাগ, সাহস ও অদম্য মনোবল দেশ ও মানুষের কল্যাণে আত্মোৎসর্গের আদর্শে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

নিজের লিখিত বক্তব্যের বাইরে এসে তিনি বলেন, দুই মাস আগে ঠিক এই সময়ে আমরা কী পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম, তা নিশ্চয়ই সবার মনে আছে। অনেকে দেশে ছিলেন, আবার অনেকে বিদেশে ছিলেন। বিদেশ থেকে আমরা দেখেছি, কীভাবে আমাদের তরুণ-তরুণীরা নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন, প্রাণ হারাচ্ছিলেন এবং আহত হচ্ছিলেন। সেই পরিস্থিতি দেখে নিশ্চুপ থাকা সম্ভব ছিল না।

তিনি বলেন, একপর্যায়ে ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমন পরিস্থিতি আমি আগে কখনো দেখিনি। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তথ্যপ্রবাহ এভাবে পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছিল অন্যতম অন্ধকার ও নৃশংস সময়। স্বাধীনতার পর এমন পরিস্থিতি আর দেখা যায়নি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম এবং ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জুলাই যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
জুলাই যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালের শয্যা থেকে সরাসরি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতু। এ সময় তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় মিতুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন, চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান এবং তার সাহস ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানান তারেক রহমান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নেন।

সেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের একজন ছিলেন মিতু, যিনি চব্বিশের জুলাই যুদ্ধে আহত হয়ে এখনও চিকিৎসাধীন। তারপরও হাসপাতাল থেকে সরাসরি অনুষ্ঠানে যোগ দেন মিতু। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার এই আন্তরিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।

কালের আলো/এসএকে

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংসদেই ফিরতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

বরিশাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংসদেই ফিরতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে পার্লামেন্টের বদলে রাজপথে নেওয়ার অপচেষ্টায় যারা লিপ্ত, তারা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে পারছেন না। আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে সংসদকেই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল নগরের আমতলা মোড়ে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের সরকারের পক্ষ থেকে জাতির সামনে আবারও শপথ উচ্চারণ করছি— যে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি, যে শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছি, তাদের রক্তের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং অর্জিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে গোটা দেশ। মহান স্বাধীনতার পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক, মানবাধিকারসম্মত ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে ওঠার। কিন্তু নানা কারণে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ আবারও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের কবলে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ জাতীয় নেতাদের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি হয়। সেই আন্দোলনের আবহে একসময়কার শিশু-কিশোররা সাহসী তরুণ যোদ্ধায় পরিণত হয়। আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে দেশনায়ক তারেক রহমান “ফয়সালা হবে রাজপথে”—এই ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত রাজপথেই ফ্যাসিবাদের পরাজয় হয়েছে। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই সংসদ একটি কার্যকর সংসদে পরিণত হবে। আন্দোলনের সময় যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, সেই ঐক্য ধরে রেখে মতপার্থক্যের বিষয়গুলো সংসদের বিতর্কেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

তিনি বলেন, যারা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে পার্লামেন্টের বদলে রাজপথে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তারা শহীদদের আত্মত্যাগকে বুঝতে পারছেন না। আবার যারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক বিতর্কের পরিবর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন, তারাও ভুল করছেন।

সব গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে ঐক্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা হয়েছে, সেই ঐক্য অটুট রেখে পার্লামেন্টকেই রাজনীতির একমাত্র কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। এর ব্যত্যয় জনগণ মেনে নেবে না। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিকশিত এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত দল এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চাইলেও, জনগণের স্বার্থে যে-কোনো অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ফিওরেন্তিনায় ধারে যাচ্ছেন রিয়ালের তরুণ আর্জেন্টাইন তারকা মাস্তানতুয়োনো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ফিওরেন্তিনায় ধারে যাচ্ছেন রিয়ালের তরুণ আর্জেন্টাইন তারকা মাস্তানতুয়োনো

তরুণ আর্জেন্টাইন প্রতিভা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোকে ধারে ইতালিয়ান ক্লাব ফিওরেন্তিনায় পাঠাতে সম্মত হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দলবদল বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত ফ্লোরেন্সের ক্লাবটিতে থাকবেন ১৮ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। এরপর আবারও সান্তিয়াগো বার্নাবেউয়ে ফেরার কথা রয়েছে তার।

মাস্তানতুয়োনোর জন্য এটি ক্যারিয়ারের নতুন এক অধ্যায়। গত গ্রীষ্মে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেট থেকে বড় অঙ্কের ট্রান্সফার ফিতে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ফিওরেন্তিনার সঙ্গে ধারের চুক্তিতে তাকে স্থায়ীভাবে কিনে নেওয়ার কোনো সুযোগ রাখেনি রিয়াল।

রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের পরিকল্পনা, ভবিষ্যতের এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে দীর্ঘমেয়াদে ক্লাবের অংশ হিসেবেই ধরে রাখা।

২০০৭ সালের ১৪ আগস্ট আর্জেন্টিনার আজুলে জন্ম নেওয়া মাস্তানতুয়োনো বাঁ পায়ের ড্রিবলিং, দূরপাল্লার শট এবং আক্রমণভাগের বিভিন্ন পজিশনে খেলার দক্ষতার জন্য পরিচিত। রিভার প্লেট থেকে তাকে দলে ভেড়াতে রিয়াল মাদ্রিদ ৬৩.২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে বলে জানা যায়। তাকে দলে নিতে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইসহ (পিএসজি) ইউরোপের বেশ কয়েকটি বড় ক্লাব আগ্রহী ছিল।

রিয়ালের জার্সিতে প্রথম মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে প্রায় ৩৫ ম্যাচে মাঠে নামেন মাস্তানতুয়োনো। এ সময়ে তিনটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি।

তবে তার বয়স ও নিয়মিত খেলার প্রয়োজন বিবেচনা করে রিয়াল তাকে ধারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্লাবটির লক্ষ্য, ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া।

মাস্তানতুয়োনোর ইতালিয়ান নাগরিকত্ব থাকায় ফিওরেন্তিনার জন্য বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও বাড়তি জটিলতা থাকছে না।

নতুন কোচ ফাবিও গ্রোসোর অধীনে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে থাকা ফিওরেন্তিনা এই আর্জেন্টাইন তরুণকে আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে। সৌদি প্রো লিগ কিংবা রিভার প্লেটে ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও রিয়াল মাদ্রিদ চেয়েছে তিনি ইউরোপের প্রতিযোগিতামূলক লিগেই নিজের উন্নতি চালিয়ে যান।

কালের আলো/এসএ